চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় সিলিং ফ্যানে গলায় ওড়না পেঁচানো গৃহবধূর রুনা আক্তার (২১) লাশ উদ্ধার। সোমবার উপজেলার ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের দক্ষিণ ঠেটালীয়া গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। রুনা পরিবারের দাবি তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দক্ষিণ ঠেটালীয়া মরহুম সামছুল হক মোল্লার ছেলে মো. আব্দুল হাকিম মোল্লা বিগত ৫-৬ মাস পূর্বে ঠাকুর কান্দি ভূইয়া বাড়ির মো.রফিকুল ইসলাম ভূইয়ার এক মাত্র কন্যা রুনা আক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয়। পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়তে রুনার স্বামী মো. আব্দুল হাকিম মোল্লা সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদগাহে যান। নামাজ শেষ হলে হাকিম মোল্লা খবর পায় তার স্ত্রী ঘরের সিলিং ফ্যানে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি দৌড়ে বাড়ি গিয়ে দেখতে পায় তার স্ত্রী সিলিং ফ্যানে ঝুলে আছে। এ ঘটনা খবর ছড়িয়ে পড়লে বাড়িতে মানুষের ঢল নামে। কে বা কারা এ খবরটি ৯৯৯ নাম্বারে কল দিয়ে জানালে মতলব উত্তর থানা পুলিশ পরিদর্শক প্রদীপ মন্ডল ও এসআই দেলোয়ার হোসেনসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করেন।
মৃতের ভাই মো. শরীফুল ইসলাম জানান, আমার বোন আত্মহত্যা করেনি। পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। রুনার স্বামী হাকিম মোল্লা তার বোনকে মেরে ফেলে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। তিনি হত্যা মামলা দায়ের করবেন বলে জানান।
এদিকে মৃতের রুনার স্বামী হাকিম মোল্লা গাঢাকা দিয়েছে। তার গাঢাকা নিয়ে এলাকায় আলোচনায় এটি কী আত্মহত্যা না হত্যা।
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রবিউল হক জানান,লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই সঠিক কারণ জানা যাবে।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় সিলিং ফ্যানে গলায় ওড়না পেঁচানো গৃহবধূর রুনা আক্তার (২১) লাশ উদ্ধার। সোমবার উপজেলার ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের দক্ষিণ ঠেটালীয়া গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। রুনা পরিবারের দাবি তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দক্ষিণ ঠেটালীয়া মরহুম সামছুল হক মোল্লার ছেলে মো. আব্দুল হাকিম মোল্লা বিগত ৫-৬ মাস পূর্বে ঠাকুর কান্দি ভূইয়া বাড়ির মো.রফিকুল ইসলাম ভূইয়ার এক মাত্র কন্যা রুনা আক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয়। পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়তে রুনার স্বামী মো. আব্দুল হাকিম মোল্লা সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদগাহে যান। নামাজ শেষ হলে হাকিম মোল্লা খবর পায় তার স্ত্রী ঘরের সিলিং ফ্যানে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি দৌড়ে বাড়ি গিয়ে দেখতে পায় তার স্ত্রী সিলিং ফ্যানে ঝুলে আছে। এ ঘটনা খবর ছড়িয়ে পড়লে বাড়িতে মানুষের ঢল নামে। কে বা কারা এ খবরটি ৯৯৯ নাম্বারে কল দিয়ে জানালে মতলব উত্তর থানা পুলিশ পরিদর্শক প্রদীপ মন্ডল ও এসআই দেলোয়ার হোসেনসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করেন।
মৃতের ভাই মো. শরীফুল ইসলাম জানান, আমার বোন আত্মহত্যা করেনি। পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। রুনার স্বামী হাকিম মোল্লা তার বোনকে মেরে ফেলে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। তিনি হত্যা মামলা দায়ের করবেন বলে জানান।
এদিকে মৃতের রুনার স্বামী হাকিম মোল্লা গাঢাকা দিয়েছে। তার গাঢাকা নিয়ে এলাকায় আলোচনায় এটি কী আত্মহত্যা না হত্যা।
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রবিউল হক জানান,লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই সঠিক কারণ জানা যাবে।