কক্সবাজারের রামুতে গরু পাচারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহতের ঘটনায় পুলিশ ২টি দেশীয় কাটা বন্দুক উদ্ধার ও অভিযুক্তকে পুলিশি জিম্মায় নিয়েছে।
সরজমিন পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সোমবার ঈদের দিন বিকেল সাড়ে ৫টায় উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের চৌধুরী খামার এলাকায় সীমান্ত ফাঁকি দিয়ে আসা ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম সুজনের গরু টানাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মো. হানিফ গংয়ের সঙ্গে হামিদ, জামাল গ্রুপের বিরোধ বাধে।
এ সময় পশ্চিম গনিয়াকাটা গ্রামের মৃত আলী আকবরের পুত্র মো. নবীসহ আরো কয়েকজন তাদের বিরোধ মিমাংসার জন্য সেখানে যায়।
এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে হানিফ গংয়ের গুলিতে মো. নবী মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং সেখানে উপস্থিত নবীর ছেলে রিদুয়ান, হানিফ ও সানীকে কুপিয়ে আহত করে।
নিহত মো. নবীর মেয়ে ১০ শ্রেণীতে পড়ুয়া মাদ্রাসা ছাত্রী নাসরিন জাহান কান্না বিজড়িত কণ্ঠে জানান, তার বাবাকে গুলি করা হয় সাড়ে ৫টায়, আর পথে খুনিদের বাধার কারণে ঘটনাস্থল থেকে তার বাবাকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছে রাত সাড়ে ৮টায়।
তার পরিবার খুনিদের ফাঁসি চায়, কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুফিদুল আলম জানান, নিহত মো. নবী ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি, তিনি খুবই গরিব ও ভালো মনের মানুষ ছিলেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ময়নাতদন্ত শেষে নিহত মো. নবীর জানাজার নামাজ শেষে দাফন সস্পন্ন হয়। এদিকে ঘটনার রাতেই রামু থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ২টি দেশীয় কাটা বন্দুক উদ্ধার করে এবং কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুনি হানিফ ও সানীকে পুলিশি জিম্মায় নেন।
রামু থানার অফিসার ইনচার্জ ইমন কান্তি চৌধুরী জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২টি দেশীয় তৈরি অস্ত্র উদ্ধার করেছে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ জনকে পুলিশি জিম্মায় নিয়েছে, অস্ত্র মামলা হয়েছে তবে হত্যার ঘটনায় এজাহার পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ও জানান।
উখিয়ার ঘোনা গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সচেতন ব্যক্তিরা জানান, মায়ানমার থেকে আসা চোরাই গরু চালানের নিরাপদ রোড হিসেবে ওই স্থানের গর্জনিয়া-উখিয়ারঘোনা সড়কটি ব্যবহার হয়ে আসছে।
গরু ব্যবসার অন্তরালে অনেকে আইস, মাদক, সুপারিসহ বিভিন্ন বিদেশি পণ্য পাচার অব্যাহত থাকলেও এ ব্যাপারে প্রশাসনের দৃশ্যত কোন পদক্ষেপ নেই, এতে করে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি দুই উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
কক্সবাজারের রামুতে গরু পাচারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহতের ঘটনায় পুলিশ ২টি দেশীয় কাটা বন্দুক উদ্ধার ও অভিযুক্তকে পুলিশি জিম্মায় নিয়েছে।
সরজমিন পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সোমবার ঈদের দিন বিকেল সাড়ে ৫টায় উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের চৌধুরী খামার এলাকায় সীমান্ত ফাঁকি দিয়ে আসা ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম সুজনের গরু টানাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মো. হানিফ গংয়ের সঙ্গে হামিদ, জামাল গ্রুপের বিরোধ বাধে।
এ সময় পশ্চিম গনিয়াকাটা গ্রামের মৃত আলী আকবরের পুত্র মো. নবীসহ আরো কয়েকজন তাদের বিরোধ মিমাংসার জন্য সেখানে যায়।
এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে হানিফ গংয়ের গুলিতে মো. নবী মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং সেখানে উপস্থিত নবীর ছেলে রিদুয়ান, হানিফ ও সানীকে কুপিয়ে আহত করে।
নিহত মো. নবীর মেয়ে ১০ শ্রেণীতে পড়ুয়া মাদ্রাসা ছাত্রী নাসরিন জাহান কান্না বিজড়িত কণ্ঠে জানান, তার বাবাকে গুলি করা হয় সাড়ে ৫টায়, আর পথে খুনিদের বাধার কারণে ঘটনাস্থল থেকে তার বাবাকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছে রাত সাড়ে ৮টায়।
তার পরিবার খুনিদের ফাঁসি চায়, কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুফিদুল আলম জানান, নিহত মো. নবী ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি, তিনি খুবই গরিব ও ভালো মনের মানুষ ছিলেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ময়নাতদন্ত শেষে নিহত মো. নবীর জানাজার নামাজ শেষে দাফন সস্পন্ন হয়। এদিকে ঘটনার রাতেই রামু থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ২টি দেশীয় কাটা বন্দুক উদ্ধার করে এবং কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুনি হানিফ ও সানীকে পুলিশি জিম্মায় নেন।
রামু থানার অফিসার ইনচার্জ ইমন কান্তি চৌধুরী জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২টি দেশীয় তৈরি অস্ত্র উদ্ধার করেছে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ জনকে পুলিশি জিম্মায় নিয়েছে, অস্ত্র মামলা হয়েছে তবে হত্যার ঘটনায় এজাহার পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ও জানান।
উখিয়ার ঘোনা গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সচেতন ব্যক্তিরা জানান, মায়ানমার থেকে আসা চোরাই গরু চালানের নিরাপদ রোড হিসেবে ওই স্থানের গর্জনিয়া-উখিয়ারঘোনা সড়কটি ব্যবহার হয়ে আসছে।
গরু ব্যবসার অন্তরালে অনেকে আইস, মাদক, সুপারিসহ বিভিন্ন বিদেশি পণ্য পাচার অব্যাহত থাকলেও এ ব্যাপারে প্রশাসনের দৃশ্যত কোন পদক্ষেপ নেই, এতে করে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি দুই উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।