টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সল্লা চরপাড়া গ্রামে অর্থের অভাবে বিগত পুরো রমজান মাসজুড়ে প্রতিদিন পান্তা ভাত দিয়ে ইফতার করেছেন একটি পরিবার। উপজেলার সল্লা চরপাড়া গ্রামে রকিবুল ও লিলি বেগম দম্পত্তি অভাবের তাড়নায় পান্তা ভাত দিয়ে বিগত পুরো রমজান মাসজুড়ে প্রতিদিন ইফতার করেছেন তারা। তাদের পরিবারে স্বামী-স্ত্রী ছাড়াও দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। পরিবারের উপার্জনক্ষম রকিবুল অসুস্থ হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।
এসময় বিভিন্ন এলাকায় অসহায় দোস্ত পরিবারের মাঝে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার। এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খায়রুল ইসলাম শনিবার রাতে সল্লা চরপাড়া গ্রামের রকিবুল ও লিলি বেগম দম্পত্তি বাড়িতে উপস্থিত হয়ে তাদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী, ঈদ উপহার ও নগদ অর্থ প্রদান করেন। এছাড়াও নির্বাহী অফিসার বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র, অসহায় ও প্রতিবন্ধী রাস্তার পাশে থাকা পরিবারের ১৫-১৬টি পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী ও ঈদ উপহার তুলে দেন তাদের হাতে। এ সময় মহাসড়কের যানজট কমাতে নিরাপদে ও নিরাপত্তার মাধ্যমে মানুষ বাড়ি পৌঁছাতে পারে। এজন্য ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত নিরলসভাবে কালিহাতীর বিভিন্ন অংশে পরিদর্শন করেন।
অসুস্থতার কারণে অর্থ না থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অন্য সব মানুষের মতো ভালো কিছু দিয়ে ইফতার করতে পারেন না তারা। বুট মুড়ি জোটাতে না পারায় পান্তা ভাতই তাদের ইফতারের একমাত্র উপায়। ভিক্ষা না করে উপার্জন করে খেতে চান। নির্বাহী অফিসার এর কাছে একটি দোকান সহায়তা চান তারা। রকিবুল দুই বছর বয়সে অসুস্থ হয়ে তার এক পা পঙ্গু হয়ে যায়। এরপর গলায় রাখা গামছায় আগুন লেগে পুড়ে যায় গলা। দরিদ্রতার কারণে চিকিৎসা করাতে না পারায় রকিবুল বড় হলে এভাবেই কাজ করে সংসার চালাতে থাকেন। বসে থাকার কাজ ছাড়া অন্য কাজ করতে না পারায় সবারই কাজের মজুরি ৫০০টাকা পেলেও রকিবুল পান ২০০ টাকা। স্বাভাবিক কাজ করতে না পারায় তাকে কাজেও নিতে চান না কেউ। তাই চুক্তিতে কাজ নিয়ে স্ত্রী অথবা ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করেন তিনি। দুই ছেলে থাকলেও কিছুটা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাদেরও কাজে নিতে চায় না কেউ। অভাবের তাড়নায় অতিকষ্টে দিন যাপন করেন এই পরিবার। সরকারি তহবিল থেকে ও সমাজের বিত্তবানদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তারা।
কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম বলেন, উপজেলার সল্লা চরপাড়া গ্রামের পঙ্গু রকিবুল ও লিলি বেগম দম্পতি অবস্থার খবর শুনে রাতে তার বাড়িতে এসে খাদ্য সামগ্রী, ঈদ উপহার ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিত্তবান কয়েকজন ব্যক্তিরা তাকে সহযোগিতা করেন। পরবর্তীতে আমাদের সাধ্য অনুযায়ী তাকে একটি দোকান করে দেয়ার চেষ্টা করব।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সল্লা চরপাড়া গ্রামে অর্থের অভাবে বিগত পুরো রমজান মাসজুড়ে প্রতিদিন পান্তা ভাত দিয়ে ইফতার করেছেন একটি পরিবার। উপজেলার সল্লা চরপাড়া গ্রামে রকিবুল ও লিলি বেগম দম্পত্তি অভাবের তাড়নায় পান্তা ভাত দিয়ে বিগত পুরো রমজান মাসজুড়ে প্রতিদিন ইফতার করেছেন তারা। তাদের পরিবারে স্বামী-স্ত্রী ছাড়াও দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। পরিবারের উপার্জনক্ষম রকিবুল অসুস্থ হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।
এসময় বিভিন্ন এলাকায় অসহায় দোস্ত পরিবারের মাঝে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার। এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খায়রুল ইসলাম শনিবার রাতে সল্লা চরপাড়া গ্রামের রকিবুল ও লিলি বেগম দম্পত্তি বাড়িতে উপস্থিত হয়ে তাদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী, ঈদ উপহার ও নগদ অর্থ প্রদান করেন। এছাড়াও নির্বাহী অফিসার বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র, অসহায় ও প্রতিবন্ধী রাস্তার পাশে থাকা পরিবারের ১৫-১৬টি পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী ও ঈদ উপহার তুলে দেন তাদের হাতে। এ সময় মহাসড়কের যানজট কমাতে নিরাপদে ও নিরাপত্তার মাধ্যমে মানুষ বাড়ি পৌঁছাতে পারে। এজন্য ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত নিরলসভাবে কালিহাতীর বিভিন্ন অংশে পরিদর্শন করেন।
অসুস্থতার কারণে অর্থ না থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অন্য সব মানুষের মতো ভালো কিছু দিয়ে ইফতার করতে পারেন না তারা। বুট মুড়ি জোটাতে না পারায় পান্তা ভাতই তাদের ইফতারের একমাত্র উপায়। ভিক্ষা না করে উপার্জন করে খেতে চান। নির্বাহী অফিসার এর কাছে একটি দোকান সহায়তা চান তারা। রকিবুল দুই বছর বয়সে অসুস্থ হয়ে তার এক পা পঙ্গু হয়ে যায়। এরপর গলায় রাখা গামছায় আগুন লেগে পুড়ে যায় গলা। দরিদ্রতার কারণে চিকিৎসা করাতে না পারায় রকিবুল বড় হলে এভাবেই কাজ করে সংসার চালাতে থাকেন। বসে থাকার কাজ ছাড়া অন্য কাজ করতে না পারায় সবারই কাজের মজুরি ৫০০টাকা পেলেও রকিবুল পান ২০০ টাকা। স্বাভাবিক কাজ করতে না পারায় তাকে কাজেও নিতে চান না কেউ। তাই চুক্তিতে কাজ নিয়ে স্ত্রী অথবা ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করেন তিনি। দুই ছেলে থাকলেও কিছুটা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাদেরও কাজে নিতে চায় না কেউ। অভাবের তাড়নায় অতিকষ্টে দিন যাপন করেন এই পরিবার। সরকারি তহবিল থেকে ও সমাজের বিত্তবানদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তারা।
কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম বলেন, উপজেলার সল্লা চরপাড়া গ্রামের পঙ্গু রকিবুল ও লিলি বেগম দম্পতি অবস্থার খবর শুনে রাতে তার বাড়িতে এসে খাদ্য সামগ্রী, ঈদ উপহার ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিত্তবান কয়েকজন ব্যক্তিরা তাকে সহযোগিতা করেন। পরবর্তীতে আমাদের সাধ্য অনুযায়ী তাকে একটি দোকান করে দেয়ার চেষ্টা করব।