অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কে কেন্দ্র করে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি রয়েল ক্রু-২ এবং রাজারহাট লঞ্চের স্টাফ ও যাত্রীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হয়েছেন এবং ২৮ জন লঞ্চযাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। জানা গেছে,শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় ঢাকার সদরঘাট থেকে এমভি রয়েল ক্রু-২ এবং রাজারহাট লঞ্চ বরগুনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। রাতে যাত্রীদের কাছে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়া জনপ্রতি ৪০০ টাকার স্থলে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে। এ সময় যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে লঞ্চের স্টাফ কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে বেতাগী লঞ্চঘাট থেকে এমভি রয়েল ক্রু-২ এবং রাজারহাট লঞ্চের ২৮ যাত্রীদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এদিকে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের স্বজনরা বেতাগী থানার সামনে অবরোধ করেন। বেতাগী সদর ইউনিয়নের আটককৃত পারভেজ মা শিউলি আক্তার বলেন, আমার ছেলে পারভেজ ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল। ঘুমন্ত অবস্থায় থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে আসে।
এই একই দাবি করেন আটক রুবেল খন্দকার এবং আরাফাতের স্বজনরা। তারা বলেন, ঈদে ছেলে থাকবে কারাগারে। মুক্তি না দিলে আমাদের কোন ঈদ হবে না।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বেতাগী থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, গণমাধ্যমের কাছে এই মুহূর্তে আমি এই বিষয়ে কোন বক্তব্য দিতে রাজি নই।
অভিযোগের ভিত্তিতে আটককৃত ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিনা, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্দোষ হলে জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশ পেলেই ছেড়ে দেয়া হবে।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কে কেন্দ্র করে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি রয়েল ক্রু-২ এবং রাজারহাট লঞ্চের স্টাফ ও যাত্রীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হয়েছেন এবং ২৮ জন লঞ্চযাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। জানা গেছে,শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় ঢাকার সদরঘাট থেকে এমভি রয়েল ক্রু-২ এবং রাজারহাট লঞ্চ বরগুনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। রাতে যাত্রীদের কাছে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়া জনপ্রতি ৪০০ টাকার স্থলে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে। এ সময় যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে লঞ্চের স্টাফ কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে বেতাগী লঞ্চঘাট থেকে এমভি রয়েল ক্রু-২ এবং রাজারহাট লঞ্চের ২৮ যাত্রীদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এদিকে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের স্বজনরা বেতাগী থানার সামনে অবরোধ করেন। বেতাগী সদর ইউনিয়নের আটককৃত পারভেজ মা শিউলি আক্তার বলেন, আমার ছেলে পারভেজ ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল। ঘুমন্ত অবস্থায় থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে আসে।
এই একই দাবি করেন আটক রুবেল খন্দকার এবং আরাফাতের স্বজনরা। তারা বলেন, ঈদে ছেলে থাকবে কারাগারে। মুক্তি না দিলে আমাদের কোন ঈদ হবে না।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বেতাগী থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, গণমাধ্যমের কাছে এই মুহূর্তে আমি এই বিষয়ে কোন বক্তব্য দিতে রাজি নই।
অভিযোগের ভিত্তিতে আটককৃত ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিনা, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্দোষ হলে জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশ পেলেই ছেড়ে দেয়া হবে।