গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ঈদকে ঘিরে সক্রিয় রয়েছে শয়তানের নিঃশ্বাস বাহিনী। এই চক্রের তৎপরতায় এক নিঃশ্বাসেই স্বর্বস্ব হারিয়ে ঘরে ফিরছেন সাধারণ মানুষ। নীরিহ বৃদ্ধ ও সরল মানুষরা এদের টার্গেট। নির্জন ও নিরিবিল বাস এবং অটোরিকশাসহ বিভিন্ন জায়গা এদের নিরাপদ স্থান হলেও, এরা এখন সক্রিয় হয়েছে পাড়ায় পাড়ায়। এমনকি ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ সেজে তারা প্রতারণামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে গ্রামেগঞ্জেও। সম্প্রতি উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘড়িয়া গ্রামের আশাতন বেওয়া একটি ব্যাংক থেকে টাকা তুলে ফেরার পথে এরকম প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তারা তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। টাকা নিয়ে যাওয়ার পর সে বুজতে পারে তাকে কোন অজানা ওষুধে মুহূর্তের জন্য সবকিছু ভুলিয়ে দেয়া হয়েছিল।
একাধিক ভুক্তভোগী মানুষের কাছ থেকে জানা গেছে, এই চক্রের সদস্যরা ২ অথবা ৩ জন একদলে সংঘবদ্ধ। তবে তারা এক সঙ্গে থাকে না। পৃথক চরিত্র সেজে এক সঙ্গে কাজ করে। এরা কাঁধে ব্যাগ নিয়ে এবং মুখে মাক্স পরে মার্কেট, বাজার বাসস্ট্যান্ডসহ নানা স্থানে ঘুরে, ঘুরে এরা শিকার সংগ্রহ করে। শয়তানদের একজন যদি কাউকে টার্গেট করে তবে টিমের সবাই তাকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যায়। তারপর উপযুক্ত স্থানে সেই টার্গেটের ব্যক্তির সঙ্গে নানা কথা বলে নানাভাবে সখ্যতা গড়ে তুলে তাদের সংস্পর্শে এসে কোন না কোনভাবে নাকের খুব কাছাকাছি তাদের হাতে কাগজে থাকা অজানা পাউডারের ঘ্রাণ ছড়াবে আর তাতেই মুহূর্তেই টার্গেট করা ব্যক্তি হিপনোটাইজ হয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবেন।
তারপর তারা যা চাইবে, যেখানে নিয়ে যাবে, ভুক্তভোগীরা তাই করবেন। এই সুযোগে এই শয়তান বাহিনীর সদস্যরা ভুক্তভোগীর কাছ থেকে টাকা-পয়সা স্বর্ণলংকার এবং মোবাইলফোনসহ দামি সব মালামাল নিয়ে মূহূর্তে সটকে পড়ে। এসব কাজের সময় আশপাশের লোকজন বুঝতেই পারেন না, যে সেখানে কী হচ্ছে।
শয়তানের নিঃশ্বাস বাহিনীর বিষয়ে জানতে চাইলে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি বুলবুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের কোন ভুক্তভোগীর অভিযোগ এখন পর্যন্ত থানায় পাওয়া যায়নি।
তবে চলমান ঈদের ছুটিতে যাতে কোন ব্যক্তির কোন বিষয় অশান্তির কারণ হতে না পারে এবং কোন ব্যক্তি যাতে কোন প্রকারের প্রতারণার শিকার না হন, সে জন্য ইউনিফর্মে এবং সাদা পোশাকে পুলিশ ও নারী পুলিশ সব সময় মাঠে কাজ করছে।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ঈদকে ঘিরে সক্রিয় রয়েছে শয়তানের নিঃশ্বাস বাহিনী। এই চক্রের তৎপরতায় এক নিঃশ্বাসেই স্বর্বস্ব হারিয়ে ঘরে ফিরছেন সাধারণ মানুষ। নীরিহ বৃদ্ধ ও সরল মানুষরা এদের টার্গেট। নির্জন ও নিরিবিল বাস এবং অটোরিকশাসহ বিভিন্ন জায়গা এদের নিরাপদ স্থান হলেও, এরা এখন সক্রিয় হয়েছে পাড়ায় পাড়ায়। এমনকি ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ সেজে তারা প্রতারণামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে গ্রামেগঞ্জেও। সম্প্রতি উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘড়িয়া গ্রামের আশাতন বেওয়া একটি ব্যাংক থেকে টাকা তুলে ফেরার পথে এরকম প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তারা তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। টাকা নিয়ে যাওয়ার পর সে বুজতে পারে তাকে কোন অজানা ওষুধে মুহূর্তের জন্য সবকিছু ভুলিয়ে দেয়া হয়েছিল।
একাধিক ভুক্তভোগী মানুষের কাছ থেকে জানা গেছে, এই চক্রের সদস্যরা ২ অথবা ৩ জন একদলে সংঘবদ্ধ। তবে তারা এক সঙ্গে থাকে না। পৃথক চরিত্র সেজে এক সঙ্গে কাজ করে। এরা কাঁধে ব্যাগ নিয়ে এবং মুখে মাক্স পরে মার্কেট, বাজার বাসস্ট্যান্ডসহ নানা স্থানে ঘুরে, ঘুরে এরা শিকার সংগ্রহ করে। শয়তানদের একজন যদি কাউকে টার্গেট করে তবে টিমের সবাই তাকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যায়। তারপর উপযুক্ত স্থানে সেই টার্গেটের ব্যক্তির সঙ্গে নানা কথা বলে নানাভাবে সখ্যতা গড়ে তুলে তাদের সংস্পর্শে এসে কোন না কোনভাবে নাকের খুব কাছাকাছি তাদের হাতে কাগজে থাকা অজানা পাউডারের ঘ্রাণ ছড়াবে আর তাতেই মুহূর্তেই টার্গেট করা ব্যক্তি হিপনোটাইজ হয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবেন।
তারপর তারা যা চাইবে, যেখানে নিয়ে যাবে, ভুক্তভোগীরা তাই করবেন। এই সুযোগে এই শয়তান বাহিনীর সদস্যরা ভুক্তভোগীর কাছ থেকে টাকা-পয়সা স্বর্ণলংকার এবং মোবাইলফোনসহ দামি সব মালামাল নিয়ে মূহূর্তে সটকে পড়ে। এসব কাজের সময় আশপাশের লোকজন বুঝতেই পারেন না, যে সেখানে কী হচ্ছে।
শয়তানের নিঃশ্বাস বাহিনীর বিষয়ে জানতে চাইলে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি বুলবুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের কোন ভুক্তভোগীর অভিযোগ এখন পর্যন্ত থানায় পাওয়া যায়নি।
তবে চলমান ঈদের ছুটিতে যাতে কোন ব্যক্তির কোন বিষয় অশান্তির কারণ হতে না পারে এবং কোন ব্যক্তি যাতে কোন প্রকারের প্রতারণার শিকার না হন, সে জন্য ইউনিফর্মে এবং সাদা পোশাকে পুলিশ ও নারী পুলিশ সব সময় মাঠে কাজ করছে।