ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে দাঁড়িয়ে ভিডিও বানানোর সময় পড়ে গিয়ে দুই তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন। বুধবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মোগড়া রেলওয়ে সেতু এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার আবদুল করিম মিয়ার ছেলে আবদুল কাইয়ুম মিয়া (২২) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার তারেক মিয়া (২০)। আহতরা হলেন ইকরাম হোসেন (১৮) ও বিল্লাল মিয়া (২৫)। তাঁদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।
রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি আখাউড়ার গঙ্গাসাগর রেলস্টেশন অতিক্রম করার পর মোগড়া রেলওয়ে সেতু এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় ট্রেনের ছাদে থাকা চার তরুণ ভিডিও ধারণ করছিলেন। একপর্যায়ে তারা রেললাইনের ওপর দিয়ে যাওয়া তারে জড়িয়ে ট্রেনের ছাদ থেকে নিচে পড়ে যান।
ঘটনাস্থলেই কাইয়ুম মিয়ার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারেক মিয়াও মারা যান।
আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. লুৎফুর রহমান জানান, আহতদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, আহত দুইজনের একজনের মাথার খুলিতে এবং আরেকজনের গলায় তারের আঘাত রয়েছে। তাঁদের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন খন্দকার জানান, চার তরুণ ট্রেনের ছাদে দাঁড়িয়ে ‘টিকটক ভিডিও’ তৈরি করছিলেন। এ সময় দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয় এবং দুজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে দাঁড়িয়ে ভিডিও বানানোর সময় পড়ে গিয়ে দুই তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন। বুধবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মোগড়া রেলওয়ে সেতু এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার আবদুল করিম মিয়ার ছেলে আবদুল কাইয়ুম মিয়া (২২) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার তারেক মিয়া (২০)। আহতরা হলেন ইকরাম হোসেন (১৮) ও বিল্লাল মিয়া (২৫)। তাঁদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।
রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি আখাউড়ার গঙ্গাসাগর রেলস্টেশন অতিক্রম করার পর মোগড়া রেলওয়ে সেতু এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় ট্রেনের ছাদে থাকা চার তরুণ ভিডিও ধারণ করছিলেন। একপর্যায়ে তারা রেললাইনের ওপর দিয়ে যাওয়া তারে জড়িয়ে ট্রেনের ছাদ থেকে নিচে পড়ে যান।
ঘটনাস্থলেই কাইয়ুম মিয়ার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারেক মিয়াও মারা যান।
আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. লুৎফুর রহমান জানান, আহতদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, আহত দুইজনের একজনের মাথার খুলিতে এবং আরেকজনের গলায় তারের আঘাত রয়েছে। তাঁদের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন খন্দকার জানান, চার তরুণ ট্রেনের ছাদে দাঁড়িয়ে ‘টিকটক ভিডিও’ তৈরি করছিলেন। এ সময় দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয় এবং দুজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।