আলাদা ঘটনায় নড়াইল জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে আলুর দরদামকে কেন্দ্র করে নড়াইল জেলা বাস-মিনিবাস ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে (৪৮) পিটিয়ে হত্যা করেছে কাঁচামাল দোকানি। ঈদের আগের দিন গত ৩০ মার্চ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে লোহাগড়া উপজেলা সদরের লক্ষ্মীপাশা চৌরাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কাঁচামাল দোকানি গোপিনাথপুর গ্রামের ইদ্রিস মিয়াকে (৬০) আটক করেছে পুলিশ। নিহত মামুন লোহাগড়ার মহিষাপাড়া গ্রামের ওলিয়ার রহমানের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, রোববার বিকেলে শ্রমিক নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন ইদ্রিস মিয়ার কাছে আলু কিনতে যান। একপর্যায়ে আলুর দাম নিয়ে বাকবিত-ার জের ধরে ইদ্রিস মিয়া শ্রমিক নেতা মামুনের মাথায় ডিশ দিয়ে আঘাত করে। স্থানীয় লোকজন মামুনকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
লোহাগড়া থানার ওসি আশিকুর রহমান জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইদ্রিস মিয়াকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, ঈদেও দিন বিকেলে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া পশ্চিমপাড়ায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আকবার শেখ (৬৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, লোহাগড়ার লাহুড়িয়া পশ্চিমপাড়ার মনিরুল জমাদ্দার ও মিল্টন জমাদ্দার গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ঈদেরদিন বিকেলে দুইপক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এ ঘটনায় মনিরুল পক্ষীয় আকবর শেখকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে প্রতিপক্ষের লোকজন। তাকে মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।
অপরদিকে, নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় পেড়লী ইউনিয়নের জামরিলডাঙ্গা গ্রামে দুইপক্ষের সংঘর্ষে তালেব শেখ (৬৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানায়, কালিয়ার জামরিলডাঙ্গা গ্রামের লস্কর ও শেখ বংশের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ঈদের আগের দিন সন্ধ্যায় দুইপক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কোপে শেখ বংশের তালেব শেখ নিহত হন।
কালিয়া থানার ওসি রাশিদুল ইসলাম জানান, নড়াইল জেলা হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
আলাদা ঘটনায় নড়াইল জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে আলুর দরদামকে কেন্দ্র করে নড়াইল জেলা বাস-মিনিবাস ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে (৪৮) পিটিয়ে হত্যা করেছে কাঁচামাল দোকানি। ঈদের আগের দিন গত ৩০ মার্চ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে লোহাগড়া উপজেলা সদরের লক্ষ্মীপাশা চৌরাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কাঁচামাল দোকানি গোপিনাথপুর গ্রামের ইদ্রিস মিয়াকে (৬০) আটক করেছে পুলিশ। নিহত মামুন লোহাগড়ার মহিষাপাড়া গ্রামের ওলিয়ার রহমানের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, রোববার বিকেলে শ্রমিক নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন ইদ্রিস মিয়ার কাছে আলু কিনতে যান। একপর্যায়ে আলুর দাম নিয়ে বাকবিত-ার জের ধরে ইদ্রিস মিয়া শ্রমিক নেতা মামুনের মাথায় ডিশ দিয়ে আঘাত করে। স্থানীয় লোকজন মামুনকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
লোহাগড়া থানার ওসি আশিকুর রহমান জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইদ্রিস মিয়াকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, ঈদেও দিন বিকেলে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া পশ্চিমপাড়ায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আকবার শেখ (৬৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, লোহাগড়ার লাহুড়িয়া পশ্চিমপাড়ার মনিরুল জমাদ্দার ও মিল্টন জমাদ্দার গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ঈদেরদিন বিকেলে দুইপক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এ ঘটনায় মনিরুল পক্ষীয় আকবর শেখকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে প্রতিপক্ষের লোকজন। তাকে মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।
অপরদিকে, নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় পেড়লী ইউনিয়নের জামরিলডাঙ্গা গ্রামে দুইপক্ষের সংঘর্ষে তালেব শেখ (৬৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানায়, কালিয়ার জামরিলডাঙ্গা গ্রামের লস্কর ও শেখ বংশের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ঈদের আগের দিন সন্ধ্যায় দুইপক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কোপে শেখ বংশের তালেব শেখ নিহত হন।
কালিয়া থানার ওসি রাশিদুল ইসলাম জানান, নড়াইল জেলা হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।