দশমিনা (পটুয়াখালী) : শাহ আলমের বাগানে বিভিন্ন দেশি ও বিদেশি জাতের আম চাষ করে বাজিমাত করেছেন -সংবাদ
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের সফল কৃষক শাহ আলম জোমাদ্দার বিভিন্ন দেশী ও বিদেশী জাতের আম চাষ করে বাজিমাত করেছেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় এবং এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের আওতায় তাকে বিভিন্ন জাতের আমের চারাসহ অন্যান্য উপকরন প্রদান করা হয়। বর্তমানে বাগানে আমের সমারোহ বিরাজ করছে। অল্প সময়ে এবং অল্প পরিশ্রমে অধিক লাভবান হওয়া যায় এমন একটি ফল আম। এই আম চাষ করে উপজেলার অনেক বেকার যুবক তাদের সংসারে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের দেখা পেয়েছেন। ফল হিসাবে চাহিদা প্রচুর থাকায় দিন দিন আমের চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আম চাষ করে শৌখিন চাষী শাহ আলম বাজিমাত করে সাড়া ফেলেছে। কৃষক শাহ আলমের বাগানে বিভিন্ন জাতের আম চাষ করেছেন। তার বাগানে আম্ররপালি,বারি-৪ এবং বিদেশী গাতের মধ্যে কিউজাই,ব্যানানা ম্যাগো ও ব্লাকস্টোন অন্যতম।
উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের দক্ষিন রণগোপালদী গ্রামের সফল চাষি শাহ আলম জোমাদ্দার জানান, ৫০ শতাংশ জমিতে ৫০টি চারা রোপন করেছি। বাগানে এখন আমের সমারোহ বিরাজ করছে। বাগানের চারদিকে তাকালে শুধু ফল আর ফল। এই বছর প্রায় ৫লক্ষ টাকার আম বিক্রি হবে বলে আশা করছি। তিনি বলেন, এটি এমন একটি ফল যা থেকে অল্প সময়ে অধিক লাভবান হওয়া যায়। তেমন একটা খরচ এবং পরিশ্রম ছাড়াই জমিতে জৈব সার দিলে এর ফলনে লাভ বেশি হয়। এবার তিনি ৫০ শতাংশ জমিতে আমের চাষ করেছেন।
এই বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ জানান, এই আম একটি বিষমুক্ত ফল। অত্র উপজেলায় দিন দিন আম চাষ বাড়ছে। উপকুলের মাটি আম চাষের জন্য উপযোগী। সকল চাষিদেরকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। অত্র উপজেলায় আম চাষে বিপ্লব ঘটবে বলে আশা করা যায়।
দশমিনা (পটুয়াখালী) : শাহ আলমের বাগানে বিভিন্ন দেশি ও বিদেশি জাতের আম চাষ করে বাজিমাত করেছেন -সংবাদ
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের সফল কৃষক শাহ আলম জোমাদ্দার বিভিন্ন দেশী ও বিদেশী জাতের আম চাষ করে বাজিমাত করেছেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় এবং এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের আওতায় তাকে বিভিন্ন জাতের আমের চারাসহ অন্যান্য উপকরন প্রদান করা হয়। বর্তমানে বাগানে আমের সমারোহ বিরাজ করছে। অল্প সময়ে এবং অল্প পরিশ্রমে অধিক লাভবান হওয়া যায় এমন একটি ফল আম। এই আম চাষ করে উপজেলার অনেক বেকার যুবক তাদের সংসারে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের দেখা পেয়েছেন। ফল হিসাবে চাহিদা প্রচুর থাকায় দিন দিন আমের চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আম চাষ করে শৌখিন চাষী শাহ আলম বাজিমাত করে সাড়া ফেলেছে। কৃষক শাহ আলমের বাগানে বিভিন্ন জাতের আম চাষ করেছেন। তার বাগানে আম্ররপালি,বারি-৪ এবং বিদেশী গাতের মধ্যে কিউজাই,ব্যানানা ম্যাগো ও ব্লাকস্টোন অন্যতম।
উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের দক্ষিন রণগোপালদী গ্রামের সফল চাষি শাহ আলম জোমাদ্দার জানান, ৫০ শতাংশ জমিতে ৫০টি চারা রোপন করেছি। বাগানে এখন আমের সমারোহ বিরাজ করছে। বাগানের চারদিকে তাকালে শুধু ফল আর ফল। এই বছর প্রায় ৫লক্ষ টাকার আম বিক্রি হবে বলে আশা করছি। তিনি বলেন, এটি এমন একটি ফল যা থেকে অল্প সময়ে অধিক লাভবান হওয়া যায়। তেমন একটা খরচ এবং পরিশ্রম ছাড়াই জমিতে জৈব সার দিলে এর ফলনে লাভ বেশি হয়। এবার তিনি ৫০ শতাংশ জমিতে আমের চাষ করেছেন।
এই বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ জানান, এই আম একটি বিষমুক্ত ফল। অত্র উপজেলায় দিন দিন আম চাষ বাড়ছে। উপকুলের মাটি আম চাষের জন্য উপযোগী। সকল চাষিদেরকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। অত্র উপজেলায় আম চাষে বিপ্লব ঘটবে বলে আশা করা যায়।