বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী) : চৌমুহনীতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ছেন -সংবাদ
নোয়াখালীর বাণিজ্যিক শহর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে যানজটে বর্তমানে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। এতে করে ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। চৌমুহনী বৃহত্তর নোয়াখালীর বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে শতাধিক বছর ধরে পরিচিত। এই শহর থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিদিন প্রায় এক হাজার কোটি টাকার পণ্য সরবরাহ হয়ে থাকে। কিন্তু দিন-রাত ঘন্টার পর ঘন্টা যাটজটে অর্থনৈতিক সহ নানা রকম ক্ষতিতে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ছে। শহরে রাস্তার দুই পাশে ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ড ভ্যান দাঁড়িয়ে থাকা এবং আনন্দ বাস, ঢাকা-চট্টগ্রাম গামী বাস ও সুগন্ধা বাসসহ যানবাহনে যত্রতত্র অপরিকল্পিত যাত্রী উঠা-নামা করে থাকে। এছাড়া আইনের তোয়াক্কা না করে দিনে লোড-আনলোড করার কারণে যানজট আরো প্রকট আকারে দেখা দেয়ায় স্থানীয় মানুষজন অসহায় হয়ে পড়েছেন।
চৌমুহনী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, অতিতের মত এ শহরে দিনের ৪টার পর থেকে লোড-আনলোড হয়ে থাকে। সিদ্ধান্ত ছাড়া শুধুমাত্র রাতে এ নিয়ম পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই। তবে এই বৃহত্তর বাণিজ্য কেন্দ্রে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে ভালো উদ্যোগ নিলে আমরা সহযোগীতা করবো। ভূক্তভোগী ব্যবসায়ীরা বলেন, চৌমুহনী শহরে ট্রাফিকের সল্পতা, ফুটপাত দখল, যত্রতত্র লোড-আনলোড এবং ভ্যান গাড়ী ও ট্রলি বসিয়ে রাস্তার উপর ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পাওয়ায় যানজট লেগেই থাকে। আগে যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ দুয়েকদিন পর পর সাদা হু-া বহর নিয়ে এবং হুইসেল বাজিয়ে চৌমুহনী শহরে মহড়া দিতো। বাকী কাজে চৌমুহনী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ভূমিকা রাখতো। এতে করে সড়কের ওপর থেকে দখলদার চক্র পালিয়ে যেতো। এখন এই কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তির শেষ নেই। ভোক্তভোগী মহল উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপে চৌমুহনীর যানজট নিরসনের জন্য দাবী করছেন।
চৌমুহনী শহরে জানজটের বিষয়ে জানতে চাইলে বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চৌমুহনী পৌর প্রশাসক মো. আরিফুর রহমান বলেন, চৌমুহনী শহরের যানজট নিরসনে অতিতে বহু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতে কোন ভালো ফল পাওয়া যায়নি। এখন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং স্থানীয় জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব করতে পৌর বাস টার্মিনাল, পূর্ব বাজার বাস ষ্ট্যান্ড, অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ এবং ট্রাফিকের দায়িত্বে গতি বাড়ানোর উৎসাহ দেয়ার মাধ্যমে, যানজট নিরসনে বর্তমানে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী) : চৌমুহনীতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ছেন -সংবাদ
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
নোয়াখালীর বাণিজ্যিক শহর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে যানজটে বর্তমানে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। এতে করে ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। চৌমুহনী বৃহত্তর নোয়াখালীর বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে শতাধিক বছর ধরে পরিচিত। এই শহর থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিদিন প্রায় এক হাজার কোটি টাকার পণ্য সরবরাহ হয়ে থাকে। কিন্তু দিন-রাত ঘন্টার পর ঘন্টা যাটজটে অর্থনৈতিক সহ নানা রকম ক্ষতিতে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ছে। শহরে রাস্তার দুই পাশে ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ড ভ্যান দাঁড়িয়ে থাকা এবং আনন্দ বাস, ঢাকা-চট্টগ্রাম গামী বাস ও সুগন্ধা বাসসহ যানবাহনে যত্রতত্র অপরিকল্পিত যাত্রী উঠা-নামা করে থাকে। এছাড়া আইনের তোয়াক্কা না করে দিনে লোড-আনলোড করার কারণে যানজট আরো প্রকট আকারে দেখা দেয়ায় স্থানীয় মানুষজন অসহায় হয়ে পড়েছেন।
চৌমুহনী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, অতিতের মত এ শহরে দিনের ৪টার পর থেকে লোড-আনলোড হয়ে থাকে। সিদ্ধান্ত ছাড়া শুধুমাত্র রাতে এ নিয়ম পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই। তবে এই বৃহত্তর বাণিজ্য কেন্দ্রে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে ভালো উদ্যোগ নিলে আমরা সহযোগীতা করবো। ভূক্তভোগী ব্যবসায়ীরা বলেন, চৌমুহনী শহরে ট্রাফিকের সল্পতা, ফুটপাত দখল, যত্রতত্র লোড-আনলোড এবং ভ্যান গাড়ী ও ট্রলি বসিয়ে রাস্তার উপর ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পাওয়ায় যানজট লেগেই থাকে। আগে যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ দুয়েকদিন পর পর সাদা হু-া বহর নিয়ে এবং হুইসেল বাজিয়ে চৌমুহনী শহরে মহড়া দিতো। বাকী কাজে চৌমুহনী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ভূমিকা রাখতো। এতে করে সড়কের ওপর থেকে দখলদার চক্র পালিয়ে যেতো। এখন এই কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তির শেষ নেই। ভোক্তভোগী মহল উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপে চৌমুহনীর যানজট নিরসনের জন্য দাবী করছেন।
চৌমুহনী শহরে জানজটের বিষয়ে জানতে চাইলে বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চৌমুহনী পৌর প্রশাসক মো. আরিফুর রহমান বলেন, চৌমুহনী শহরের যানজট নিরসনে অতিতে বহু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতে কোন ভালো ফল পাওয়া যায়নি। এখন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং স্থানীয় জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব করতে পৌর বাস টার্মিনাল, পূর্ব বাজার বাস ষ্ট্যান্ড, অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ এবং ট্রাফিকের দায়িত্বে গতি বাড়ানোর উৎসাহ দেয়ার মাধ্যমে, যানজট নিরসনে বর্তমানে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।