চট্টগ্রামে প্রাইভেট কার ধাওয়া করে গুলি চালিয়ে দুইজনকে হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার নগরীর চান্দগাঁও খাজা রোড ও ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. বেলাল (২৭) ও মো. মানিক (২৪)। পুলিশ জানায়, বেলাল সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন, আর মানিক মোটরসাইকেল সরবরাহ করেছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বেলাল ও মানিক কুখ্যাত সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের অনুসারী। সিসিটিভি ফুটেজ ও কল রেকর্ড পর্যালোচনার পর তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। পুলিশের তদন্তে জানা যায়, বেলাল ঘটনার সময় গুলি ছুড়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান এবং মানিক হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন।
গত ৩০ মার্চ ভোররাতে নগরীর চকবাজার চন্দনপুরা এলাকায় একটি প্রাইভেট কার ধাওয়া করে গুলি চালিয়ে বখতেয়ার হোসেন মানিক ও মো. আব্দুল্লাহ নামে দুইজনকে হত্যা করা হয়। আহত হন রবিন ও হৃদয় নামে আরও দুইজন।
হত্যাকাণ্ডের তিন দিন পর নিহত বখতেয়ার উদ্দিন মানিকের মা ফিরোজা বেগম সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় কারাবন্দি ছোট সাজ্জাদ, তার স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাসহ আরও পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়।
পুলিশ জানায়, সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলা ও ছোট সাজ্জাদের মধ্যে পুরনো বিরোধ থেকেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ছোট সাজ্জাদ গ্রেপ্তার হওয়ার পেছনে সরোয়ারের হাত থাকতে পারে, এমন সন্দেহ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার পর থেকে সরোয়ার ও ইমন নামে দুইজনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
চট্টগ্রামে প্রাইভেট কার ধাওয়া করে গুলি চালিয়ে দুইজনকে হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার নগরীর চান্দগাঁও খাজা রোড ও ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. বেলাল (২৭) ও মো. মানিক (২৪)। পুলিশ জানায়, বেলাল সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন, আর মানিক মোটরসাইকেল সরবরাহ করেছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বেলাল ও মানিক কুখ্যাত সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের অনুসারী। সিসিটিভি ফুটেজ ও কল রেকর্ড পর্যালোচনার পর তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। পুলিশের তদন্তে জানা যায়, বেলাল ঘটনার সময় গুলি ছুড়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান এবং মানিক হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন।
গত ৩০ মার্চ ভোররাতে নগরীর চকবাজার চন্দনপুরা এলাকায় একটি প্রাইভেট কার ধাওয়া করে গুলি চালিয়ে বখতেয়ার হোসেন মানিক ও মো. আব্দুল্লাহ নামে দুইজনকে হত্যা করা হয়। আহত হন রবিন ও হৃদয় নামে আরও দুইজন।
হত্যাকাণ্ডের তিন দিন পর নিহত বখতেয়ার উদ্দিন মানিকের মা ফিরোজা বেগম সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় কারাবন্দি ছোট সাজ্জাদ, তার স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাসহ আরও পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়।
পুলিশ জানায়, সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলা ও ছোট সাজ্জাদের মধ্যে পুরনো বিরোধ থেকেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ছোট সাজ্জাদ গ্রেপ্তার হওয়ার পেছনে সরোয়ারের হাত থাকতে পারে, এমন সন্দেহ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার পর থেকে সরোয়ার ও ইমন নামে দুইজনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।