ঝালকাঠিতে বাড়ছে সমবায় সমিতির নামে প্রতারণার অভিযোগ। জেলা সমবায় কার্যালয় থেকে নিবন্ধন নিয়ে সমিতির ব্যানারে পরিচালনা করছে ব্যাংকিং কার্যক্রম। ব্যাংকের চেয়েও অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করছে কোটি কোটি টাকার আমানত। ইতোমধ্যে কয়েক হাজার গ্রাহকের শেষ সঞ্চয়টুকু হাতিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে ১৫টি সমবায় সমিতির অসাধু কর্মকর্তারা। ফলে সর্বস্ব হারিয়ে এখন তারা দিশাহারা। এদিকে দায় এড়াতে এসব কার্যক্রমে তাদের পরামর্শ নেই বলে জানান জেলা সমবায় কর্মকর্তা।
জানা গেছে, ঝালকাঠি সদর উপজেলার ডুমুরিয়া বাজারের শিকড় সঞ্চয় ও ঋতদান সমবায় সমিতির কার্যক্রম বন্ধ করে পালিয়ে গেছে। তারা হাতিয়ে নিয়েছে স্থানীয় চার সহগ্রাধীক গ্রাহকের ২৫ কোটি টাকা। শুধু শিকড়ই নয় একই কাজারে রয়েছে সারথী, স্বদেশ এবং রূপসী বাংলা সঞ্চয় ও ঋতদান সমবায় সমিতি তারাও নিয়ে গেছে অর্ধশত কোটি টাকা। এমনিভবে পার্শ্ববর্তী ভিমরুলী বাজারে রয়েছে ৭টি, শতদশকাঠিতে ২টি এবং শহরের কলেজ মোড় ও পূর্ব চাঁদকাঠিতে ১টি করে যারা প্রত্যেকে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বর্তমানে এসব সমিতির অফিসে ঝুলছে তালা। এছাড়া জেলা ও উপজেলা সদরসহ জেলার প্রতিটা গ্রাম গঞ্জের হাট বাজারে রয়েছে মোট ৪৯১টি সমবায় প্রতিষ্ঠান।
এগুলোর মধ্যে কয়েকটি নিয়মের মধ্যে থাকলেও বেশির ভাগই মানছে না সমবায় আইন। তারা জেলা সমবায় কার্যালয় থেকে নিবন্ধন নিয়ে পরিচালনা করছে ব্যাংকিং কার্যক্রম। গ্রাহকদের অধিক মুনাফা দেয়ার লোভ দেখিয়ে নিচ্ছে ডিপিএস এবং স্থায়ী আমানতসহ দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক সঞ্চয়। গ্রামের সহজ সরল মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তাদের শেষ সঞ্চয়টুকু কেড়ে নিয়েছে। আমানতকারিদের কাছ থেকে নেয়া টাকা ফেরত নাদিয়ে একর পর এক সমবায় সমিতি এখন লাপাত্তা হয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ১৫টি সমবায় সমিতি উধাও হয়ে গেছে। সর্বস্ব হারিয়ে বর্তমানে দিশেহারা অবস্থার মধ্যে রয়েছেন এসব সমবায় সমিতির গ্রাহকরা।
উপজেলার ১৪টি সমবায় সমিতিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা এবং ঝিনাইদহ জেলা সমবায় কর্মকর্তা জানান, কিছু কিছু সমবায় সমিতি সমবায় আইনের কোন তোয়াক্কা না করেই বিনিয়োগ ব্যবসা করছে। তদন্ত করে তাদের সবার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
ঝালকাঠিতে বাড়ছে সমবায় সমিতির নামে প্রতারণার অভিযোগ। জেলা সমবায় কার্যালয় থেকে নিবন্ধন নিয়ে সমিতির ব্যানারে পরিচালনা করছে ব্যাংকিং কার্যক্রম। ব্যাংকের চেয়েও অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করছে কোটি কোটি টাকার আমানত। ইতোমধ্যে কয়েক হাজার গ্রাহকের শেষ সঞ্চয়টুকু হাতিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে ১৫টি সমবায় সমিতির অসাধু কর্মকর্তারা। ফলে সর্বস্ব হারিয়ে এখন তারা দিশাহারা। এদিকে দায় এড়াতে এসব কার্যক্রমে তাদের পরামর্শ নেই বলে জানান জেলা সমবায় কর্মকর্তা।
জানা গেছে, ঝালকাঠি সদর উপজেলার ডুমুরিয়া বাজারের শিকড় সঞ্চয় ও ঋতদান সমবায় সমিতির কার্যক্রম বন্ধ করে পালিয়ে গেছে। তারা হাতিয়ে নিয়েছে স্থানীয় চার সহগ্রাধীক গ্রাহকের ২৫ কোটি টাকা। শুধু শিকড়ই নয় একই কাজারে রয়েছে সারথী, স্বদেশ এবং রূপসী বাংলা সঞ্চয় ও ঋতদান সমবায় সমিতি তারাও নিয়ে গেছে অর্ধশত কোটি টাকা। এমনিভবে পার্শ্ববর্তী ভিমরুলী বাজারে রয়েছে ৭টি, শতদশকাঠিতে ২টি এবং শহরের কলেজ মোড় ও পূর্ব চাঁদকাঠিতে ১টি করে যারা প্রত্যেকে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বর্তমানে এসব সমিতির অফিসে ঝুলছে তালা। এছাড়া জেলা ও উপজেলা সদরসহ জেলার প্রতিটা গ্রাম গঞ্জের হাট বাজারে রয়েছে মোট ৪৯১টি সমবায় প্রতিষ্ঠান।
এগুলোর মধ্যে কয়েকটি নিয়মের মধ্যে থাকলেও বেশির ভাগই মানছে না সমবায় আইন। তারা জেলা সমবায় কার্যালয় থেকে নিবন্ধন নিয়ে পরিচালনা করছে ব্যাংকিং কার্যক্রম। গ্রাহকদের অধিক মুনাফা দেয়ার লোভ দেখিয়ে নিচ্ছে ডিপিএস এবং স্থায়ী আমানতসহ দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক সঞ্চয়। গ্রামের সহজ সরল মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তাদের শেষ সঞ্চয়টুকু কেড়ে নিয়েছে। আমানতকারিদের কাছ থেকে নেয়া টাকা ফেরত নাদিয়ে একর পর এক সমবায় সমিতি এখন লাপাত্তা হয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ১৫টি সমবায় সমিতি উধাও হয়ে গেছে। সর্বস্ব হারিয়ে বর্তমানে দিশেহারা অবস্থার মধ্যে রয়েছেন এসব সমবায় সমিতির গ্রাহকরা।
উপজেলার ১৪টি সমবায় সমিতিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা এবং ঝিনাইদহ জেলা সমবায় কর্মকর্তা জানান, কিছু কিছু সমবায় সমিতি সমবায় আইনের কোন তোয়াক্কা না করেই বিনিয়োগ ব্যবসা করছে। তদন্ত করে তাদের সবার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।