মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) : হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীরা -সংবাদ
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ হাসপাতালে ডায়েরিয়ার প্রাদুর্ভাবে দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। ঈদুল ফিতর থেকে গত ৫ দিনে শিশু, বৃদ্ধ রোগীরা আক্রন্ত হয়ে হসপাতারে ভিড় জমাচ্ছে। এ পর্যন্ত ৪৪ জন ডায়েরিয়া রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। কলেরা স্যালাইন সংকটে হাসপাতাল রোগীদের বাহির থেকে কলেরা স্যালাইন ও খাবার স্যালাইন কিনে আনতে হচ্ছে। বিশুদ্ধ খাবার পানিও নেই গোটা হাসপাতালে এ নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে ভর্তিকৃত রোগীরা।
সরেজমিনে শুক্রবার খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে তীব্র গরমে পরিষ্কার পরিচ্ছনতা ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ৫ দিনে ৪৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছে শুধু মাত্র ডায়েরিয়ায়। এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধ সংখ্যা বেশির ভাগই।
ডায়েরিয়া রোগে আক্রন্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বদনীভাংঙ্গা গ্রামের লাইজু আক্তার (২৫), পশ্চিম সরালিয়া গ্রামের বৃদ্ধ মোস্তফা শেখ (৭০), উত্তর সরালিয়া গ্রামের শিশু আলফি (১০), ভাইজোড়া গ্রামের বজলু খান (৫৫), চুমকী আক্তার (১৬), আব্দুল্লাহ (১৩ মাস) আব্দুল আলিম (৪) ফাতেমা (৩), কহিনুর বেগম (৫০), ছালমা আক্তার (২২) ছবুর হাওলাদার (৪৩), নুরুন্নাহার বেগম (৫৩), জাহানারা বেগম (৪০), সাদিয়া (১৯), কহিনুর খাতুন (৪৫) এর রকম ৪৪ জন ডায়েরিয়া রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদের মধ্যে আবার কিছু সংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।
কথা হয়েছে চিকিৎসারত মোস্তফা শেখ, বজলু খান, জাহানারা বেগমসহ একাধীক রোগীরা বলেন, হাসপাতালে খাবার পানি নেই, দুই একটি স্যালাইন দিলেও অধিকাংশ রোগীদের কলেরা স্যালাইন এমকি খাবার স্যালাইন পর্যন্ত টাকা দিয়ে তাদের বাহির থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। ডাক্তার লিখে দিয়েছেন বাহির থেকে কিনে আনতে হবে হাসপাতারে স্যালইন নেই। এ রকম অভিযোগ রয়েছে একাধিক রোগীদের।
এ বিষয় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিলকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, কলেরার স্যালাইন হাসপাতারে পর্যাপ্ত সরবারহ না থাকায় রোগীদের বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে। যে কারণে সাময়িক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রোগীদের। এক মাস পূর্বে স্যালাইনের চাহিদা দেয়া হয়েছে। খাবার পানির সংকটের বিষয়ে তাদের নতুন ভবনের কাজ হওয়ার কারণে তিনটি ফিল্টারের দুটিতেই বৃষ্টির পারি সংরক্ষণ করা যায়নি।
একটির পানি তাও শেষ হয়ে গেছে পুনরায় বৃষ্টি না হওয়া পর্যান্ত খাবার পানি সংকট কাটছে না।
মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) : হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীরা -সংবাদ
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ হাসপাতালে ডায়েরিয়ার প্রাদুর্ভাবে দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। ঈদুল ফিতর থেকে গত ৫ দিনে শিশু, বৃদ্ধ রোগীরা আক্রন্ত হয়ে হসপাতারে ভিড় জমাচ্ছে। এ পর্যন্ত ৪৪ জন ডায়েরিয়া রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। কলেরা স্যালাইন সংকটে হাসপাতাল রোগীদের বাহির থেকে কলেরা স্যালাইন ও খাবার স্যালাইন কিনে আনতে হচ্ছে। বিশুদ্ধ খাবার পানিও নেই গোটা হাসপাতালে এ নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে ভর্তিকৃত রোগীরা।
সরেজমিনে শুক্রবার খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে তীব্র গরমে পরিষ্কার পরিচ্ছনতা ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ৫ দিনে ৪৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছে শুধু মাত্র ডায়েরিয়ায়। এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধ সংখ্যা বেশির ভাগই।
ডায়েরিয়া রোগে আক্রন্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বদনীভাংঙ্গা গ্রামের লাইজু আক্তার (২৫), পশ্চিম সরালিয়া গ্রামের বৃদ্ধ মোস্তফা শেখ (৭০), উত্তর সরালিয়া গ্রামের শিশু আলফি (১০), ভাইজোড়া গ্রামের বজলু খান (৫৫), চুমকী আক্তার (১৬), আব্দুল্লাহ (১৩ মাস) আব্দুল আলিম (৪) ফাতেমা (৩), কহিনুর বেগম (৫০), ছালমা আক্তার (২২) ছবুর হাওলাদার (৪৩), নুরুন্নাহার বেগম (৫৩), জাহানারা বেগম (৪০), সাদিয়া (১৯), কহিনুর খাতুন (৪৫) এর রকম ৪৪ জন ডায়েরিয়া রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদের মধ্যে আবার কিছু সংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।
কথা হয়েছে চিকিৎসারত মোস্তফা শেখ, বজলু খান, জাহানারা বেগমসহ একাধীক রোগীরা বলেন, হাসপাতালে খাবার পানি নেই, দুই একটি স্যালাইন দিলেও অধিকাংশ রোগীদের কলেরা স্যালাইন এমকি খাবার স্যালাইন পর্যন্ত টাকা দিয়ে তাদের বাহির থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। ডাক্তার লিখে দিয়েছেন বাহির থেকে কিনে আনতে হবে হাসপাতারে স্যালইন নেই। এ রকম অভিযোগ রয়েছে একাধিক রোগীদের।
এ বিষয় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিলকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, কলেরার স্যালাইন হাসপাতারে পর্যাপ্ত সরবারহ না থাকায় রোগীদের বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে। যে কারণে সাময়িক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রোগীদের। এক মাস পূর্বে স্যালাইনের চাহিদা দেয়া হয়েছে। খাবার পানির সংকটের বিষয়ে তাদের নতুন ভবনের কাজ হওয়ার কারণে তিনটি ফিল্টারের দুটিতেই বৃষ্টির পারি সংরক্ষণ করা যায়নি।
একটির পানি তাও শেষ হয়ে গেছে পুনরায় বৃষ্টি না হওয়া পর্যান্ত খাবার পানি সংকট কাটছে না।