মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর, কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে ও শ্মশান কালীবাড়িতে পাঁচ দিনব্যাপী বাসন্তী পূজা শুরু হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলার শ্রীশ্রী শ্রীমঙ্গলেশ্বরী কালী বাড়ি, শ্রীমঙ্গল পৌর শ্মশান কালীবাড়িসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মন্দিরে পাঁচ দিনব্যাপী বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্রীশ্রী বাসন্তী দেবীর গজে গমন, ফল শস্যপূর্ণা বসুন্ধরা। মহাপুরুষরা বিপদকালে অশুভ শক্তি নাশের উদ্দেশ্যে আদ্যা শক্তির আরাধনা করেছেন। রামায়ণে রামচন্দ্র শরৎকালে অশুভ শক্তি নাশ করার জন্য দেবীর আরাধনা করেছিলেন।
পুরাণ অনুযায়ী, চন্দ্র বংশীয় রাজা সুরথ বসন্তকালে দেবীর আরাধনা করেন। কালের পার্থক্য হলেও আরাধনা করা হয় দেবী দুর্গারই। কালের প্রভেদের কারণে পূজা রীতির সামান্য পার্থক্য হলেও উভয় পূজার নিয়ম প্রায় একই। শরৎকালে হয় শারদীয়া দুর্গাপূজা আর বসন্তকালে দেবী দুর্গার পূজা হয় দেবী বাসন্তী রূপে। বসন্তকালের দুর্গাপূজা পরিচিত শ্রীশ্রী বাসন্তীপূজা নামে।
ষষ্ঠী ৩ এপ্রিল দেবী দুর্গার প্রতিমা স্থাপন, সপ্তমী ৪ এপ্রিল নবপত্রিকা স্নান ও পুজোর বাকি আচার পালন, অষ্টমী ৫ এপ্রিল অষ্টমীর পুজো ও সন্ধিপুজো, নবমী ৬ এপ্রিল নবমীর পুজো, বিধি পালন।
এ দিন রামনবমীও পালিত হয়, দশমী ৭ এপ্রিল দেবীর বিসর্জন ও উৎসবের সমাপ্তি।
চৈত্র মাসের এই পূজা দেবী দুর্গার আরাধনায় উৎসর্গ করা হয়, যা শারদীয় দুর্গোৎসবের মতোই অত্যন্ত শুভ ও পবিত্র। মহাষষ্ঠী তিথির মাধ্যমে বাসন্তী পূজার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়, যেখানে দেবীর নবপত্রিকা স্থাপন ও বোধন সম্পন্ন করা হয়।
পূজার আনুষ্ঠানিকতা ও ধর্মীয় আচার পুরোহিতদের দ্বারা দেবীর বোধন ও মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে দেবী দুর্গাকে আহ্বান জানানো হয়েছে। নবপত্রিকা (কলাবউ) স্নান করিয়ে দেবীর চরণে স্থাপন করা হয়, যা প্রকৃতির শক্তির প্রতীক। সন্ধ্যায় বিশেষ পূজা, চ-ীপাঠ এবং আরতির মাধ্যমে ভক্তরা দেবীর কৃপা লাভের আশায় প্রার্থনা করেন।
মহাষষ্ঠী তিথির মাধ্যমে শ্রীমঙ্গল পৌর শ্মশান কালীবাড়ি, শ্রীমঙ্গলেশ্বরী কালী বাড়িসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানের মন্দিরে বাসন্তী পূজা শুভ সূচনা পেল। ভক্তদের মনে নতুন আশা, শক্তি ও ভক্তির অনুভূতি দোলা দিচ্ছে। সবার প্রার্থনা দেবী দুর্গার কৃপায় যেন সবার জীবন শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণে পূর্ণ হয়ে ওঠে।
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর, কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে ও শ্মশান কালীবাড়িতে পাঁচ দিনব্যাপী বাসন্তী পূজা শুরু হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলার শ্রীশ্রী শ্রীমঙ্গলেশ্বরী কালী বাড়ি, শ্রীমঙ্গল পৌর শ্মশান কালীবাড়িসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মন্দিরে পাঁচ দিনব্যাপী বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্রীশ্রী বাসন্তী দেবীর গজে গমন, ফল শস্যপূর্ণা বসুন্ধরা। মহাপুরুষরা বিপদকালে অশুভ শক্তি নাশের উদ্দেশ্যে আদ্যা শক্তির আরাধনা করেছেন। রামায়ণে রামচন্দ্র শরৎকালে অশুভ শক্তি নাশ করার জন্য দেবীর আরাধনা করেছিলেন।
পুরাণ অনুযায়ী, চন্দ্র বংশীয় রাজা সুরথ বসন্তকালে দেবীর আরাধনা করেন। কালের পার্থক্য হলেও আরাধনা করা হয় দেবী দুর্গারই। কালের প্রভেদের কারণে পূজা রীতির সামান্য পার্থক্য হলেও উভয় পূজার নিয়ম প্রায় একই। শরৎকালে হয় শারদীয়া দুর্গাপূজা আর বসন্তকালে দেবী দুর্গার পূজা হয় দেবী বাসন্তী রূপে। বসন্তকালের দুর্গাপূজা পরিচিত শ্রীশ্রী বাসন্তীপূজা নামে।
ষষ্ঠী ৩ এপ্রিল দেবী দুর্গার প্রতিমা স্থাপন, সপ্তমী ৪ এপ্রিল নবপত্রিকা স্নান ও পুজোর বাকি আচার পালন, অষ্টমী ৫ এপ্রিল অষ্টমীর পুজো ও সন্ধিপুজো, নবমী ৬ এপ্রিল নবমীর পুজো, বিধি পালন।
এ দিন রামনবমীও পালিত হয়, দশমী ৭ এপ্রিল দেবীর বিসর্জন ও উৎসবের সমাপ্তি।
চৈত্র মাসের এই পূজা দেবী দুর্গার আরাধনায় উৎসর্গ করা হয়, যা শারদীয় দুর্গোৎসবের মতোই অত্যন্ত শুভ ও পবিত্র। মহাষষ্ঠী তিথির মাধ্যমে বাসন্তী পূজার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়, যেখানে দেবীর নবপত্রিকা স্থাপন ও বোধন সম্পন্ন করা হয়।
পূজার আনুষ্ঠানিকতা ও ধর্মীয় আচার পুরোহিতদের দ্বারা দেবীর বোধন ও মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে দেবী দুর্গাকে আহ্বান জানানো হয়েছে। নবপত্রিকা (কলাবউ) স্নান করিয়ে দেবীর চরণে স্থাপন করা হয়, যা প্রকৃতির শক্তির প্রতীক। সন্ধ্যায় বিশেষ পূজা, চ-ীপাঠ এবং আরতির মাধ্যমে ভক্তরা দেবীর কৃপা লাভের আশায় প্রার্থনা করেন।
মহাষষ্ঠী তিথির মাধ্যমে শ্রীমঙ্গল পৌর শ্মশান কালীবাড়ি, শ্রীমঙ্গলেশ্বরী কালী বাড়িসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানের মন্দিরে বাসন্তী পূজা শুভ সূচনা পেল। ভক্তদের মনে নতুন আশা, শক্তি ও ভক্তির অনুভূতি দোলা দিচ্ছে। সবার প্রার্থনা দেবী দুর্গার কৃপায় যেন সবার জীবন শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণে পূর্ণ হয়ে ওঠে।