ফরিদপুর : উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরাটিয়া গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাঙচুর -সংবাদ
স্থানীয়ভাবে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের সালথায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ২০ ব্যক্তি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ সময় উভয় গ্রুপের কয়েকটি বসতবাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরাটিয়া গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, গ্রামে প্রভাব নিয়ে কিছুদিন ধরে মুরাটিয়া গ্রামের মিন্টু মিয়ার সঙ্গে বেলায়েত মোল্যা বিরোধ চলে আসছিল। এটা নিয়ে তাদের সমর্থকদের মধ্যে দুপুরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই সূত্রধরে বিকালে উভয় গ্রুপের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র ঢাল-কাতরা, সড়কি-ভেলা, ইটপাটকেল ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের ২০ জন আহত হয়। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ সময় সংঘর্ষকারীরা উভয় গ্রুপের কয়েকটি বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
রাতে সালথা থানার ওসি মো. আতাউর রহমান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ফরিদপুর : উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরাটিয়া গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাঙচুর -সংবাদ
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
স্থানীয়ভাবে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের সালথায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ২০ ব্যক্তি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ সময় উভয় গ্রুপের কয়েকটি বসতবাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরাটিয়া গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, গ্রামে প্রভাব নিয়ে কিছুদিন ধরে মুরাটিয়া গ্রামের মিন্টু মিয়ার সঙ্গে বেলায়েত মোল্যা বিরোধ চলে আসছিল। এটা নিয়ে তাদের সমর্থকদের মধ্যে দুপুরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই সূত্রধরে বিকালে উভয় গ্রুপের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র ঢাল-কাতরা, সড়কি-ভেলা, ইটপাটকেল ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের ২০ জন আহত হয়। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ সময় সংঘর্ষকারীরা উভয় গ্রুপের কয়েকটি বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
রাতে সালথা থানার ওসি মো. আতাউর রহমান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।