জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে আট মাস ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেল কিশোর আশিকুর রহমান হৃদয়। শুক্রবার বিকালে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত্যুবরণ করে সে।
১৭ বছর বয়সী হৃদয় ছিলেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের পশ্চিম যৌতা গ্রামের রিকশাচালক আনসার হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার জানায়, ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন হৃদয়। গত বছরের ১৮ জুলাই যাত্রাবাড়ীতে ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় তার মাথায় গুলি লাগে। তখন সে আত্মগোপনে থেকে চিকিৎসা নেয়। পরে ৫ আগস্ট তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, যেখানে তার মাথা থেকে দুটি গুলি অপসারণ করা হয়। কিন্তু আরেকটি গুলি শরীরেই থেকে যায়, যা তার সুস্থতায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রউফ জানান, “হৃদয়কে দুপুর ১২টার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল মেডিকেলে রেফার করা হয়, কিন্তু পরিবার সময়মতো নিতে পারেনি। বিকালে হৃদয়ের মৃত্যু হয়।”
হৃদয়ের বাবা আনসার হাওলাদার বলেন, “রিকশা আর গরু বিক্রি করে যতটুকু সম্ভব করেছি। কিন্তু উন্নত চিকিৎসা দিতে পারিনি। যদি কেউ বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করত, হয়তো হৃদয় বেঁচে যেত।”
তার বড় ভাই মো. সোহাগ ইসলাম আনিস বলেন, “হৃদয় দীর্ঘদিন ব্যথায় কষ্ট পেত, জ্বর উঠত। কেউ সহযোগিতা করেনি। উন্নত চিকিৎসার অভাবে তাকে হারালাম।”
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে আট মাস ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেল কিশোর আশিকুর রহমান হৃদয়। শুক্রবার বিকালে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত্যুবরণ করে সে।
১৭ বছর বয়সী হৃদয় ছিলেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের পশ্চিম যৌতা গ্রামের রিকশাচালক আনসার হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার জানায়, ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন হৃদয়। গত বছরের ১৮ জুলাই যাত্রাবাড়ীতে ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় তার মাথায় গুলি লাগে। তখন সে আত্মগোপনে থেকে চিকিৎসা নেয়। পরে ৫ আগস্ট তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, যেখানে তার মাথা থেকে দুটি গুলি অপসারণ করা হয়। কিন্তু আরেকটি গুলি শরীরেই থেকে যায়, যা তার সুস্থতায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রউফ জানান, “হৃদয়কে দুপুর ১২টার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল মেডিকেলে রেফার করা হয়, কিন্তু পরিবার সময়মতো নিতে পারেনি। বিকালে হৃদয়ের মৃত্যু হয়।”
হৃদয়ের বাবা আনসার হাওলাদার বলেন, “রিকশা আর গরু বিক্রি করে যতটুকু সম্ভব করেছি। কিন্তু উন্নত চিকিৎসা দিতে পারিনি। যদি কেউ বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করত, হয়তো হৃদয় বেঁচে যেত।”
তার বড় ভাই মো. সোহাগ ইসলাম আনিস বলেন, “হৃদয় দীর্ঘদিন ব্যথায় কষ্ট পেত, জ্বর উঠত। কেউ সহযোগিতা করেনি। উন্নত চিকিৎসার অভাবে তাকে হারালাম।”