রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় এক মাছ ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে খুনের অভিযোগে আমিনুলকে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের ছয় সদস্যও আহত হয়েছেন।
শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার রণশিবাড়ি বাজারে এই ঘটনা ঘটে। রণশীবাড়ি বাগমারা উপজেলার শেষ সীমানা। এরপর নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলা শুরু। নিহত দুজনই আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা।
নিহতরা হলেন, নওগাঁর আত্রাই উপজেলার গোয়ালবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মাছ ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক (৩১) ও আমিনুল ইসলাম (৩৩)। তারা একই গ্রামে বাস করতেন। তবে আমিনুল ইসলাম নেশাগ্রস্ত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার বিকেলে আব্দুর রাজ্জাক রনশিবাড়ি বাজারের নজরুলের চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন। একই গ্রামের আমিনুল ইসলাম দোকানের ভেতরে ঢুকে আব্দুর রাজ্জাককে ছুরি দিয়ে খুঁচিয়ে আহত করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তার মৃত্যু নিশ্চিত করে দৌড় দেন।
স্থানীয় লোকজন বিষয়টি দেখে আমিনুলকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে তিনি রণশীবাড়ি গ্রামের আব্দুর রশিদের বাড়িতে আশ্রয় নেন। ক্ষুদ্ধ লোকজন বাড়িটি ঘিরে রাখেন। খবর পেয়ে বাগমারা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। তবে লোকজনের বাধায় ব্যর্থ হয়। লোকজন কয়েক দফা বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা চালান। তারা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তাদের হাতে তুলে দিয়ে পুলিশকে চলে যেতে বলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান, একপর্যায়ে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ক্ষুব্ধ লোকজন বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। বাধা দিলে উপপরিদর্শক সাদিকুল ইসলামসহ পুলিশের ছয় সদস্যকে লাঞ্ছিত ও মারধর করে ভেতরে যায় বিক্ষুব্ধরা। এরপর বাড়ি থেকে বাইরে নিয়ে এসে গণপিটুনি দিতে শুরু করে মারধরের এক পর্যায়ে ওই তরুনের মৃত্যু হয়।
বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম জানান, রণশিবাড়ি এলাকায় মাদকাসক্ত আমিনুল ইসলাম মাছ বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নিতে আব্দুর রাজ্জাককে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় বাজারের লোকজন আমিনুলকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে বাগমারা থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আমিনুলকে উদ্ধার করে। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পর প্রায় দেড় হাজার লোক এসে পুলিশকে মারধর করে, আমিনুলকে ছিনিয়ে নেয় এবং পিটিয়ে হত্যা করে।
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় এক মাছ ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে খুনের অভিযোগে আমিনুলকে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের ছয় সদস্যও আহত হয়েছেন।
শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার রণশিবাড়ি বাজারে এই ঘটনা ঘটে। রণশীবাড়ি বাগমারা উপজেলার শেষ সীমানা। এরপর নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলা শুরু। নিহত দুজনই আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা।
নিহতরা হলেন, নওগাঁর আত্রাই উপজেলার গোয়ালবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মাছ ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক (৩১) ও আমিনুল ইসলাম (৩৩)। তারা একই গ্রামে বাস করতেন। তবে আমিনুল ইসলাম নেশাগ্রস্ত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার বিকেলে আব্দুর রাজ্জাক রনশিবাড়ি বাজারের নজরুলের চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন। একই গ্রামের আমিনুল ইসলাম দোকানের ভেতরে ঢুকে আব্দুর রাজ্জাককে ছুরি দিয়ে খুঁচিয়ে আহত করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তার মৃত্যু নিশ্চিত করে দৌড় দেন।
স্থানীয় লোকজন বিষয়টি দেখে আমিনুলকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে তিনি রণশীবাড়ি গ্রামের আব্দুর রশিদের বাড়িতে আশ্রয় নেন। ক্ষুদ্ধ লোকজন বাড়িটি ঘিরে রাখেন। খবর পেয়ে বাগমারা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। তবে লোকজনের বাধায় ব্যর্থ হয়। লোকজন কয়েক দফা বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা চালান। তারা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তাদের হাতে তুলে দিয়ে পুলিশকে চলে যেতে বলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান, একপর্যায়ে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ক্ষুব্ধ লোকজন বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। বাধা দিলে উপপরিদর্শক সাদিকুল ইসলামসহ পুলিশের ছয় সদস্যকে লাঞ্ছিত ও মারধর করে ভেতরে যায় বিক্ষুব্ধরা। এরপর বাড়ি থেকে বাইরে নিয়ে এসে গণপিটুনি দিতে শুরু করে মারধরের এক পর্যায়ে ওই তরুনের মৃত্যু হয়।
বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম জানান, রণশিবাড়ি এলাকায় মাদকাসক্ত আমিনুল ইসলাম মাছ বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নিতে আব্দুর রাজ্জাককে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় বাজারের লোকজন আমিনুলকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে বাগমারা থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আমিনুলকে উদ্ধার করে। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পর প্রায় দেড় হাজার লোক এসে পুলিশকে মারধর করে, আমিনুলকে ছিনিয়ে নেয় এবং পিটিয়ে হত্যা করে।