গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) : উপজেলার রাখালবুরুজের বিশপুকুর বাঁধের নিচ থেকে তোলা হচ্ছে বালু -সংবাদ
গোবিন্দগঞ্জের উপজেলার রাখালবুরুজের বিশপুকুর বাধের নিচ থেকে তোলা হচ্ছে বালু হুমকিতে বাঁধ অনেক দিনের প্রতীক্ষা ও মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচির পরও রক্ষা পেল না রাখালবুরুজ ইউনিয়নের বিশপুকুরের বাঁধ। বালুখেকোদের অবৈধ কর্মকাণ্ডের কবলে পড়ে বাঁধটি এখন হুমকির মুখে। নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের জন্য ড্রেজার বসিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছেন মামুন নামে এক ব্যক্তি।
তিনি স্পষ্ট জানান, দলীয় মামলা অনেক খেয়েছি, অনেক দিন বসে ছিলাম, এবার সুযোগ পেয়েছি। তার এই বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে তিনি বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়রা জানান, বাঁধ রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে তারা বহুবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
বালু উত্তোলনের ফলে বাঁধটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং আশপাশের ফসলি জমি ও বসতি বাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। বিশপুকুর এলাকার এক প্রবীণ বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা বারবার প্রশাসনের কাছে গিয়েছি, অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি। এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে আমাদের বাড়িঘরও হারিয়ে যাবে।
এ বিষয়ে প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা মুখ খুলতে চাননি। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু আদৌ প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে সাধারণ মানুষের মনে।
এদিকে, পরিবেশবিদরা বলছেন, নদী থেকে এভাবে বালু উত্তোলন শুধু বাঁধের জন্য নয়, সামগ্রিকভাবে পরিবেশের জন্যও ভয়াবহ হুমকি।
তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি এখনই যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে বিশপুকুর বাঁধ যে কোনো মুহূর্তে ধসে যেতে পারে, যার পরিণতি হবে ভয়াবহ।
গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) : উপজেলার রাখালবুরুজের বিশপুকুর বাঁধের নিচ থেকে তোলা হচ্ছে বালু -সংবাদ
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
গোবিন্দগঞ্জের উপজেলার রাখালবুরুজের বিশপুকুর বাধের নিচ থেকে তোলা হচ্ছে বালু হুমকিতে বাঁধ অনেক দিনের প্রতীক্ষা ও মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচির পরও রক্ষা পেল না রাখালবুরুজ ইউনিয়নের বিশপুকুরের বাঁধ। বালুখেকোদের অবৈধ কর্মকাণ্ডের কবলে পড়ে বাঁধটি এখন হুমকির মুখে। নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের জন্য ড্রেজার বসিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছেন মামুন নামে এক ব্যক্তি।
তিনি স্পষ্ট জানান, দলীয় মামলা অনেক খেয়েছি, অনেক দিন বসে ছিলাম, এবার সুযোগ পেয়েছি। তার এই বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে তিনি বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়রা জানান, বাঁধ রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে তারা বহুবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
বালু উত্তোলনের ফলে বাঁধটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং আশপাশের ফসলি জমি ও বসতি বাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। বিশপুকুর এলাকার এক প্রবীণ বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা বারবার প্রশাসনের কাছে গিয়েছি, অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি। এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে আমাদের বাড়িঘরও হারিয়ে যাবে।
এ বিষয়ে প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা মুখ খুলতে চাননি। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু আদৌ প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে সাধারণ মানুষের মনে।
এদিকে, পরিবেশবিদরা বলছেন, নদী থেকে এভাবে বালু উত্তোলন শুধু বাঁধের জন্য নয়, সামগ্রিকভাবে পরিবেশের জন্যও ভয়াবহ হুমকি।
তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি এখনই যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে বিশপুকুর বাঁধ যে কোনো মুহূর্তে ধসে যেতে পারে, যার পরিণতি হবে ভয়াবহ।