ভোলার লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটি পেয়ে সবাই যখন ছুটি কাটাতে ব্যস্ত, তখনও প্রসূতি মায়েদের নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কর্তব্যরতরা।
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য মতে, ঈদ উল ফিতরের ৮ দিনের ছুটির মধ্যে গত ছয় দিনে ৩০টি সফল ডেলিভারি সম্পন্ন করা হয়েছে।
চাঁদ রাতে রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতানী গ্রাম থেকে স্বপ্না নামে এক প্রসূতি মাকে নিয়ে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আসেন তার স্বজনরা। ঈদের দিন ভোরে সন্তান প্রসব তিনি।
স্বপ্নার স্বজনরা জানান, ঈদ উপলক্ষে সরকারি-বেসরকরি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ডাক্তার নার্স পাবো না ভেবে খুবই চিন্তিত ছিলাম। তবে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র খোলা পেয়ে চিন্তা মুক্ত হয়েছি। একইদিন সাতানী গ্রাম থেকে আসেন সোমা (২০) নামে আরেক প্রসূতি মা।
ঈদের দিন সকাল সোয়া ৭টায় উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের রায়রাবাদ গ্রাম থেকে নাহিদা (২২) নামে প্রসূতি মাকে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নিয়ে আসেন তার স্বজনেরা। এদিন দুপুরে পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড ওয়েস্টার্ন পাড়া থেকে ঝর্ণা (৩০) নামে আরেক প্রসূতি মাকে নিয়ে আসেন তার স্বজনরা।
ঈদের দিনে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র খোলা ও সেবা পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন তারা।
লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) মিরা রানী দাস জানান, গত ২৯ মার্চ ৮টি, ৩০ মার্চ ৬টি, ৩১ মার্চ ৩টি, ১ এপ্রিল ৮টি, ২ এপ্রিল ১টি ও ৩ এপ্রিল ৪টি সফল ডেলিভারি সম্পন্ন করেছেন তারা।
ভোলা জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, তাদের (লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র) কাজ প্রশংসনীয়, তারা ভালো কাজ করে। জনবল সংকট নিয়ে তিনি বলেন, সারা ভোলাতেই এ সংকটটা বিদ্যমান। সারা বাংলাদেশে কর্মী হলেও ভোলাতেই কর্মী নিয়োগ হচ্ছে না।
এদিকে প্রতিষ্ঠানটিতে মেডিকেল অফিসার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নেই দীর্ঘদিন ধরে। এরমধ্যেও প্রসূতি মায়েদের সেবায় কর্তব্যরতদের নিরলস প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতনমহল। একইসঙ্গে লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে জনবল বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
ভোলার লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটি পেয়ে সবাই যখন ছুটি কাটাতে ব্যস্ত, তখনও প্রসূতি মায়েদের নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কর্তব্যরতরা।
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য মতে, ঈদ উল ফিতরের ৮ দিনের ছুটির মধ্যে গত ছয় দিনে ৩০টি সফল ডেলিভারি সম্পন্ন করা হয়েছে।
চাঁদ রাতে রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতানী গ্রাম থেকে স্বপ্না নামে এক প্রসূতি মাকে নিয়ে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আসেন তার স্বজনরা। ঈদের দিন ভোরে সন্তান প্রসব তিনি।
স্বপ্নার স্বজনরা জানান, ঈদ উপলক্ষে সরকারি-বেসরকরি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ডাক্তার নার্স পাবো না ভেবে খুবই চিন্তিত ছিলাম। তবে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র খোলা পেয়ে চিন্তা মুক্ত হয়েছি। একইদিন সাতানী গ্রাম থেকে আসেন সোমা (২০) নামে আরেক প্রসূতি মা।
ঈদের দিন সকাল সোয়া ৭টায় উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের রায়রাবাদ গ্রাম থেকে নাহিদা (২২) নামে প্রসূতি মাকে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নিয়ে আসেন তার স্বজনেরা। এদিন দুপুরে পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড ওয়েস্টার্ন পাড়া থেকে ঝর্ণা (৩০) নামে আরেক প্রসূতি মাকে নিয়ে আসেন তার স্বজনরা।
ঈদের দিনে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র খোলা ও সেবা পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন তারা।
লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) মিরা রানী দাস জানান, গত ২৯ মার্চ ৮টি, ৩০ মার্চ ৬টি, ৩১ মার্চ ৩টি, ১ এপ্রিল ৮টি, ২ এপ্রিল ১টি ও ৩ এপ্রিল ৪টি সফল ডেলিভারি সম্পন্ন করেছেন তারা।
ভোলা জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, তাদের (লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র) কাজ প্রশংসনীয়, তারা ভালো কাজ করে। জনবল সংকট নিয়ে তিনি বলেন, সারা ভোলাতেই এ সংকটটা বিদ্যমান। সারা বাংলাদেশে কর্মী হলেও ভোলাতেই কর্মী নিয়োগ হচ্ছে না।
এদিকে প্রতিষ্ঠানটিতে মেডিকেল অফিসার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নেই দীর্ঘদিন ধরে। এরমধ্যেও প্রসূতি মায়েদের সেবায় কর্তব্যরতদের নিরলস প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতনমহল। একইসঙ্গে লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে জনবল বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা।