দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় বিলুপ্তপ্রায় এক প্রজাতির তক্ষক উদ্ধার করেছে বন বিভাগ ও পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের একটি আদিবাসী পরিবারের বাড়ি থেকে খাঁচাবন্দি অবস্থায় প্রাণীটি উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এটি পোষা বা বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল।
উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাহারোল রেঞ্জের ফরেস্টার ও এসএফএনটিসি এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার ইসলাম। তিনি জানান, তক্ষকটি খুবই ছোট আকারের হলেও এটি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা প্রাণী। আমাদের ধারণা, এটি ব্যক্তিগত সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই খাঁচায় রাখা হয়েছিল, যা আইনত দণ্ডনীয়।
গত শুক্রবার সকালে বন বিভাগের সদস্যরা তক্ষকটিকে বীরগঞ্জ শহরের শালবনের সংরক্ষিত এলাকায় অবমুক্ত করেন। এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করেন বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আহমেদ।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক বলেন, তক্ষকটি ধরতে গেলে এটি বেশ আক্রমণাত্মক আচরণ করছিল। এটি ছোট হলেও অনেক শক্তিশালী প্রাণী মনে হলো। অনেকে বলে, আদিবাসীরা এসব তক্ষক খাওয়ার জন্য ধরে রাখে, যদিও এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে, তক্ষকটি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এটি কীভাবে ওই বাড়িতে এল, তা এখনও জানা যায়নি। বন বিভাগের পক্ষ থেকে এখনও কাউকে আটক করা হয়নি। তবে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, এ ধরনের ঘটনা রোধে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, যেকোনো বন্যপ্রাণী অবৈধভাবে রাখলে জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে। তাই তক্ষক বা অন্য কোনো বন্যপ্রাণী পোষা বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংগ্রহ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় বিলুপ্তপ্রায় এক প্রজাতির তক্ষক উদ্ধার করেছে বন বিভাগ ও পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের একটি আদিবাসী পরিবারের বাড়ি থেকে খাঁচাবন্দি অবস্থায় প্রাণীটি উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এটি পোষা বা বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল।
উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাহারোল রেঞ্জের ফরেস্টার ও এসএফএনটিসি এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার ইসলাম। তিনি জানান, তক্ষকটি খুবই ছোট আকারের হলেও এটি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা প্রাণী। আমাদের ধারণা, এটি ব্যক্তিগত সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই খাঁচায় রাখা হয়েছিল, যা আইনত দণ্ডনীয়।
গত শুক্রবার সকালে বন বিভাগের সদস্যরা তক্ষকটিকে বীরগঞ্জ শহরের শালবনের সংরক্ষিত এলাকায় অবমুক্ত করেন। এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করেন বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আহমেদ।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক বলেন, তক্ষকটি ধরতে গেলে এটি বেশ আক্রমণাত্মক আচরণ করছিল। এটি ছোট হলেও অনেক শক্তিশালী প্রাণী মনে হলো। অনেকে বলে, আদিবাসীরা এসব তক্ষক খাওয়ার জন্য ধরে রাখে, যদিও এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে, তক্ষকটি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এটি কীভাবে ওই বাড়িতে এল, তা এখনও জানা যায়নি। বন বিভাগের পক্ষ থেকে এখনও কাউকে আটক করা হয়নি। তবে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, এ ধরনের ঘটনা রোধে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, যেকোনো বন্যপ্রাণী অবৈধভাবে রাখলে জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে। তাই তক্ষক বা অন্য কোনো বন্যপ্রাণী পোষা বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংগ্রহ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।