alt

সারাদেশ

একহাজার টাকা পুঁজির কেঁচো সারের খামারে লাখপতি যুবক

প্রতিনিধি, লালমোহন (ভোলা) : শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২

ভোলার লালমোহনে কেঁচো সার উৎপাদন করে বেকারত্ব দূর করার পাশাপাশি নিজের ভাগ্য বদল করেছেন যুবক মঞ্জুর হোসেন। ১ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে তিনি এখন লাখোপতি। গড়ে তুলেছেন কেঁচো বা জৈব সারের একটি খামার।

জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের নমগ্রামের যুবক মঞ্জুর হোসেন নিজ খামারে কেঁচো সার তৈরি করেন। মাত্র ১ হাজার টাকা নিয়ে গড়ে তোলেন কেঁচো সারের খামার। প্রতি মাসে আয় করেন ৩০ হাজার টাকা। বর্তমানে তিনি ৫ লাখ টাকার মালিক। নিরাপদ ফসল উৎপাদনে এই সার দিনে দিনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দুই বছরে তিনি হয়ে উঠেছেন সফল খামারি।

এ বিষয়ে মঞ্জুর হোসেন বলেন, ‘বিষমুক্ত নিরাপদ ফসল উৎপাদনে কেঁচো সারের কোন বিকল্প নেই। দুই বছর আগে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কেঁচো সার উৎপাদনের প্রশিক্ষণ নিয়েছি। এরপর ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছি ভার্মি কম্পোস্ট খামার। অনলাইন ও অফলাইনের মাধ্যমে শুরু করি সার বিক্রি। রিং, কারেন্ট ও হাউস পদ্ধতিতে এই সার উৎপাদন করা হয়। কেঁচো, গোবর, কচুরিপানা, কলাগাছ, খড়কুটা, ও তরিতরকারি দিয়ে ২৫-৩০ দিনের মধ্যেই তৈরি করা হয় এই কেঁচো বা জৈব সার। এই সার দেশের বিভিন্ন জেলায় অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করছি।

এদিকে, যুবক মঞ্জুর দেখাদেখি এখন অনেকেই ঝুঁকে পড়ছেন কেঁচো সার তৈরিতে। লালমোহনে বেশির ভাগ কৃষক এখন অন্য সারের পরিবর্তে ব্যবহার করছেন কেঁচো সার। এতে ফসলের উৎপাদন ভালো হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা। বর্তমানে নমগ্রাম এলাকার ৫০ জন কৃষক-কৃষানি কেঁচো সার উৎপাদন করছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষানি ভুলু রানি বলেন, মঞ্জুকে দেখে আমিও কেঁচো সার তৈরি শুরু করেছি, বর্তমানে আমি আটটি রিং দিয়ে কেঁচো সার উৎপাদন করছি।’ আরেক কৃষক মো. হানিফ বলেন, এ বছর কেঁচো সার দিয়ে বাদাম, ধান ও মরিচের আবাদ করেছি। এতে ফলন অনেক ভালো হয়েছে।’

এ ব্যাপারে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. এমাজ উদ্দিন জানান, ফসল উৎপাদনের জন্য অনেক ভালো কেঁচো সার। মঞ্জুর হোসেন কৃষি অফিসের সহযোগিতা নিয়ে সফল হয়েছেন। এই সার ব্যবহারে খরচও অনেক কম। এ সার ব্যবহারে একদিকে যেমন ফসলের উৎপাদন ভালো হয়, অন্যদিকে রাসায়নিক সারের জন্য কৃষকদের বাড়তি অর্থ গুনতে হয় না।

ছবি

মাদক বহনকারী পিকআপের ধাক্কায় উল্টে গেল র‌্যাবের গাড়ি, নিহত ৩

ছবি

শরীয়তপুরের ডমুড্যা দেশের দ্বিতীয় ডিজিটাল ভিলেজ হচ্ছে

৩০ দিনের মধ্যে খাল দখলদারদের তালিকার নির্দেশ

১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের খুন বৃদ্ধা

১২ লাখের সড়কে নামমাত্র কাজ

ছবি

ঘোড়াঘাটে আমন ধানের বাম্পার ফলন ও দাম পেয়ে কৃষকরা খুশি

ছবি

৫১ বছরেও বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বঞ্চিত মানদা

দুই জেলায় ইয়াবা গ্রেপ্তার তিনজন

ছবি

সাভারে কোটি টাকার হেরোইনসহ মাদক কারবারি আটক

মজুরি ১শ’ টাকার পরিবর্তে ৩শ’ দাবি পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের

ছবি

পাখির কিচিরমিচিরে মুখর ডাকবাংলো

পীরগাছা মহিলা কলেজে অবৈধভাবে অধ্যক্ষ নিয়োগের পাঁয়তারা

ছবি

আশ্রয়ণের ১৪ ঘরের ৭টিই বিক্রি প্রশ্নের মুখে তালিকা প্রণয়ন

আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫

দোকান বরাদ্দের ইজারা বাতিল দাবিতে সবজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট

ছবি

৪৫০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, ১১ জনের রিমান্ড আবেদন

ছবি

হাতির আক্রমণে প্রাণ গেল কৃষকের

ছবি

নারায়ণগঞ্জে নেতাকে না পেয়ে ছেলেকে নিয়ে গেছে পুলিশ

ছবি

নিজের গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন, তরুণের মৃত্যু

ছবি

মিরসরাইয়ে ছাত্রদল নেতাকে ‘পিটিয়ে’ পুলিশে দিল ছাত্রলীগ

রংপুরে চালকল মালিকদের খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করতে অনীহা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ডাবল মাডার : ৪ বছর পর রহস্য উদ্ঘাটন

ছবি

খাগড়াছড়িতে পরিবহন ধর্মঘট

ছবি

রামুতে পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৪ জন নিহত

গাজীপুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫ ইটভাটা, ২৪ লাখ টাকা জরিমানা

ছবি

নানিয়ারচরে ইউপিডিএফ সংগঠককে গুলি করে হত্যা!

ছবি

অনুমোদন ছাড়াই চলছে ইটভাটা

ছবি

বিরামপুরে বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, নারীসহ দুজনের মৃত্যু

ছবি

মেসিভক্তের বিয়ের ‘আর্জেন্টিনা গেট’, নির্মাণকারী ব্রাজিল সমর্থক

ছবি

কালীগঞ্জ : মা ও শিশু হাসপাতালে নার্স দিয়েই চলছে চিকিৎসাসেবা

ছবি

বাবা-মার সঙ্গে ঝগড়া করে ঘর পুড়িয়ে দিল ছেলে

ছবি

প্রেমিকার বাবা–ভাইয়ের পিটুনিতে তরুণের মৃত্যু

ফরিদপুরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্স দেখে চিকিৎসককে সেবা প্রদানের নির্দেশ

তিতাসে পুলিশের সামনে থেকে তুলে নিয়ে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ছবি

  কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী সড়ক বিভাগের ৩টি সড়ক উদ্বোধন করবেন 

tab

সারাদেশ

একহাজার টাকা পুঁজির কেঁচো সারের খামারে লাখপতি যুবক

প্রতিনিধি, লালমোহন (ভোলা)

শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২

ভোলার লালমোহনে কেঁচো সার উৎপাদন করে বেকারত্ব দূর করার পাশাপাশি নিজের ভাগ্য বদল করেছেন যুবক মঞ্জুর হোসেন। ১ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে তিনি এখন লাখোপতি। গড়ে তুলেছেন কেঁচো বা জৈব সারের একটি খামার।

জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের নমগ্রামের যুবক মঞ্জুর হোসেন নিজ খামারে কেঁচো সার তৈরি করেন। মাত্র ১ হাজার টাকা নিয়ে গড়ে তোলেন কেঁচো সারের খামার। প্রতি মাসে আয় করেন ৩০ হাজার টাকা। বর্তমানে তিনি ৫ লাখ টাকার মালিক। নিরাপদ ফসল উৎপাদনে এই সার দিনে দিনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দুই বছরে তিনি হয়ে উঠেছেন সফল খামারি।

এ বিষয়ে মঞ্জুর হোসেন বলেন, ‘বিষমুক্ত নিরাপদ ফসল উৎপাদনে কেঁচো সারের কোন বিকল্প নেই। দুই বছর আগে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কেঁচো সার উৎপাদনের প্রশিক্ষণ নিয়েছি। এরপর ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছি ভার্মি কম্পোস্ট খামার। অনলাইন ও অফলাইনের মাধ্যমে শুরু করি সার বিক্রি। রিং, কারেন্ট ও হাউস পদ্ধতিতে এই সার উৎপাদন করা হয়। কেঁচো, গোবর, কচুরিপানা, কলাগাছ, খড়কুটা, ও তরিতরকারি দিয়ে ২৫-৩০ দিনের মধ্যেই তৈরি করা হয় এই কেঁচো বা জৈব সার। এই সার দেশের বিভিন্ন জেলায় অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করছি।

এদিকে, যুবক মঞ্জুর দেখাদেখি এখন অনেকেই ঝুঁকে পড়ছেন কেঁচো সার তৈরিতে। লালমোহনে বেশির ভাগ কৃষক এখন অন্য সারের পরিবর্তে ব্যবহার করছেন কেঁচো সার। এতে ফসলের উৎপাদন ভালো হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা। বর্তমানে নমগ্রাম এলাকার ৫০ জন কৃষক-কৃষানি কেঁচো সার উৎপাদন করছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষানি ভুলু রানি বলেন, মঞ্জুকে দেখে আমিও কেঁচো সার তৈরি শুরু করেছি, বর্তমানে আমি আটটি রিং দিয়ে কেঁচো সার উৎপাদন করছি।’ আরেক কৃষক মো. হানিফ বলেন, এ বছর কেঁচো সার দিয়ে বাদাম, ধান ও মরিচের আবাদ করেছি। এতে ফলন অনেক ভালো হয়েছে।’

এ ব্যাপারে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. এমাজ উদ্দিন জানান, ফসল উৎপাদনের জন্য অনেক ভালো কেঁচো সার। মঞ্জুর হোসেন কৃষি অফিসের সহযোগিতা নিয়ে সফল হয়েছেন। এই সার ব্যবহারে খরচও অনেক কম। এ সার ব্যবহারে একদিকে যেমন ফসলের উৎপাদন ভালো হয়, অন্যদিকে রাসায়নিক সারের জন্য কৃষকদের বাড়তি অর্থ গুনতে হয় না।

back to top