কিশোরগঞ্জ : ধূমপান বিরোধী কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন অতিথিরা -সংবাদ
কিশোরগঞ্জে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে তামাকের অপব্যবহার রোধে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বলা হয়েছে, বিশ্বে ১১০ কোটি মানুষ ধূমপায়ী। তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণের ফলে নানা রোগে বিশ্বে প্রতি ৩ সেকেন্ডে একজনের মৃত্যু হচ্ছে। আর বাংলাদেশে বছরে তামাকজনিত রোগে মারা যাচ্ছে ১ লাখ ২৬ হাজার মানুষ। তামাকের ধোঁয়ার মধ্যে ৭ হাজারের বেশি রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। এর মধ্যে কমপক্ষে ৬৯টি রাসায়নিক পদার্থ ক্যান্সারের জন্ম দিতে পারে। রোববার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. এসএম তারেক আনামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. চৌধুরী শাহরিয়ার, সিনিয়র স্বাস্থ্য প্রশিক্ষক মো. ওবায়দুল হক ছাড়াও জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোস্তফা কামাল, জেলা ব্র্যাক সমন্বয়ক মো. শফিকুল ইসলাম, জেলা পপি সমন্বয়ক মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, সাংবাদিক আলম সারোয়ার টিটু, পৌরসভার কাউন্সিলর শাওন আক্তার ও হাসিনা দায়দার চামেলি, আবুল কাশেম মাস্টার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় আরও বলা হয়, ধূমপান ছাড়াও জর্দাসহ ধোঁয়াবিহীন তামাকদ্রব্যও অনেকে গ্রহণ করে থাকেন। এর ফলে ক্ষতি আরও বেশি হচ্ছে। দেশে প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর ১৮ ভাগ ধূমপায়ী। আবার জর্দাসহ ধোঁয়াবিহীন তামাকদ্রব্য ব্যবহার করেন ২০ দশমিক ৬ ভাগ মানুষ। এদের মধ্যে পুরুষ ১৬ দশমিক ২ ভাগ, আর নারী ২৪ দশমিক ৮ ভাগ। অর্থাৎ, জর্দাসহ ধোঁয়াবিহীন তামাকদ্রব্য নারীরা বেশি গ্রহণ করেন। ধোঁয়াবিহীন তামাক দ্রব্যে ২৮টি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। আলোচকগণ এই ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিদ্যমান আইন প্রয়োগসহ ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কিশোরগঞ্জ : ধূমপান বিরোধী কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন অতিথিরা -সংবাদ
সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২
কিশোরগঞ্জে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে তামাকের অপব্যবহার রোধে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বলা হয়েছে, বিশ্বে ১১০ কোটি মানুষ ধূমপায়ী। তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণের ফলে নানা রোগে বিশ্বে প্রতি ৩ সেকেন্ডে একজনের মৃত্যু হচ্ছে। আর বাংলাদেশে বছরে তামাকজনিত রোগে মারা যাচ্ছে ১ লাখ ২৬ হাজার মানুষ। তামাকের ধোঁয়ার মধ্যে ৭ হাজারের বেশি রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। এর মধ্যে কমপক্ষে ৬৯টি রাসায়নিক পদার্থ ক্যান্সারের জন্ম দিতে পারে। রোববার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. এসএম তারেক আনামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. চৌধুরী শাহরিয়ার, সিনিয়র স্বাস্থ্য প্রশিক্ষক মো. ওবায়দুল হক ছাড়াও জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোস্তফা কামাল, জেলা ব্র্যাক সমন্বয়ক মো. শফিকুল ইসলাম, জেলা পপি সমন্বয়ক মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, সাংবাদিক আলম সারোয়ার টিটু, পৌরসভার কাউন্সিলর শাওন আক্তার ও হাসিনা দায়দার চামেলি, আবুল কাশেম মাস্টার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় আরও বলা হয়, ধূমপান ছাড়াও জর্দাসহ ধোঁয়াবিহীন তামাকদ্রব্যও অনেকে গ্রহণ করে থাকেন। এর ফলে ক্ষতি আরও বেশি হচ্ছে। দেশে প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর ১৮ ভাগ ধূমপায়ী। আবার জর্দাসহ ধোঁয়াবিহীন তামাকদ্রব্য ব্যবহার করেন ২০ দশমিক ৬ ভাগ মানুষ। এদের মধ্যে পুরুষ ১৬ দশমিক ২ ভাগ, আর নারী ২৪ দশমিক ৮ ভাগ। অর্থাৎ, জর্দাসহ ধোঁয়াবিহীন তামাকদ্রব্য নারীরা বেশি গ্রহণ করেন। ধোঁয়াবিহীন তামাক দ্রব্যে ২৮টি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। আলোচকগণ এই ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিদ্যমান আইন প্রয়োগসহ ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।