সোনার দাম ক্রমাগত বাড়ছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে গত ৩ মাসে সোনার দাম বেড়েছে ১৪ বার। এভাবে বৃদ্ধির ফলে গহনার বাজারে প্রভাব পড়ছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি প্রতি মূল্য দেড় লাখ টাকারও বেশি, যেখানে এক বছর আগে এ দাম ছিল ১ লাখ ১১ হাজার টাকা। অর্থাৎ, এক বছরে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম বেড়েছে প্রায় ৪৭ হাজার টাকা।
নানা কারণেই সোনার দাম বাড়ছে। তার মধ্যে আছে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, বিভিন্ন দেশের পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির চাপ ও তার জেরে শুল্ক যুদ্ধের আশঙ্কা। ফলে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
নিরাপদ বিনিয়োগের ক্ষেত্র হিসেবে অনেকে সোনার দিকে ঝুঁকছেন। শেয়ারবাজার থেকে পুঁজি প্রত্যাহার করেও অনেকে সোনা কিনছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি ও বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রয় বৃদ্ধির কারণেও সোনার দাম বাড়ছে। ২০২৪ সালে টানা তৃতীয় বছরের মতো বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এক হাজার টনের বেশি সোনা কিনেছে, যা দামের ঊর্ধ্বগতির অন্যতম কারণ।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশে সোনার দাম নির্ধারণ করে এবং নিয়মিত মূল্য হালনাগাদ করে। চলতি বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে বাজুস মোট ১৭ বার সোনার দামে পরিবর্তন এনেছে, যার মধ্যে ১৪ বার দাম বেড়েছে এবং ৩ বার কমেছে। ১৫ জানুয়ারি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। সর্বশেষ ২৮ মার্চ এটি বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা, যা এ পর্যন্ত দেশের বাজারে সর্বোচ্চ রেকর্ড।
বাংলাদেশে সোনার খনি নেই, সোনা উৎপাদিতও হয় না। দেশের বাজারে যে সোনা পাওয়া যায়, তার সবই আমদানি করা। ফলে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়লে দেশেও বাড়ে।
সর্বশেষ গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৩ হাজার ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। প্রতি সপ্তাহেই সোনার দাম নতুন রেকর্ড গড়ছে। মূলত এ কারণেই বাংলাদেশ, ভারতসহ সব দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ছে। বর্তমানে ২১ ক্যারেট মানের সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের সোনা ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৭ টাকায় ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৯ টাকা।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
সোনার দাম ক্রমাগত বাড়ছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে গত ৩ মাসে সোনার দাম বেড়েছে ১৪ বার। এভাবে বৃদ্ধির ফলে গহনার বাজারে প্রভাব পড়ছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি প্রতি মূল্য দেড় লাখ টাকারও বেশি, যেখানে এক বছর আগে এ দাম ছিল ১ লাখ ১১ হাজার টাকা। অর্থাৎ, এক বছরে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম বেড়েছে প্রায় ৪৭ হাজার টাকা।
নানা কারণেই সোনার দাম বাড়ছে। তার মধ্যে আছে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, বিভিন্ন দেশের পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির চাপ ও তার জেরে শুল্ক যুদ্ধের আশঙ্কা। ফলে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
নিরাপদ বিনিয়োগের ক্ষেত্র হিসেবে অনেকে সোনার দিকে ঝুঁকছেন। শেয়ারবাজার থেকে পুঁজি প্রত্যাহার করেও অনেকে সোনা কিনছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি ও বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রয় বৃদ্ধির কারণেও সোনার দাম বাড়ছে। ২০২৪ সালে টানা তৃতীয় বছরের মতো বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এক হাজার টনের বেশি সোনা কিনেছে, যা দামের ঊর্ধ্বগতির অন্যতম কারণ।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশে সোনার দাম নির্ধারণ করে এবং নিয়মিত মূল্য হালনাগাদ করে। চলতি বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে বাজুস মোট ১৭ বার সোনার দামে পরিবর্তন এনেছে, যার মধ্যে ১৪ বার দাম বেড়েছে এবং ৩ বার কমেছে। ১৫ জানুয়ারি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। সর্বশেষ ২৮ মার্চ এটি বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা, যা এ পর্যন্ত দেশের বাজারে সর্বোচ্চ রেকর্ড।
বাংলাদেশে সোনার খনি নেই, সোনা উৎপাদিতও হয় না। দেশের বাজারে যে সোনা পাওয়া যায়, তার সবই আমদানি করা। ফলে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়লে দেশেও বাড়ে।
সর্বশেষ গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৩ হাজার ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। প্রতি সপ্তাহেই সোনার দাম নতুন রেকর্ড গড়ছে। মূলত এ কারণেই বাংলাদেশ, ভারতসহ সব দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ছে। বর্তমানে ২১ ক্যারেট মানের সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের সোনা ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৭ টাকায় ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৯ টাকা।