স্থানীয়ভাবে রিসাইকেল ফাইবার (পুন:ব্যবহারযোগ্য সুতা) উৎপাদনে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট অব্যাহতি চেয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। পাশাপাশি সংগঠনটি রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য করপোরেট কর হার ১২ শতাংশ, লিড কারখানার জন্য ১০ শতাংশ হারে রাখার প্রস্তাব দিয়েছে। আর বাজেট প্রস্তাবে এনবিআরকে বিনিয়োগ বান্ধব করনীতি প্রণয়ন করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।
আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট সামনে রেখে মঙ্গলবার (১৫এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের রাজস্ব বোর্ড ভবনে অনুষ্ঠিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিকেএমইএ এর অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে-রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানার জন্য প্রয়োজন পণ্য ও সেবায় ভ্যাট অব্যাহতি ও বিভিন্ন অগ্নিনিরাপত্তা সরঞ্জামাদি পুন:স্থাপনের ক্ষেত্রে আমদানির ওপর কর রেয়াত করা ইত্যাদি। বিজিএমইএ বলছে, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য কর্পোরেট কর হার ১২ শতাংশ এবং এলইইডি সার্টিফিকেট কারখানার জন্য ১০ শতাংশ নির্ধারিত আছে, যা আগামী ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তৈরি পোশাক শিল্পে কর্পোরেট ট্যাক্স হার পরিবর্তন করা হলে স্থানীয় ও বিদেশি উদ্যোক্তাদের আস্থার ঘাটতি দেখা দেবে।
অর্থ-বাণিজ্য: ট্রাম্পের আদেশে নেয়া পাল্টা শুল্ক ফেরত দিতে হবে