alt

অর্থ-বাণিজ্য

দোকান মালিক সমিতির অভিযোগ

ইএফডির জন্য বৈষম্যের স্বীকার ব্যবসায়ীরা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক : মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১
image

দুই বছরে মাত্র তিন হাজার দোকানে ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) বসানোয় ব্যবসায়ীরা বৈষম্য ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। এ সমস্যা সমাধানে যেকোন একটি ব্যবসায়িক খাতে ইএফডি যন্ত্র বসানোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২২ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি এবং জাতীয় দোকান ভিত্তিক সংগঠনের উদ্যোগে খুচরা পর্যায়ের ৫ শতাংশ ভ্যাট উৎসে আদায়ের দাবিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

দোকান মালিক সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘এই নতুন ভ্যাট আইনে বলা ছিল- দোকান এবং প্রতিষ্ঠান রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজস্ব বোর্ড ইলেকট্রনিক ফিসকাল ডিভাইস (ইএফডি) মেশিন স্থাপন করবে। দুই বছরে তারা দেশে মাত্র তিন হাজার ইএফডি মেশিন স্থাপন করতে পেরেছে। এর ফলে যেসব দোকানে ইএফডি মেশিন আছে সেসব দোকানে ক্রেতা কমে গেছে।

দুই বছরে ৮০-৯০ শতাংশ দোকানে ইএফডি স্থাপন করে একযোগে ভ্যাট নেয়ার দরকার ছিল। রাজস্ব বোর্ড দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেনি। তারা খেয়াল-খুশি মতো অপরিকল্পিতভাবে ইএফডি স্থাপন না করে তিন হাজার যন্ত্রকে যেকোন একটা খাতে ব্যবহার করা যেতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ- সারাদেশের স্বর্ণের দোকান, টাইলসের দোকান বা হোটেল-রেস্তোরাঁ এমন একটি খাত নির্বাচন করবে রাজস্ব বোর্ড, যেখানকার সব দোকান ইএফডির আওতায় নিয়ে আসবে। যতদিন পর্যন্ত ৮০-৯০ ভাগ দোকান ইএফডির আওতায় না আসবে ততদিন পর্যন্ত অন্য খাতে খুচরা পর্যায়ের ৫ শতাংশ ভ্যাট উৎসে করের ৩০ শতাংশের সঙ্গে যুক্ত করে ৩৫ শতাংশ কর আদায়ের প্রস্তাব করেছে ব্যবসায়ীরা।’

হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘৫ শতাংশ হারে যেটা ভোক্তার কাছ থেকে নেয়ার কথা সেটা উৎসে কর হিসেবে নিয়ে যাক। আমরা দেখছি, খুচরা পর্যায়ে তারা ৫০-৬০ কোটি টাকার বেশি ভ্যাট আদায় করতে পারেনি। উৎস কর হিসেবে তারা ৩০ শতাংশ নিচ্ছে সঙ্গে আরও ৫ শতাংশ নিলে তারা আরও বেশি ভ্যাট আদায় করতে পারবে।’

এ সময় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, রাজস্ব বোর্ডের সাড়াশি অভিযানে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা দিশেহারা। ভ্যাট গোয়েন্দারা অতর্কিতভাবে বিভিন্ন মার্কেট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশির নামে দোকানে রক্ষিত কাগজপত্র জব্দ করে নিয়ে যায়। অনেক সময় উক্ত প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত ব্যক্তিকেও তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে সারাদেশে ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম আতঙ্কের মধ্যে আছে। এতে ব্যবসাবান্ধব সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

এতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার রুহুল আমিন, মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা প্রমুখ।

ছবি

কানাডা ভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান টিকেসি টেলিকম এবং বিটিআরসি’র মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

ছবি

মাইডাস ফাইন্যান্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা

ছবি

৬ হাজার ৫’শ পয়েন্ট ছাড়িয়ে সূচক, নতুন উচ্চতায় পুঁজিবাজার

ছবি

ডিবিএইচ এর নিট মুনাফা বেড়েছে ৮১%

ছবি

বজারে বিভিন্ন ফিচারের স্যামসাং মাইক্রোওয়েভ ওভেন

ছবি

কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায়, ৭৫ভাগ শ্রমিক কাজে ফিরেছে, স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছেনা

সূচকের উত্থানে লেনদেন চলছে পুঁজিবাজারে

ছবি

বৈশ্বিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান অ্যাওয়ারনেস ৩৬০ এর উপদেষ্টা তিন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব

ছবি

আজ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার বন্ধ, খুলছে গার্মেন্টস

ছবি

ঢাকা চেম্বার এর আয়োজনে ‘টেকসই নদী খনন: চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকার’ শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

ছবি

লকডাউন বাড়ানোর সুপারিশের পর গার্মেন্টস খোলার সিদ্ধান্ত

ছবি

অপরিবর্তিত সবজির বাজার, মাছে দাম চড়া

ডিএসইতে সূচক বাড়লেও সিএসইতে নিম্নমুখী

ছবি

একবার প্রণোদনার ঋণ পাওয়া ব্যবসায়ীদের নতুন ঋণ নয়

ওআইসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে বিনিয়োগের আহ্বান

ছবি

রবি’র সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা ৫ কোটি ১৮ লাখ

ছবি

আরদাশির কবির এবং সুস্মিতা আনিস বিইএফ-এর প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বিবেচনায় আগামী রোব ও বুধবার ব্যাংক বন্ধ

ছবি

শেয়ার কিনছে বিনিয়োগকারীরা

ছবি

৫০০ কোটি টাকার জিরো কুপন বন্ড ছাড়ছে ‘নগদ’

ছবি

পুরোনো ক্রয়াদেশ শিপমেন্ট না হলে নতুনগুলো অন্য দেশে চলে যাবে

কারখানায় থাকা কর্মীদের হয়রানি না করার অনুরোধ বিকেএমইএর

সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে শেয়ারবাজারে

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিদেশে হিসাব পরিচালনার অনুমতি

বেনাপোল কাস্টমসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা

ছবি

ব্লু-চিপ শেয়ারের বিক্রয় চাপে পুঁজিবাজারে দরপতন

বঙ্গভ্যাক্সের ইথিক্যাল ক্লিয়ারেন্সের জন্য আইনি নোটিশ

ছবি

চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য নির্মিত ‘কান্ডারি-১৫’ টাগবোট পানিতে ভাসানো হল

ছবি

সূচকের পতনেও লেনদেনে তেজিভাব

ছবি

দেশে কোটিপতি বৃদ্ধি আয়-বৈষম্যের উৎকৃষ্ট উদাহরণ

ছবি

ঈদের পর ইতিবাচক প্রবণতায় চলছে শেয়ারবাজারের লেনদেন

ছবি

‘সরকারের মূল্যে ট্যানারিগুলো চামড়া কিনলে লস হবে না’

ছবি

করোনার এক বছরে কোটিপতি বেড়েছে ১১ হাজার ৬৪৭ জন

কারখানা খোলা রাখায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

ছবি

বিদেশি বিনিয়োগের খরা কাটছেই না

ঈদে অনলাইনে বিক্রি হয়েছে প্রায় চার লাখ পশু

tab

অর্থ-বাণিজ্য

দোকান মালিক সমিতির অভিযোগ

ইএফডির জন্য বৈষম্যের স্বীকার ব্যবসায়ীরা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১

দুই বছরে মাত্র তিন হাজার দোকানে ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) বসানোয় ব্যবসায়ীরা বৈষম্য ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। এ সমস্যা সমাধানে যেকোন একটি ব্যবসায়িক খাতে ইএফডি যন্ত্র বসানোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২২ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি এবং জাতীয় দোকান ভিত্তিক সংগঠনের উদ্যোগে খুচরা পর্যায়ের ৫ শতাংশ ভ্যাট উৎসে আদায়ের দাবিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

দোকান মালিক সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘এই নতুন ভ্যাট আইনে বলা ছিল- দোকান এবং প্রতিষ্ঠান রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজস্ব বোর্ড ইলেকট্রনিক ফিসকাল ডিভাইস (ইএফডি) মেশিন স্থাপন করবে। দুই বছরে তারা দেশে মাত্র তিন হাজার ইএফডি মেশিন স্থাপন করতে পেরেছে। এর ফলে যেসব দোকানে ইএফডি মেশিন আছে সেসব দোকানে ক্রেতা কমে গেছে।

দুই বছরে ৮০-৯০ শতাংশ দোকানে ইএফডি স্থাপন করে একযোগে ভ্যাট নেয়ার দরকার ছিল। রাজস্ব বোর্ড দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেনি। তারা খেয়াল-খুশি মতো অপরিকল্পিতভাবে ইএফডি স্থাপন না করে তিন হাজার যন্ত্রকে যেকোন একটা খাতে ব্যবহার করা যেতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ- সারাদেশের স্বর্ণের দোকান, টাইলসের দোকান বা হোটেল-রেস্তোরাঁ এমন একটি খাত নির্বাচন করবে রাজস্ব বোর্ড, যেখানকার সব দোকান ইএফডির আওতায় নিয়ে আসবে। যতদিন পর্যন্ত ৮০-৯০ ভাগ দোকান ইএফডির আওতায় না আসবে ততদিন পর্যন্ত অন্য খাতে খুচরা পর্যায়ের ৫ শতাংশ ভ্যাট উৎসে করের ৩০ শতাংশের সঙ্গে যুক্ত করে ৩৫ শতাংশ কর আদায়ের প্রস্তাব করেছে ব্যবসায়ীরা।’

হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘৫ শতাংশ হারে যেটা ভোক্তার কাছ থেকে নেয়ার কথা সেটা উৎসে কর হিসেবে নিয়ে যাক। আমরা দেখছি, খুচরা পর্যায়ে তারা ৫০-৬০ কোটি টাকার বেশি ভ্যাট আদায় করতে পারেনি। উৎস কর হিসেবে তারা ৩০ শতাংশ নিচ্ছে সঙ্গে আরও ৫ শতাংশ নিলে তারা আরও বেশি ভ্যাট আদায় করতে পারবে।’

এ সময় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, রাজস্ব বোর্ডের সাড়াশি অভিযানে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা দিশেহারা। ভ্যাট গোয়েন্দারা অতর্কিতভাবে বিভিন্ন মার্কেট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশির নামে দোকানে রক্ষিত কাগজপত্র জব্দ করে নিয়ে যায়। অনেক সময় উক্ত প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত ব্যক্তিকেও তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে সারাদেশে ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম আতঙ্কের মধ্যে আছে। এতে ব্যবসাবান্ধব সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

এতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার রুহুল আমিন, মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা প্রমুখ।

back to top