alt

অর্থ-বাণিজ্য

ইভ্যালিসহ ১০ ই-কমার্সে কেনাকাটায় ব্র্যাক ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক : বুধবার, ২৩ জুন ২০২১
image

ইভ্যালি ও আলেশা মার্টসহ ১০টি ই-কমার্স সাইট থেকে ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রি-পেইড কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এসব সাইটে লেনদেন না করার জন্য ইতোমধ্যেই ব্যাংকটির গ্রাহকদের বলা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং, সিরাজগঞ্জ শপিং, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, কিউকম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস ডট কম বিডি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসব অনলাইন মার্কেট প্লেসের বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।

এ প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের গণসংযোগ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা ইকরামুল কবীর বলেন, ‘এটি ব্র্যাক ব্যাংকের একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত। কোন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব থাকবে তা নির্ণয় করে আমাদের পরিচালনা পরিষদ। তারা এই সাইটগুলোতে লেনদেন আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

বেশ কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ব্যবসায় নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। নতুন এই ব্যবসা পদ্ধতিতে অনলাইন বাজারগুলো ক্রেতাদের কাছ থেকে কয়েক মাসের অগ্রিম টাকা সংগ্রহ করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য সরবরাহ করতে আরও বেশি সময় নিয়ে থাকে।

এছাড়া প্রায়ই তারা ক্রেতাদের জানিয়ে দেয়, তাদের অর্ডার করা পণ্যগুলো শেষ হয়ে গেছে। আর তাই সেটা পাঠানো সম্ভব নয়। তবে মাসের পর মাস ধরে অপেক্ষার পরেও প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ক্রেতারা তাদের টাকা ফেরত পান না বলে অসংখ্য অভিযোগ ওঠে। অনলাইন ক্রেতাদের লোভনীয় সব ছাড়ের ফাঁদে ফেলে দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশাল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করার বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ ব্যাংকও।

অনিয়ন্ত্রিত এসব ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে উচ্চ লেনদেনের বিষয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। তারা জানিয়েছে, ক্রেতাদের কাছ থেকে সংগৃহীত অগ্রিম অর্থের বিপরীতে এসব প্রতিষ্ঠানের কোন সম্পদ নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, অনলাইনভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান (ই-কমার্স) ইভ্যালির চলতি সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এর বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটির দেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। সম্পদের চেয়ে ৬ গুণের বেশি এই দেনা পরিশোধ করার সক্ষমতা কোম্পানিটির নেই।

প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ইভ্যালি চলতি বছরের ১৪ মার্চ পর্যন্ত পণ্যমূল্য বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম ২১৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা নিয়ে কোন পণ্য সরবরাহ করেনি। অন্যদিকে তারা যেসব কোম্পানির কাছ থেকে পণ্য কেনে, তাদের কাছে ইভ্যালির বকেয়া ১৮৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে ইভ্যালির চলতি সম্পদ দিয়ে গ্রাহক ও পাওনাদারদের বকেয়া অর্থের মাত্র ১৬ দশমিক ১৪ শতাংশ পরিশোধ করা সম্ভব। বাকি প্রায় ৮৪ শতাংশ বা ৩৩৮ কোটি ৬২ লাখ টাকার সমপরিমাণ দায় অপরিশোধিত থেকে যাবে। ইভ্যালির চলতি সম্পদের স্থিতি দিয়ে শুধু গ্রাহক দায়ের এক-তৃতীয়াংশেরও কম পরিশোধ করা সম্ভব হবে। ২০২০ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের ১৪ মার্চ পর্যন্ত ইভ্যালির মোট আয় (রেভিনিউ) ২৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এ সময়ে কোম্পানিটির বিক্রয় ব্যয় হয়েছে ২০৭ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, কোম্পানিটি প্রতি এক টাকা আয়ের জন্য তিন টাকা ৫৭ পয়সা বিক্রয় ব্যয় করেছে বলে স্টেটমেন্টে দেখিয়েছে এবং এই অস্বাভাবিক ব্যয়ের বিষয়ে সন্তোষজনক কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

ছবি

কানাডা ভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান টিকেসি টেলিকম এবং বিটিআরসি’র মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

ছবি

মাইডাস ফাইন্যান্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা

ছবি

৬ হাজার ৫’শ পয়েন্ট ছাড়িয়ে সূচক, নতুন উচ্চতায় পুঁজিবাজার

ছবি

ডিবিএইচ এর নিট মুনাফা বেড়েছে ৮১%

ছবি

বজারে বিভিন্ন ফিচারের স্যামসাং মাইক্রোওয়েভ ওভেন

ছবি

কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায়, ৭৫ভাগ শ্রমিক কাজে ফিরেছে, স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছেনা

সূচকের উত্থানে লেনদেন চলছে পুঁজিবাজারে

ছবি

বৈশ্বিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান অ্যাওয়ারনেস ৩৬০ এর উপদেষ্টা তিন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব

ছবি

আজ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার বন্ধ, খুলছে গার্মেন্টস

ছবি

ঢাকা চেম্বার এর আয়োজনে ‘টেকসই নদী খনন: চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকার’ শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

ছবি

লকডাউন বাড়ানোর সুপারিশের পর গার্মেন্টস খোলার সিদ্ধান্ত

ছবি

অপরিবর্তিত সবজির বাজার, মাছে দাম চড়া

ডিএসইতে সূচক বাড়লেও সিএসইতে নিম্নমুখী

ছবি

একবার প্রণোদনার ঋণ পাওয়া ব্যবসায়ীদের নতুন ঋণ নয়

ওআইসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে বিনিয়োগের আহ্বান

ছবি

রবি’র সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা ৫ কোটি ১৮ লাখ

ছবি

আরদাশির কবির এবং সুস্মিতা আনিস বিইএফ-এর প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বিবেচনায় আগামী রোব ও বুধবার ব্যাংক বন্ধ

ছবি

শেয়ার কিনছে বিনিয়োগকারীরা

ছবি

৫০০ কোটি টাকার জিরো কুপন বন্ড ছাড়ছে ‘নগদ’

ছবি

পুরোনো ক্রয়াদেশ শিপমেন্ট না হলে নতুনগুলো অন্য দেশে চলে যাবে

কারখানায় থাকা কর্মীদের হয়রানি না করার অনুরোধ বিকেএমইএর

সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে শেয়ারবাজারে

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিদেশে হিসাব পরিচালনার অনুমতি

বেনাপোল কাস্টমসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা

ছবি

ব্লু-চিপ শেয়ারের বিক্রয় চাপে পুঁজিবাজারে দরপতন

বঙ্গভ্যাক্সের ইথিক্যাল ক্লিয়ারেন্সের জন্য আইনি নোটিশ

ছবি

চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য নির্মিত ‘কান্ডারি-১৫’ টাগবোট পানিতে ভাসানো হল

ছবি

সূচকের পতনেও লেনদেনে তেজিভাব

ছবি

দেশে কোটিপতি বৃদ্ধি আয়-বৈষম্যের উৎকৃষ্ট উদাহরণ

ছবি

ঈদের পর ইতিবাচক প্রবণতায় চলছে শেয়ারবাজারের লেনদেন

ছবি

‘সরকারের মূল্যে ট্যানারিগুলো চামড়া কিনলে লস হবে না’

ছবি

করোনার এক বছরে কোটিপতি বেড়েছে ১১ হাজার ৬৪৭ জন

কারখানা খোলা রাখায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

ছবি

বিদেশি বিনিয়োগের খরা কাটছেই না

ঈদে অনলাইনে বিক্রি হয়েছে প্রায় চার লাখ পশু

tab

অর্থ-বাণিজ্য

ইভ্যালিসহ ১০ ই-কমার্সে কেনাকাটায় ব্র্যাক ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

বুধবার, ২৩ জুন ২০২১

ইভ্যালি ও আলেশা মার্টসহ ১০টি ই-কমার্স সাইট থেকে ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রি-পেইড কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এসব সাইটে লেনদেন না করার জন্য ইতোমধ্যেই ব্যাংকটির গ্রাহকদের বলা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং, সিরাজগঞ্জ শপিং, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, কিউকম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস ডট কম বিডি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসব অনলাইন মার্কেট প্লেসের বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।

এ প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের গণসংযোগ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা ইকরামুল কবীর বলেন, ‘এটি ব্র্যাক ব্যাংকের একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত। কোন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব থাকবে তা নির্ণয় করে আমাদের পরিচালনা পরিষদ। তারা এই সাইটগুলোতে লেনদেন আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

বেশ কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ব্যবসায় নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। নতুন এই ব্যবসা পদ্ধতিতে অনলাইন বাজারগুলো ক্রেতাদের কাছ থেকে কয়েক মাসের অগ্রিম টাকা সংগ্রহ করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য সরবরাহ করতে আরও বেশি সময় নিয়ে থাকে।

এছাড়া প্রায়ই তারা ক্রেতাদের জানিয়ে দেয়, তাদের অর্ডার করা পণ্যগুলো শেষ হয়ে গেছে। আর তাই সেটা পাঠানো সম্ভব নয়। তবে মাসের পর মাস ধরে অপেক্ষার পরেও প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ক্রেতারা তাদের টাকা ফেরত পান না বলে অসংখ্য অভিযোগ ওঠে। অনলাইন ক্রেতাদের লোভনীয় সব ছাড়ের ফাঁদে ফেলে দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশাল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করার বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ ব্যাংকও।

অনিয়ন্ত্রিত এসব ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে উচ্চ লেনদেনের বিষয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। তারা জানিয়েছে, ক্রেতাদের কাছ থেকে সংগৃহীত অগ্রিম অর্থের বিপরীতে এসব প্রতিষ্ঠানের কোন সম্পদ নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, অনলাইনভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান (ই-কমার্স) ইভ্যালির চলতি সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এর বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটির দেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। সম্পদের চেয়ে ৬ গুণের বেশি এই দেনা পরিশোধ করার সক্ষমতা কোম্পানিটির নেই।

প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ইভ্যালি চলতি বছরের ১৪ মার্চ পর্যন্ত পণ্যমূল্য বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম ২১৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা নিয়ে কোন পণ্য সরবরাহ করেনি। অন্যদিকে তারা যেসব কোম্পানির কাছ থেকে পণ্য কেনে, তাদের কাছে ইভ্যালির বকেয়া ১৮৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে ইভ্যালির চলতি সম্পদ দিয়ে গ্রাহক ও পাওনাদারদের বকেয়া অর্থের মাত্র ১৬ দশমিক ১৪ শতাংশ পরিশোধ করা সম্ভব। বাকি প্রায় ৮৪ শতাংশ বা ৩৩৮ কোটি ৬২ লাখ টাকার সমপরিমাণ দায় অপরিশোধিত থেকে যাবে। ইভ্যালির চলতি সম্পদের স্থিতি দিয়ে শুধু গ্রাহক দায়ের এক-তৃতীয়াংশেরও কম পরিশোধ করা সম্ভব হবে। ২০২০ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের ১৪ মার্চ পর্যন্ত ইভ্যালির মোট আয় (রেভিনিউ) ২৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এ সময়ে কোম্পানিটির বিক্রয় ব্যয় হয়েছে ২০৭ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, কোম্পানিটি প্রতি এক টাকা আয়ের জন্য তিন টাকা ৫৭ পয়সা বিক্রয় ব্যয় করেছে বলে স্টেটমেন্টে দেখিয়েছে এবং এই অস্বাভাবিক ব্যয়ের বিষয়ে সন্তোষজনক কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

back to top