alt

অর্থ-বাণিজ্য

‘বিদেশি দায়দেনায় অস্বস্তিকর অবস্থানে চলে যেতে পারে বাংলাদেশ’

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক : সোমবার, ০৯ মে ২০২২

২০২৪-২৫ অর্থবছরের পরে বাংলাদেশ বিদেশি দায়দেনায় অস্বস্তিকর অবস্থানে চলে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। সরকারের দায়দেনা নিয়ে সোমবার (৯ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল আলাপচারিতায় তিনি এমন মত দেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের দায়দেনা সবুজ (স্বস্তিকর) অবস্থানে আছে। এটি ধীরে ধীরে হলুদ অবস্থানে (অস্বস্তিকর) যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আপাতস্বস্তি না-ও থাকতে পারে। এখন আমরা বিদেশি দ্বিপক্ষীয় উৎস থেকে বেশি মূল্যে বেশি ঋণ করছি। যেমন চীন, রাশিয়া ও ভারত। এসব দেশের ঋণের রেয়াতি সময় (গ্রেস পিরিয়ড) শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া সরবরাহকারী ঋণের পরিমাণও বাড়ছে। অথচ পাইপলাইনে ৫০ বিলিয়ন ডলারের মতো সাশ্রয়ী ঋণ ব্যবহার করতে পারছি না।

অবশ্য তিনি মনে করেন, বিদেশি দায়দেনার দেশি উৎসের দায়দেনাও কোন অংশে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তার মতে, অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে তুলনামূলক বেশি সুদে ঋণ নেয়ার প্রবণতা বেড়েছে। গত তিন বছরে অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি দুই উৎস থেকেই ঋণ নেয়া বেড়েছে।

আবার বিগত দুটি জাতীয় নির্বাচনের আগের বছর, নির্বাচনের বছর ও পরের বছর ঋণ নেয়ার প্রবণতা বেড়েছে। দেশের দায়দেনা পরিস্থিতি ব্যাখ্যায় নির্বাচনী চক্র সূচক হিসেবে উঠে আসছে। তার মতে, সাম্প্রতিক সময়ে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি, বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ার চাপ এবং পাশ্ববর্তী দেশ শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও নেপালের আর্থিক সংকট বিবেচনায় দায়দেনা নিয়ে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ অবস্থায় ঋণের চাপ সামলাতে তিনি সরকারকে তিনটি বার্তা দেন। প্রথমত- কর আহরণ বাড়ানোর মাধ্যমে আর্থিক সংহতিকরণ। দ্বিতীয়ত- বহিস্থ খাতের বর্তমান চাপ মোকাবিলায় সুরক্ষা দেয়া এবং দায়দেনা পরিস্থিতির সামগ্রিক, স্বচ্ছ এবং নিয়মিত তদারকির ব্যবস্থা।

সূচক বাড়লেও লেনদেনে ধীরগতি

ছবি

নতুন নির্দেশানা :‘বিশেষ প্রয়োজনে’ বিদেশ যেতে পারবেন ব্যাংকাররাও

ছবি

রেমিট্যান্সে প্রণোদনায় এখন নেই কাগজপত্রের ঝামেলা

ছবি

টাকার মান কমল আরও ৪০ পয়সা

পুঁজিবাজারে প্রথম ঘণ্টায় সূচক বাড়লো ১১৮ পয়েন্ট

দুই জাহাজে ভারত থেকে এলো লাখ টন গম

২০ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব অর্থনীতি সমিতির

শেয়ারবাজারে ব্যাপক পতনে দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা

মার্জিন ঋণের সুবিধা বাড়িয়ে নির্দেশনা জারি

ছবি

ব্যাংকারদের বিদেশ যাওয়া বন্ধ করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ছবি

অনুমতি ছাড়াই স্বর্ণ ব্যবসায় সাকিব, ব্যাখ্যা চায় বিএসইসি

দর পতনে সপ্তাহের শুরু

ছবি

জ্বালানির কর কমালো ভারত

ছবি

এখনই গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য না বাড়ানোর আহ্বান এফবিসিসিআইয়ের

প্রয়োজনের অতিরিক্ত ও বিলাস পণ্য না কেনার আহ্বান ভোক্তা অধিদপ্তরের

ছবি

আগামী বাজেটে সারে ভর্তুকি বাড়ছে

ছবি

স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভ‌রি ছাড়াল ৮২ হাজার

ছবি

বিনায়ন সেনের অভিমত : জিডিপি ও মজুরির হার বাড়ার মধ্যে ‘বিশাল ব্যবধান’

ছবি

পোশাক শ্রমিকদের বেতন ও ওভারটাইম বেড়েছে, তবে তা খেয়ে ফেলছে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে

২১ হাজার কোটি টাকা বাজার মূলধন কমেছে শেয়ারবাজারে

সংবাদপত্র শিল্পে কর ছাড় চান সম্পাদকরা

শেয়ারবাজারে প্রি-ওপেনিং সেশন স্থগিত

ছবি

যৌথ উদ্যোগে বাড়ি নির্মাণ : প্রয়োজন পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৎ মানসিকতা

ছবি

কৃষি খাতে সর্বোচ্চ প্রণোদনা বিতরণ করেছে ইসলামী ব্যাংক

ছবি

ঈদে মার্সেল পণ্য কিনলে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক

মাছের উচ্ছিষ্ট বিক্রি করে আয় হাজার হাজার টাকা

ছবি

লংকাবাংলা-বিইউপি বিনিয়োগ কর্মশালা সম্পন্ন

বন্ধ বিও অ্যাকাউন্টের শেয়ার কেনাবেচা না করার নির্দেশ

সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক এমডিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

ছবি

বাজার হারিয়েছে ৩১ হাজার কোটি টাকা

ছবি

বিডি পেইন্টসের কিউআইওতে আবেদন শুরু রোববার

ডিএসইতে ৩১, সিএসইতে ৭৫ পয়েন্ট পতন

ছবি

অন্যান্য দেশের তুলনায় নিত্যপণ্যের দাম কমই আছে : বাণিজ্য সচিব

পর পর ছয় দিন পতন শেয়ারবাজারে, সূচক ১০ মাস আগের অবস্থানে

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ বাতিল

ছবি

নতুন শেয়ারহোল্ডারদেরও দুই কোটি টাকা লভ্যাংশ দিলো সোনালী লাইফ

tab

অর্থ-বাণিজ্য

‘বিদেশি দায়দেনায় অস্বস্তিকর অবস্থানে চলে যেতে পারে বাংলাদেশ’

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

সোমবার, ০৯ মে ২০২২

২০২৪-২৫ অর্থবছরের পরে বাংলাদেশ বিদেশি দায়দেনায় অস্বস্তিকর অবস্থানে চলে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। সরকারের দায়দেনা নিয়ে সোমবার (৯ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল আলাপচারিতায় তিনি এমন মত দেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের দায়দেনা সবুজ (স্বস্তিকর) অবস্থানে আছে। এটি ধীরে ধীরে হলুদ অবস্থানে (অস্বস্তিকর) যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আপাতস্বস্তি না-ও থাকতে পারে। এখন আমরা বিদেশি দ্বিপক্ষীয় উৎস থেকে বেশি মূল্যে বেশি ঋণ করছি। যেমন চীন, রাশিয়া ও ভারত। এসব দেশের ঋণের রেয়াতি সময় (গ্রেস পিরিয়ড) শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া সরবরাহকারী ঋণের পরিমাণও বাড়ছে। অথচ পাইপলাইনে ৫০ বিলিয়ন ডলারের মতো সাশ্রয়ী ঋণ ব্যবহার করতে পারছি না।

অবশ্য তিনি মনে করেন, বিদেশি দায়দেনার দেশি উৎসের দায়দেনাও কোন অংশে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তার মতে, অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে তুলনামূলক বেশি সুদে ঋণ নেয়ার প্রবণতা বেড়েছে। গত তিন বছরে অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি দুই উৎস থেকেই ঋণ নেয়া বেড়েছে।

আবার বিগত দুটি জাতীয় নির্বাচনের আগের বছর, নির্বাচনের বছর ও পরের বছর ঋণ নেয়ার প্রবণতা বেড়েছে। দেশের দায়দেনা পরিস্থিতি ব্যাখ্যায় নির্বাচনী চক্র সূচক হিসেবে উঠে আসছে। তার মতে, সাম্প্রতিক সময়ে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি, বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ার চাপ এবং পাশ্ববর্তী দেশ শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও নেপালের আর্থিক সংকট বিবেচনায় দায়দেনা নিয়ে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ অবস্থায় ঋণের চাপ সামলাতে তিনি সরকারকে তিনটি বার্তা দেন। প্রথমত- কর আহরণ বাড়ানোর মাধ্যমে আর্থিক সংহতিকরণ। দ্বিতীয়ত- বহিস্থ খাতের বর্তমান চাপ মোকাবিলায় সুরক্ষা দেয়া এবং দায়দেনা পরিস্থিতির সামগ্রিক, স্বচ্ছ এবং নিয়মিত তদারকির ব্যবস্থা।

back to top