alt

অর্থ-বাণিজ্য

জুনে ২৩ দিনে কমলো রেমিট্যান্স, তিন মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক : মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২

ধারনা করা হচ্ছিল, রোজার ঈদের মতো কোরবানির ঈদের আগের মাস জুনেও বেশি রেমিট্যান্স আসবে দেশে। কিন্তু তেমনটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এই মাসের ২৩ দিনের তথ্য রোববার (২৬ জুন) প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাতে দেখা যায়, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের শেষ মাস জুনের ১ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত ১২৮ কোটি ৪৮ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এ হিসাবে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছে ৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। মাসের বাকি সাত দিনে এই হারে রেমিট্যান্স এলে দাঁড়াবে ১৬৭ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, যা হবে গত তিন মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ফেব্রুয়ারিতে ১৪৯ কোটি ৪৪ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা ছিল ২০২১-২২ অর্থবছরের ১১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। মার্চে আসে ১৮৬ কোটি ডলার। গত ৩ মে দেশে রোজার ঈদ উদ্যাপিত হয়। ঈদ সামনে রেখে এপ্রিলে ২০১ কোটি (২.০১ বিলিয়ন) ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, একক মাসের হিসাবে যা ছিল ১১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ঈদের পরের মাসেও মোটামুটি ভালোই এসেছিল। মে মাসে ১৮৮ কোটি ৫৩ লাখ (১.৮৮ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছেন তারা।

প্রতি বছরই দুই ঈদ সামনে রেখে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সারতে পরিবার-পরিজনের কাছে বেশি অর্থ দেশে পাঠান প্রবাসীরা। কিন্তু দুই ঈদের পরের এক-দুই মাস রেমিট্যান্স বেশ কম আসে। কিন্তু রোজার ঈদের পর মে মাসে তেমনটি হয়নি।

৯ অথবা ১০ জুলাই দেশে কোরবানির ঈদ উদ্যাপিত হবে। সেই উৎসবকে কেন্দ্র করে জুন মাসে এপ্রিলের মতো ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসবে বলে আশা করা হচ্ছিল। ১৬ দিনের (১ থেকে ১৬ জুন) তথ্যে তেমন আভাসও পাওয়া যাচ্ছিল। ৯৬ কোটি ৪২ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। কিন্তু পরের সপ্তাহে অর্থাৎ ১৭ থেকে ২৩ জুন এসেছে ৩২ কোটি ৬ লাখ ডলার। এই সাত দিনে গড়ে ৪ কোটি ৫৮ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। জুনে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসতে হলে মাসের বাকি সাত দিনে (২৪ থেকে ৩০ জুন) প্রতিদিন ১০ কোটি ডলারের বেশি আসতে হবে; সেটা কখনোই আসেনি দেশে।

২০২০-২১ অর্থবছরে ২৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অর্থবছর বা বছরে আসা সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স। তার আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এসেছিল ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আসে ১৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এসেছিল ১৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরের ১১ মাস ২৩ দিনে (২০২১ সালের ১ জুলাই-থেকে ২০২২ সালের ২৩ জুন) মোট ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৬ শতাংশের মতো কম। টানা পাঁচ মাস কমার পর ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে বেড়েছিল অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে ফের হোঁচট খায়। ওই মাসে ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। মার্চে এসেছিল ১৮৬ কোটি ডলার। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে এসেছিল যথাক্রমে ১৬৩ কোটি ৬ লাখ ও ১৭০ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিন হওয়ায় ওই মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছিল বলে জানায় ব্যাংকগুলো। তবে মার্চে এই সূচকে ফের গতি ফেরে; ১৮৮ কোটি ডলার পাঠান প্রবাসীরা। ওই মাসে ফেব্রুয়ারির চেয়ে ২৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স দেশে আসে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে আরও দেখা যায়, জুন মাসের ২৩ দিনে যে রেমিট্যান্স এসেছে, তার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২ কোটি ২০ লাখ ডলার। ৪২টি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০৪ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। আর পাঁচটি বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬২ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

ছবি

ডলার কারসাজি : ৬ ব্যাংকের এমডিকে শোকজ

ছবি

চলতি মাসের ১৬ দিনে রেমিট্যান্স ১১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার

ছবি

ইউনিলিভার বাংলাদেশ ‘পেল এশিয়ার বেস্ট এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড ২০২২ অ্যাওয়ার্ড’

ছবি

তেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে বাড়ছে চালের দাম

ছবি

স্বর্ণের দাম ভরিতে কমছে ২২৭৫ টাকা

ছবি

কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবে এফবিসিসিআই-আইএলও

ডলারে দেড় টাকার বেশি লাভ করতে পারবে না মানি এক্সচেঞ্জ

সূচকের সঙ্গে লেনদেনও বেড়েছে শেয়ারবাজারে

ডাচ্-বাংলার এটিএম বুথ বন্ধ থাকবে ৩০ ঘণ্টা

ছবি

ডলারে দেড় টাকার বেশি লাভ করতে পারবে না মানি এক্সচেঞ্জ

ছবি

এক কোটি ২৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার

ছবি

প্রয়োজনে ডিম আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ছবি

অর্থের তথ্য আদান-প্রদানে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি করা হবে

ছবি

তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা ঢাকা ওয়াসার কর্মীদের ‘পারফরম্যান্স বোনাসে’

৯ ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ১৮ হাজার ৯৩১ কোটি টাকা

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ‘ক্লাস্টার’ ঋণের নীতিমালা অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ট্রেড ফাইন্যান্স ব্যাংক-এর অ্যাওয়ার্ড জিতলো স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড

বড় উত্থানে লেনদেন ছাড়ালো হাজার কোটি টাকা

একনেকে ছয় প্রকল্প অনুমোদন

ছবি

লভ্যাংশ কমেছে যেসব মিউচ্যুয়াল ফান্ডে

নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির সুযোগ নিচ্ছে একটি মহল : বাণিজ্যমন্ত্রী

ছবি

‘নগদ’ পাঁচ ক্যাটাগরিতে জিতলো ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২২

ছবি

সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ব্যাংকে নতুন এমডি

তেল ও ডলারের দাম : রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয়

৯১ শতাংশ এসএমই উদ্যোক্তা ব্যাংক ঋণ পায় না

টানা পতনের পর সামান্য উত্থানে শেয়ারবাজার

রাশিয়া থেকে গম আমদানির বাধা কাটলো

এশিয়ার দেশগুলোকে ডিজিটাল মুদ্রা আনার আহ্বান আতিউর রহমানের

রাশিয়া থেকে তেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি: ভারত তথ্য গোপন করায় উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রের

ছবি

সিটিও ফোরাম ইনোভেশন হ্যাকাথন ২০২২ এর নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু

ডলার কেনাবেচায় অনুমোদিত শাখা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ছবি

ব্যাংকের শাখায় শাখায় বেচাকেনা হবে নগদ ডলার

ছবি

খোলা সয়াবিন পামঅয়েল ও ডিমে বাড়ল ২৫ টাকা

ছবি

সবার জন্য অর্থনৈতিক সুযোগঃ ইউএনডিপি, গ্রামীণফোন ও বিডার যৌথ কর্মসূচি

ছবি

৫ বছর মেয়াদী ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু এবং নবায়ন করার আহবান

ছবি

মাইক্রোসফটের পার্টনার অ্যাওয়ার্ড জিতেছে ইজেনারেশন

tab

অর্থ-বাণিজ্য

জুনে ২৩ দিনে কমলো রেমিট্যান্স, তিন মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২

ধারনা করা হচ্ছিল, রোজার ঈদের মতো কোরবানির ঈদের আগের মাস জুনেও বেশি রেমিট্যান্স আসবে দেশে। কিন্তু তেমনটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এই মাসের ২৩ দিনের তথ্য রোববার (২৬ জুন) প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাতে দেখা যায়, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের শেষ মাস জুনের ১ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত ১২৮ কোটি ৪৮ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এ হিসাবে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছে ৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। মাসের বাকি সাত দিনে এই হারে রেমিট্যান্স এলে দাঁড়াবে ১৬৭ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, যা হবে গত তিন মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ফেব্রুয়ারিতে ১৪৯ কোটি ৪৪ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা ছিল ২০২১-২২ অর্থবছরের ১১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। মার্চে আসে ১৮৬ কোটি ডলার। গত ৩ মে দেশে রোজার ঈদ উদ্যাপিত হয়। ঈদ সামনে রেখে এপ্রিলে ২০১ কোটি (২.০১ বিলিয়ন) ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, একক মাসের হিসাবে যা ছিল ১১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ঈদের পরের মাসেও মোটামুটি ভালোই এসেছিল। মে মাসে ১৮৮ কোটি ৫৩ লাখ (১.৮৮ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছেন তারা।

প্রতি বছরই দুই ঈদ সামনে রেখে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সারতে পরিবার-পরিজনের কাছে বেশি অর্থ দেশে পাঠান প্রবাসীরা। কিন্তু দুই ঈদের পরের এক-দুই মাস রেমিট্যান্স বেশ কম আসে। কিন্তু রোজার ঈদের পর মে মাসে তেমনটি হয়নি।

৯ অথবা ১০ জুলাই দেশে কোরবানির ঈদ উদ্যাপিত হবে। সেই উৎসবকে কেন্দ্র করে জুন মাসে এপ্রিলের মতো ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসবে বলে আশা করা হচ্ছিল। ১৬ দিনের (১ থেকে ১৬ জুন) তথ্যে তেমন আভাসও পাওয়া যাচ্ছিল। ৯৬ কোটি ৪২ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। কিন্তু পরের সপ্তাহে অর্থাৎ ১৭ থেকে ২৩ জুন এসেছে ৩২ কোটি ৬ লাখ ডলার। এই সাত দিনে গড়ে ৪ কোটি ৫৮ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। জুনে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসতে হলে মাসের বাকি সাত দিনে (২৪ থেকে ৩০ জুন) প্রতিদিন ১০ কোটি ডলারের বেশি আসতে হবে; সেটা কখনোই আসেনি দেশে।

২০২০-২১ অর্থবছরে ২৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অর্থবছর বা বছরে আসা সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স। তার আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এসেছিল ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আসে ১৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এসেছিল ১৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরের ১১ মাস ২৩ দিনে (২০২১ সালের ১ জুলাই-থেকে ২০২২ সালের ২৩ জুন) মোট ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৬ শতাংশের মতো কম। টানা পাঁচ মাস কমার পর ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে বেড়েছিল অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে ফের হোঁচট খায়। ওই মাসে ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। মার্চে এসেছিল ১৮৬ কোটি ডলার। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে এসেছিল যথাক্রমে ১৬৩ কোটি ৬ লাখ ও ১৭০ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিন হওয়ায় ওই মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছিল বলে জানায় ব্যাংকগুলো। তবে মার্চে এই সূচকে ফের গতি ফেরে; ১৮৮ কোটি ডলার পাঠান প্রবাসীরা। ওই মাসে ফেব্রুয়ারির চেয়ে ২৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স দেশে আসে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে আরও দেখা যায়, জুন মাসের ২৩ দিনে যে রেমিট্যান্স এসেছে, তার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২ কোটি ২০ লাখ ডলার। ৪২টি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০৪ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। আর পাঁচটি বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬২ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

back to top