alt

অর্থ-বাণিজ্য

বিদেশি ঋণ নিয়ে ভয়ের কিছু নেই : মান্নান

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক : রোববার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিদেশি ঋণ নিয়ে আমাদের কোন ভয় নেই বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তবে বিদেশি ঋণে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলে তিনি তাগিদ দিয়েছেন। রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘সুশাসন নিশ্চিতকরণে বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এক সেমিনার শেষে তিনি এ কথা বলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তান আমলে আমরা ঋণের অংশীদার ছিলাম। স্বাধীনতার পরেও দেশের উন্নয়নে ঋণ নেয়া হচ্ছে। বিদেশি ঋণ দেশের উন্নয়নে কেন্দ্রীয়ভাবে ভূমিকা পালন করছে। তবে বিদেশি ঋণে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিদেশি ঋণ নিয়ে কোন ভয় নেই। যেকোন দেশের অর্থনীতির জন্য ঋণ নিতে হয়। তবে তা জেনে বুঝে শুনে নিতে হবে। অনেকে ভয় দেখায়। যা ঠিক নয়। বিদেশি ঋণের কোন বিকল্প নেই।’

ফিজিবিলিটি স্টাডিজ ছাড়া প্রকল্প নেয়া হয় না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে বাছাই প্রক্রিয়া করেই নেয়া হয়। তারপরও অনেকে সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে। আর এসব থাকবেই। তবে প্লানিং কমিশন এখন অনেক শক্তিশালী। ভালোভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, ‘আজকে বিদেশি ঋণের ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা উঠেছে। আমরা ঋণ নেব কেন? আজকে যে বঙ্গবন্ধু সেতু সেটা কিন্তু বিদেশি ঋণে হয়েছে। আমি যে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি এটাও ইউএসআইডি’র সহায়তায় স্থাপিত হয়েছিল। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষির উন্নয়নে কাজ করছে। এটা সম্ভব হয়েছিল বৈদেশিক ঋণ সহায়তায়। বিআইসিসি, মেট্রোরেল, ন্যাশনাল হাইওয়ে হচ্ছে বৈদেশিক ঋণে। বিদেশি সহায়তা আমাদের উন্নয়নে বড় ভূমিকা পালন করছে। আমাদের প্রচুর ঋণ নেয়া দরকার, যতোক্ষণ পর্যন্ত উন্নত দেশ না হতে পারব।’

বৈদেশিক ঋণ নেয়ার যুক্তি তুলে ধরে ড. শামসুল আলম বলেন, ‘বৈদেশিক ঋণে সুদ কম, পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে পরিশোধ করতে হয়। বৈদেশিক ঋণে সুদ ০ দশমিক ৭৫ থেকে দেড় শতাংশ। এই ঋণ পরিশোধ করার সময়টাও অনেক বড়। অনেক ঋণ আবার ৩১ বছরে পরিশোধ করতে হয়। আর দেশীয় ঋণ যদি ব্যাংক থেকে নেয়া হয় তাহলে সাড়ে ৭ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দেয়া লাগে। বিদেশে যখন কম সুদ পাব তাহলে নেয়া উচিত। এর মধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলার ২০২২ সালে পেয়েছি। যেহেতু স্বস্তায় ঋণ পাওয়া যাচ্ছে, সেহেতু দীর্ঘমেয়াদি নিতে হবে।’

ঋণের সঠিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশি ঋণ নেয়ার কারণে অনেক সমালোচনা হয়। শ্রীলঙ্কা কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার সব থেকে উন্নত দেশ ছিল, মাথাপিছু আয় ও শিক্ষার হার ভালো ছিল। বেশকিছু ভুলের জন্য তাদের এখন দুরাবস্থা। দক্ষিণ কোরিয়াও ঋণ নিয়ে অনেক এগিয়ে গেছে। তবে কিছু দেশ প্রচুর বৈদেশিক ঋণ নিয়েও কিছু করতে পারেনি, যেমন পাকিস্তান। তার অন্যতম কারণ ঋণ ব্যবস্থাপনার অভাব। কতগুলো ভুল করে তারা সমস্যায় পড়েছে, তাই আমাদের বৈদেশিক ঋণের বিষয়ে সাবধান হতে হবে।’ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, ইআরডি সচিব শরীফ খান, পরিকল্পনা সচিব মামুন আল রশীদ, আইএমইডি সচিব আবুহেনা মোরশেদ জামান।

ছবি

তেল উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত: দাম বাড়বে

সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১ শতাংশে নেমেছে

ছবি

ডিজেলের দর পুনর্নির্ধারণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বিজিএমইএর চিঠি

ছবি

সেপ্টেম্বরে ইএফডিতে ভ্যাট এলো ৩০ কোটি টাকা

শীঘ্রই ঘুরে দাঁড়াবে রপ্তানি আয় : পরিকল্পনামন্ত্রী

আইপিওতে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

ছবি

আইপিওতে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে ডিএসই

কিশোরগঞ্জে মাসব্যাপী বাণিজ্যমেলা উদ্বোধন

ছবি

দুই মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৪৫৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

রেগুলেটর হিসেবে আমাদের কাজই ক্যাপিটাল মার্কেটকে সহায়তা করা : গভর্নর

সূচকের পতন, লেনদেনও কমেছে

স্বীকৃতি পেল আরও দুটি কারখানা, সবুজ কারখানার শীর্ষে বাংলাদেশ

ছবি

সয়াবিন তেলের দাম লিটারে কমল ১৪ টাকা

ছবি

রবির নতুন সিইও রাজীব শেঠি

ভোজ্য তেলে ভ্যাট মওকুফ : আরো ৯ মাস চায় বানিজ্য মন্ত্রনালয়

চিনির দাম বাড়াতে চায় ব্যবসায়ীরা

ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা জানালেন, বাংলাদেশে উদ্যোক্তাদের ভোগান্তির শেষ নেই

ছবি

বিদ্যুতের দাম বাড়ছে, ঘোষণা আগামী সপ্তাহে

ছবি

কমলো রপ্তানি আয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে মূল্যস্ফীতির প্রভাব

ছবি

বিএমসিসিআই প্রতিনিধিদলের সাথে মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যের গভর্নরের বৈঠক

ছবি

৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স

ছবি

রিজার্ভ চুরি: তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব

ছবি

রপ্তানিতে যুদ্ধের ধাক্কা, সেপ্টেম্বরে কমেছে ৬.২৫ শতাংশ

ছবি

১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৩৫ টাকা

ছবি

১০ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের নগদ লভ্যাংশ প্রেরণ

ছবি

উঠে গেল ভোজ্যতেলের ভ্যাট মওকুফ সুবিধা

ছবি

ইউরোপে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৪৫ শতাংশ

ছবি

আগস্টে সঞ্চয়পত্র বিক্রি মাত্র আট কোটি টাকার

বড় অঙ্কের লেনদেন মাত্র ১০ কোম্পানির শেয়ারে

ছবি

নীতি সহায়তা পেলে কম দামে মাংস, ডিম সরবরাহ সম্ভব : এফবিসিসিআই

নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ‘স্থিতিশীল’ থাকবে

ছবি

বাজার মূলধন কমলো তিন হাজার কোটি টাকা

ছবি

বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশকে আরও পরিচিত করার আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

বিশ্বজুড়ে মন্দার আশঙ্কা, ঝুঁকি ৯৮ দশমিক এক শতাংশ

আড়াই হাজার কোটি টাকা বাজার মূলধন হারিয়েছে শেয়ারবাজার

আরও এক লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিতে চিঠি

tab

অর্থ-বাণিজ্য

বিদেশি ঋণ নিয়ে ভয়ের কিছু নেই : মান্নান

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

রোববার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিদেশি ঋণ নিয়ে আমাদের কোন ভয় নেই বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তবে বিদেশি ঋণে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলে তিনি তাগিদ দিয়েছেন। রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘সুশাসন নিশ্চিতকরণে বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এক সেমিনার শেষে তিনি এ কথা বলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তান আমলে আমরা ঋণের অংশীদার ছিলাম। স্বাধীনতার পরেও দেশের উন্নয়নে ঋণ নেয়া হচ্ছে। বিদেশি ঋণ দেশের উন্নয়নে কেন্দ্রীয়ভাবে ভূমিকা পালন করছে। তবে বিদেশি ঋণে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিদেশি ঋণ নিয়ে কোন ভয় নেই। যেকোন দেশের অর্থনীতির জন্য ঋণ নিতে হয়। তবে তা জেনে বুঝে শুনে নিতে হবে। অনেকে ভয় দেখায়। যা ঠিক নয়। বিদেশি ঋণের কোন বিকল্প নেই।’

ফিজিবিলিটি স্টাডিজ ছাড়া প্রকল্প নেয়া হয় না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে বাছাই প্রক্রিয়া করেই নেয়া হয়। তারপরও অনেকে সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে। আর এসব থাকবেই। তবে প্লানিং কমিশন এখন অনেক শক্তিশালী। ভালোভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, ‘আজকে বিদেশি ঋণের ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা উঠেছে। আমরা ঋণ নেব কেন? আজকে যে বঙ্গবন্ধু সেতু সেটা কিন্তু বিদেশি ঋণে হয়েছে। আমি যে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি এটাও ইউএসআইডি’র সহায়তায় স্থাপিত হয়েছিল। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষির উন্নয়নে কাজ করছে। এটা সম্ভব হয়েছিল বৈদেশিক ঋণ সহায়তায়। বিআইসিসি, মেট্রোরেল, ন্যাশনাল হাইওয়ে হচ্ছে বৈদেশিক ঋণে। বিদেশি সহায়তা আমাদের উন্নয়নে বড় ভূমিকা পালন করছে। আমাদের প্রচুর ঋণ নেয়া দরকার, যতোক্ষণ পর্যন্ত উন্নত দেশ না হতে পারব।’

বৈদেশিক ঋণ নেয়ার যুক্তি তুলে ধরে ড. শামসুল আলম বলেন, ‘বৈদেশিক ঋণে সুদ কম, পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে পরিশোধ করতে হয়। বৈদেশিক ঋণে সুদ ০ দশমিক ৭৫ থেকে দেড় শতাংশ। এই ঋণ পরিশোধ করার সময়টাও অনেক বড়। অনেক ঋণ আবার ৩১ বছরে পরিশোধ করতে হয়। আর দেশীয় ঋণ যদি ব্যাংক থেকে নেয়া হয় তাহলে সাড়ে ৭ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দেয়া লাগে। বিদেশে যখন কম সুদ পাব তাহলে নেয়া উচিত। এর মধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলার ২০২২ সালে পেয়েছি। যেহেতু স্বস্তায় ঋণ পাওয়া যাচ্ছে, সেহেতু দীর্ঘমেয়াদি নিতে হবে।’

ঋণের সঠিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশি ঋণ নেয়ার কারণে অনেক সমালোচনা হয়। শ্রীলঙ্কা কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার সব থেকে উন্নত দেশ ছিল, মাথাপিছু আয় ও শিক্ষার হার ভালো ছিল। বেশকিছু ভুলের জন্য তাদের এখন দুরাবস্থা। দক্ষিণ কোরিয়াও ঋণ নিয়ে অনেক এগিয়ে গেছে। তবে কিছু দেশ প্রচুর বৈদেশিক ঋণ নিয়েও কিছু করতে পারেনি, যেমন পাকিস্তান। তার অন্যতম কারণ ঋণ ব্যবস্থাপনার অভাব। কতগুলো ভুল করে তারা সমস্যায় পড়েছে, তাই আমাদের বৈদেশিক ঋণের বিষয়ে সাবধান হতে হবে।’ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, ইআরডি সচিব শরীফ খান, পরিকল্পনা সচিব মামুন আল রশীদ, আইএমইডি সচিব আবুহেনা মোরশেদ জামান।

back to top