alt

অর্থ-বাণিজ্য

শুল্ক কমানোর পরও চিনির দাম বেড়েছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক : শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩

রোজা সামনে রেখে সরকার চিনি আমদানিতে শুল্কছাড় দিয়েছিল। কিন্তু রোজা আসার পর শুল্ক ছাড়ের কোন প্রভাব দেখা যাচ্ছে না বাজারে। উল্টো শুল্ক কমানোর পর সরকারি হিসাবে চিনির দাম আরও ২ শতাংশ বেড়েছে। সরকার গত ৭ মাসে চিনির দাম চারবার বেঁধে দিয়েও বাজারের লাগাম টানতে পারেনি। ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে শেষমেশ শুল্ক কমায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এতো কিছুর পরও সরকারের বেঁধে দেয়া দামে চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।

রাজধানীর মৌলভীবাজারে গত বৃহস্পতিবার ৫০ কেজি ওজনের প্রতি বস্তা খোলা চিনি পাইকারিতে ৫ হাজার ৪০০ টাকার কমবেশিতে বিক্রি হয়েছে। এতে প্রতি কেজি চিনির পাইকারি দাম পড়ে ১০৮ টাকা। অথচ সরকারিভাবে খোলা এই চিনির খুচরা দাম বেঁধে দেয়া আছে ১০৭ টাকা। অর্থাৎ পাইকারি বাজারেই সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে বেশি দামে চিনি বিক্রি হচ্ছে। সরকার প্যাকেটজাত চিনির খুচরা মূল্য নির্ধারণ করেছে প্রতি কেজি ১১২ টাকা। কিন্তু এই দাম তো পরের বিষয়, বাজারে প্যাকেটজাত চিনি মিলছেই খুব কম। অবশ্য এখন খোলা চিনির সংকট নেই। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি খোলা ও প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হচ্ছে কমবেশি ১২০ টাকায়।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, বাজারে সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে বেশিতে বিক্রি হচ্ছে চিনি। অর্থাৎ সরকার দাম বেঁধে দেয়ার পাশাপাশি শুল্ক কমালেও বাজারে চিনির দাম আরেক দফা বেড়েছে। শুল্ক কমানোর পরে চিনির দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। টিসিবির হিসাবেই বাজারে এখন প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়।

রাজধানীর মৌলভীবাজারের পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, ‘শুল্ক কমানোর আগে আমরা যে দামে চিনি মিল ফটক থেকে পেতাম, এখনও সেই দামেই পাচ্ছি। শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত আসার পর ১০ দিন অতিবাহিত হলেও চিনির দামে কোন পরিবর্তন নেই।’

অপরদিকে সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব গোলাম রহমান বলেন, ‘এতটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারি মিল থেকে দাম বাড়তি রাখা হচ্ছে না, সরবরাহেও কোন সমস্যা নেই। এরপরও বাড়তি দামে চিনি বিক্রি হলে পাইকারি ও খুচরা বাজারে সরকারের পক্ষ থেকে তদারকি বাড়াতে হবে।’

শুল্ক কমার প্রভাব বাজারে কখন পড়বে তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি মিলমালিকদের প্রতিনিধিরা। তারা বলছেন, চিনির বাজার যখন একটু একটু করে বাড়তে শুরু করেছিল, তখনই সরকারকে চিনি আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক কাঠামো সংস্কারের অনুরোধ করা হয়। সরকার বিষয়টি সেই সময় আমলে নিলে বাজার এতটা চড়তো না। রোজা সামনে রেখে যখন সরকার শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিল, তখন বাজারে প্রভাব পড়ার মতো পরিস্থিতি নেই।

তারা বলেন, চিনি আমদানিতে দুই মাসের বেশি সময় লেগে যায়। নতুন চিনি না এলে বাজারে শুল্ক কমার প্রভাব পড়বে না। গত ১৯ মার্চ সচিবালয়ে ‘দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা-সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের ষষ্ঠ সভা’ শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, চিনির দাম কেজিতে পাঁচ টাকা কমাতে রাজি হয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চিনি আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করেছে। একই সঙ্গে প্রতি টন অপরিশোধিত চিনি আমদানিতে তিন হাজার টাকা এবং পরিশোধিত চিনিতে ছয় হাজার টাকা আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। এই সুবিধা আগামী ৩০ মে পর্যন্ত বহাল থাকবে। এই শুল্ক কাঠামোর মধ্যে আমদানি হওয়া প্রতি কেজি চিনিতে ৫ টাকা দাম কমতে পারে বলে ধারণা ব্যবসায়ীদের। অর্থাৎ এত কিছুর পরও খুব শীঘ্রই প্রতি কেজি চিনি ১০০ টাকার নিচে নামার লক্ষণ নেই। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এ সময়ে বাজারে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। সে হিসাবে গত এক বছরে চিনির দাম ৫০ শতাংশের মতো বেড়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে দেশে বছরে চিনির চাহিদা ১৮ থেকে ২০ লাখ টন। এরমধ্যে শুধু রোজার মাসেই চাহিদা থাকে তিন লাখ টনের। অথচ দেশের সরকারি চিনিকলগুলোতে সব মিলিয়ে উৎপাদন হয় মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টন।

ছবি

জাতীয় স্বার্থে ব্যাংক একীভূত করতে মালিকরা বাধ্য: বিএবি চেয়ারম্যান

ছবি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার, চীনকে পাশে চান প্রতিমন্ত্রী

ছবি

আবার বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম

ছবি

বাড়ল এলপিজির দাম

ছবি

আরসিবিসির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা চলবে

ছবি

ভারত থেকে এ সপ্তাহে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আসবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

ছবি

শুল্ক কমানোর পরও বাড়লো চিনির দাম

ছবি

ডলার-টাকা অদলবদলে বেড়েছে রিজার্ভ

ছবি

ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ

ছবি

রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট মো. ওয়াহিদুজ্জামান, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী ভূইয়া

ছবি

রিজার্ভ বৃদ্ধি ও আর্থিক কাঠামো সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে ‘অফশোর ব্যাংকিং’

ছবি

‘বছরে ২৪০ কোটি ডলারের কৃষিপণ্য নষ্ট’

ছবি

ছয় মাসে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন ৬ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা

ছবি

হল-মার্কের তানভীরের বিরুদ্ধে মামলায় রায় হয়নি

ছবি

নতুন ডেপুটি গভর্নর হয়েছেন খুরশীদ আলম ও ড. হাবিবুর রহমান

ছবি

শেয়ারপ্রতি এক টাকা লভ্যাংশ দেবে ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স

ছবি

রিহ্যাব নির্বাচনে ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের নিরঙ্কুশ জয়

ছবি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ১৫ শতাংশ কর দিতেই হবে: আপিল বিভাগ

ছবি

চার বছরে খেলাপি ঋণ সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসবো: জনতা ব্যাংকের এমডি

ছবি

‘উচ্চ মূল্যস্ফীতি কমানোর পথ খোঁজার তাগিদ’

ছবি

২৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮ হাজার কোটি টাকা

ছবি

মেঘনা পিইটি ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক হলেন ড. মাশরিক

ছবি

আমদানি নির্ভরতা, সিন্ডিকেটের কারণে জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও করের বোঝাটাই সবার কাছে মাথা ব্যথার কারণ

ছবি

রমজানে দ্রব্যমূল্য বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: সালমান এফ রহমান

ছবি

চড়া দামে আটকা বেশিরভাগ নিত্যপণ্য

ছবি

ভারত: চাল রপ্তানিতে শুল্ক আরোপের মেয়াদ বাড়াল ৩১ মার্চ

ছবি

উৎপাদন খরচ বাড়লেও বাড়েনি বইয়ের দাম

ছবি

সয়াবিন তেলের দাম লিটারে কমবে ১০ টাকা

ছবি

অর্থপাচারের ৮০ শতাংশই ব্যাংকিং চ্যানেলে : বিএফআইইউ

ছবি

সূচক বেড়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন চলছে

ছবি

জিআই পণ্যের তালিকা করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

ছবি

দেশ-বিদেশে পর্যটক আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে : পর্যটনমন্ত্রী

ছবি

কৃষি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কমানো, লাভে নেয়াই লক্ষ্য : শওকত আলী খান

ছবি

অস্তিত্বের জন্য বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি সীমাবদ্ধ রাখতে হবে: সাবের হোসেন চৌধুরী

ছবি

ড. ইউনূসের ‘জবরদখলে’র অভিযোগ নিয়ে যা বলল গ্রামীণ ব্যাংক

ছবি

খেজুরের গুড়, মিষ্টি পান ও নকশিকাঁথা পেল জিআই স্বীকৃতি

tab

অর্থ-বাণিজ্য

শুল্ক কমানোর পরও চিনির দাম বেড়েছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩

রোজা সামনে রেখে সরকার চিনি আমদানিতে শুল্কছাড় দিয়েছিল। কিন্তু রোজা আসার পর শুল্ক ছাড়ের কোন প্রভাব দেখা যাচ্ছে না বাজারে। উল্টো শুল্ক কমানোর পর সরকারি হিসাবে চিনির দাম আরও ২ শতাংশ বেড়েছে। সরকার গত ৭ মাসে চিনির দাম চারবার বেঁধে দিয়েও বাজারের লাগাম টানতে পারেনি। ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে শেষমেশ শুল্ক কমায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এতো কিছুর পরও সরকারের বেঁধে দেয়া দামে চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।

রাজধানীর মৌলভীবাজারে গত বৃহস্পতিবার ৫০ কেজি ওজনের প্রতি বস্তা খোলা চিনি পাইকারিতে ৫ হাজার ৪০০ টাকার কমবেশিতে বিক্রি হয়েছে। এতে প্রতি কেজি চিনির পাইকারি দাম পড়ে ১০৮ টাকা। অথচ সরকারিভাবে খোলা এই চিনির খুচরা দাম বেঁধে দেয়া আছে ১০৭ টাকা। অর্থাৎ পাইকারি বাজারেই সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে বেশি দামে চিনি বিক্রি হচ্ছে। সরকার প্যাকেটজাত চিনির খুচরা মূল্য নির্ধারণ করেছে প্রতি কেজি ১১২ টাকা। কিন্তু এই দাম তো পরের বিষয়, বাজারে প্যাকেটজাত চিনি মিলছেই খুব কম। অবশ্য এখন খোলা চিনির সংকট নেই। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি খোলা ও প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হচ্ছে কমবেশি ১২০ টাকায়।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, বাজারে সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে বেশিতে বিক্রি হচ্ছে চিনি। অর্থাৎ সরকার দাম বেঁধে দেয়ার পাশাপাশি শুল্ক কমালেও বাজারে চিনির দাম আরেক দফা বেড়েছে। শুল্ক কমানোর পরে চিনির দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। টিসিবির হিসাবেই বাজারে এখন প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়।

রাজধানীর মৌলভীবাজারের পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, ‘শুল্ক কমানোর আগে আমরা যে দামে চিনি মিল ফটক থেকে পেতাম, এখনও সেই দামেই পাচ্ছি। শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত আসার পর ১০ দিন অতিবাহিত হলেও চিনির দামে কোন পরিবর্তন নেই।’

অপরদিকে সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব গোলাম রহমান বলেন, ‘এতটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারি মিল থেকে দাম বাড়তি রাখা হচ্ছে না, সরবরাহেও কোন সমস্যা নেই। এরপরও বাড়তি দামে চিনি বিক্রি হলে পাইকারি ও খুচরা বাজারে সরকারের পক্ষ থেকে তদারকি বাড়াতে হবে।’

শুল্ক কমার প্রভাব বাজারে কখন পড়বে তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি মিলমালিকদের প্রতিনিধিরা। তারা বলছেন, চিনির বাজার যখন একটু একটু করে বাড়তে শুরু করেছিল, তখনই সরকারকে চিনি আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক কাঠামো সংস্কারের অনুরোধ করা হয়। সরকার বিষয়টি সেই সময় আমলে নিলে বাজার এতটা চড়তো না। রোজা সামনে রেখে যখন সরকার শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিল, তখন বাজারে প্রভাব পড়ার মতো পরিস্থিতি নেই।

তারা বলেন, চিনি আমদানিতে দুই মাসের বেশি সময় লেগে যায়। নতুন চিনি না এলে বাজারে শুল্ক কমার প্রভাব পড়বে না। গত ১৯ মার্চ সচিবালয়ে ‘দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা-সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের ষষ্ঠ সভা’ শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, চিনির দাম কেজিতে পাঁচ টাকা কমাতে রাজি হয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চিনি আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করেছে। একই সঙ্গে প্রতি টন অপরিশোধিত চিনি আমদানিতে তিন হাজার টাকা এবং পরিশোধিত চিনিতে ছয় হাজার টাকা আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। এই সুবিধা আগামী ৩০ মে পর্যন্ত বহাল থাকবে। এই শুল্ক কাঠামোর মধ্যে আমদানি হওয়া প্রতি কেজি চিনিতে ৫ টাকা দাম কমতে পারে বলে ধারণা ব্যবসায়ীদের। অর্থাৎ এত কিছুর পরও খুব শীঘ্রই প্রতি কেজি চিনি ১০০ টাকার নিচে নামার লক্ষণ নেই। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এ সময়ে বাজারে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। সে হিসাবে গত এক বছরে চিনির দাম ৫০ শতাংশের মতো বেড়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে দেশে বছরে চিনির চাহিদা ১৮ থেকে ২০ লাখ টন। এরমধ্যে শুধু রোজার মাসেই চাহিদা থাকে তিন লাখ টনের। অথচ দেশের সরকারি চিনিকলগুলোতে সব মিলিয়ে উৎপাদন হয় মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টন।

back to top