রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়া এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যা আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলছিল। বুধবার বিকাল ৫টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ মধ্যরাত পেরিয়ে রাত ১টাতেও থেমে থেমে চলছিল। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে টিয়ার গ্যাস ও গুলি ছোঁড়ার শব্দ শোনা যাচ্ছিল।
বিক্ষোভকারীদের কারণে হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজাসহ বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগলেও ফায়ার সার্ভিস নিরাপত্তার অভাবে এগুলো নেভাতে পারেনি। বিকালে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাত ১২টার দিকেও যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদীগামী সব সড়ক বন্ধ ছিল এবং রাস্তার দুই পাশে আগুন জ্বলছিল। ডেমরা সড়ক চালু থাকলেও সেখানে ব্যাপক যানজট ছিল।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্থানীয় কিছু মানুষ অতর্কিতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটিয়েছে, যারা শিক্ষার্থী নয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় দুই বছরের একটি শিশুসহ ছয়জন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একজন মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আইসিইউতে আছেন। এছাড়া সিয়াম নামে এক তরুণ গলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাকে নিয়ে আসা লোকজন তাকে নামিয়ে না রেখে চলে যান।
পুলিশ গভীর রাতে সাঁজোয়া যান নিয়ে প্রচুর টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। বিক্ষুব্ধরা বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে, ইট পাটকেল ছুড়ে পুলিশের আক্রমণের জবাব দিচ্ছিল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নিরাপত্তার অভাবে আগুন নেভাতে পারছিল না।
পুলিশ জানায়, বিকাল ৫টার পর ঢাকার যাত্রাবাড়ীর কাছে শনির আখড়ায় পুলিশের ওপর ‘একদল লোক’ অতর্কিতে হামলা চালায়। দুই ঘণ্টার সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। রাত ৯টার পর থেকে ওই এলাকায় লোকজন জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। পুলিশের ওয়ারী বিভাগের এডিসি মো. আলাউদ্দীন জানান, বিকাল সোয়া ৫টার দিকে কিছু ‘উচ্ছৃঙ্খল লোক’ এসে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে পুলিশের চার সদস্য গুরুতর আহত হন। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পর সংঘর্ষ দুই ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে।
পুলিশের ওয়ারী বিভাগের ডিসি ইকবাল হোসাইন বলেন, “শনির আখড়ায় সংঘাতে লিপ্ত ব্যক্তিরা শিক্ষার্থী নয়।” যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন জানান, হামলাকারীরা পুলিশের ওপর হামলা ছাড়াও বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের ছোড়া গুলিতে আহত সাতজন ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি হন।
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়া এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যা আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলছিল। বুধবার বিকাল ৫টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ মধ্যরাত পেরিয়ে রাত ১টাতেও থেমে থেমে চলছিল। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে টিয়ার গ্যাস ও গুলি ছোঁড়ার শব্দ শোনা যাচ্ছিল।
বিক্ষোভকারীদের কারণে হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজাসহ বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগলেও ফায়ার সার্ভিস নিরাপত্তার অভাবে এগুলো নেভাতে পারেনি। বিকালে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাত ১২টার দিকেও যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদীগামী সব সড়ক বন্ধ ছিল এবং রাস্তার দুই পাশে আগুন জ্বলছিল। ডেমরা সড়ক চালু থাকলেও সেখানে ব্যাপক যানজট ছিল।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্থানীয় কিছু মানুষ অতর্কিতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটিয়েছে, যারা শিক্ষার্থী নয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় দুই বছরের একটি শিশুসহ ছয়জন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একজন মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আইসিইউতে আছেন। এছাড়া সিয়াম নামে এক তরুণ গলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাকে নিয়ে আসা লোকজন তাকে নামিয়ে না রেখে চলে যান।
পুলিশ গভীর রাতে সাঁজোয়া যান নিয়ে প্রচুর টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। বিক্ষুব্ধরা বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে, ইট পাটকেল ছুড়ে পুলিশের আক্রমণের জবাব দিচ্ছিল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নিরাপত্তার অভাবে আগুন নেভাতে পারছিল না।
পুলিশ জানায়, বিকাল ৫টার পর ঢাকার যাত্রাবাড়ীর কাছে শনির আখড়ায় পুলিশের ওপর ‘একদল লোক’ অতর্কিতে হামলা চালায়। দুই ঘণ্টার সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। রাত ৯টার পর থেকে ওই এলাকায় লোকজন জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। পুলিশের ওয়ারী বিভাগের এডিসি মো. আলাউদ্দীন জানান, বিকাল সোয়া ৫টার দিকে কিছু ‘উচ্ছৃঙ্খল লোক’ এসে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে পুলিশের চার সদস্য গুরুতর আহত হন। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পর সংঘর্ষ দুই ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে।
পুলিশের ওয়ারী বিভাগের ডিসি ইকবাল হোসাইন বলেন, “শনির আখড়ায় সংঘাতে লিপ্ত ব্যক্তিরা শিক্ষার্থী নয়।” যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন জানান, হামলাকারীরা পুলিশের ওপর হামলা ছাড়াও বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের ছোড়া গুলিতে আহত সাতজন ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি হন।