alt

নগর-মহানগর

‘সিটিং সার্ভিস’ বন্ধে রাস্তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক : রোববার, ১৪ নভেম্বর ২০২১

ঢাকার রাস্তায় গণপরিবহনে ‘সিটিং সার্ভিসের’ নামে অনিয়ম বন্ধে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিববহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ অন্যান্য অভিযোগের বিরুদ্ধেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর এ অভিযানে সহায়তা করছে পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনও।

বিআরটিএর পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মো. সরওয়ার আলম রোববার সকালে বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে তাদের আটটি এবং জেলা প্রশাসনের দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত ঢাকার বিভিন্ন স্থানে কাজ করছে।

“সিটিং সার্ভিস, গেটলকের নামে কেউ যেন অতিরিক্ত ভাড়া না নেয়, তা নিশ্চিত করা হবে। আমাদের প্রায়োরিটি কেউ যেন অতিরিক্ত ভাড়া নিতে না পারে। এক টাকা বেশি ভাড়া নিলেও আমরা ধরছি। এছাড়া অন্য কোনো সমস্যা থাকলেও সেটাও দেখছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।”

ডিজেলের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ানোর পর মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে গত ৭ নভেম্বর বাসভাড়া ২৭ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দেয় সরকার।

পরদিন থেকে সেই ভাড়া কার্যকর হয়, কিন্তু ঢাকার রাস্তায় বাস ও মিনিবাসে তার চেয়েও বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ আসতে থাকে। এই অনিয়ম বন্ধে ১০ নভেম্বর থেকেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু হয়।

সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি গত বুধবার ঘোষণা দেয়, ঢাকায় ‘সিটিং সার্ভিস’ ও ‘গেইট লক’ বলেও কিছু থাকবে না।

সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ সেদিন বলেছিলেন, তিনদিন পর থেকে এ বিষয়ে বিআরটিএর সহায়তায় ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হবে।

কিছু বাস আসন সংখ্যার সমান যাত্রী পরিবহন করে নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করে। এসব বাসের গায়ে লেখা থাকে ‘সিটিং সার্ভিস। আবার এসব বাস নির্ধারিত স্টপেজ ছাড়া থামে না বলে কখনও কখনও বলা হয় ‘গেইটলক সার্ভিস’।

বাসের ৯৫ শতাংশ আসনে যাত্রী থাকবে, ৫ শতাংশ সিট খালি থাকবে হিসাব ধরেই বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। সেখানে সব বাসই সিটিং হওয়ার কথা, দাঁড়িয়ে কোনো যাত্রী যাওয়ার কথা নয়।

এর আগে ২০১৭ সালেও সিটিং সার্ভিস বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেই উদ্যোগ আর কার্যকর হয়নি।

খন্দকার এনায়েত উল্যাহ রোববার বলেন, আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে সহায়তা করতে মালিক-শ্রমিকরাও মাঠে রয়েছেন।

“আমাদের ঘোষণা ছিল ‘সিটিং সার্ভিস’ ও ‘গেইট লক’ নামে কিছু থাকবে না। এজন্য বিআরটিএকে সহায়তা করতে আমরা মাঠে আছি।”

হাফ ভাড়া আদায়ে তদারকি কমিটি গঠন বিআরটিসির

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে পাঁচ হাজার শয্যায় উন্নীত করা হবে

ছবি

বৃষ্টি উপেক্ষা করে সড়কে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

ছবি

শাহ আমানতে পিসিআর ল্যাব বসাতে ৪ প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি

ছবি

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের কফিন মিছিল

ছবি

সব মহানগরেই বাসে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হাফ’ ভাড়ার ঘোষণা

ছবি

লাল কার্ড হাতে সড়কে শিক্ষার্থীরা

ছবি

ঢামেকে ময়লার স্তূপ থেকে ৮ মাসের শিশুর মরদেহ উদ্ধার

ছবি

রাজধানীতে বিআরটিএ’র সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচি

ছবি

রাজধানীতে লরি চাপায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত

ছবি

পুলিশের বিরুদ্ধে গায়ে হাত তোলার অভিযোগ এক শিক্ষার্থীর

ছবি

ঢাকার শেওড়াপাড়ায় গুলিতে যুবক আহত

ছবি

সড়কে শিক্ষার্থীদের দাঁড়াতে পুলিশের বাধা

ছবি

এবার এক নারীকে ধাক্কা দিলো ডিএনসিসির ময়লার গাড়ি

ছবি

অর্ধেক ভাড়া পুরোপুরি কার্যকর হয়নি

ছবি

গণপরিবহনে হাফ ভাড়া চান চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীরাও

ছবি

ঢাকায় আজ থেকে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

ছবি

রামপুরায় ১২টি বাস বিধ্বস্ত অবস্থায় পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস

ছবি

রামপুরায় শিক্ষার্থীদের রাস্তা অবরোধ

ছবি

রামপুরায় শিক্ষার্থী চাপা দেয়া বাসচালক আটক

ছবি

হাফ পাস দাবিতে শাহবাগ অবরোধ : পুলিশের বাধা

ছবি

৯ দফা দাবিতে রাজধানীজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ছবি

ধানমণ্ডিতে ফের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

ছবি

চট্টগ্রামে ৪ কোটি টাকার ইয়াবাসহ আটক ১

ছবি

হাফ পাসের প্রজ্ঞাপন চেয়ে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিলেন শিক্ষার্থীরা

ছবি

আজ থেকে ঢাকায় ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে টিকাদান শুরু

ছবি

মুগদায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন: দগ্ধ মা-ছেলের মৃত্যু

ছবি

আজ রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

ছবি

মুগদায় একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ

ছবি

ছাত্রী‌কে ধর্ষ‌ণের হুম‌কি : শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

ছবি

নাটোর জেলা সমিতি ঢাকা’র বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ছবি

বাবার কাছেই থাকতে চাইছে ওই তিন বোন : পুলিশ

ছবি

সাইন্সল্যাবে হাফ ভাড়া না নেওয়ায় গাড়ি ভাঙচুর, সড়ক অবরোধ

ছবি

টাকা-স্বর্ণালংকারসহ টিকটকে আসক্ত ৩ বোন নিখোঁজ

ছবি

রাজধানীর যেসব মার্কেট, দর্শনীয় স্থান বন্ধ আজ

ছবি

ভয়ংকর মাদক আইস-হেরোইনসহ ১২৪ জনকে আটক

tab

নগর-মহানগর

‘সিটিং সার্ভিস’ বন্ধে রাস্তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

রোববার, ১৪ নভেম্বর ২০২১

ঢাকার রাস্তায় গণপরিবহনে ‘সিটিং সার্ভিসের’ নামে অনিয়ম বন্ধে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিববহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ অন্যান্য অভিযোগের বিরুদ্ধেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর এ অভিযানে সহায়তা করছে পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনও।

বিআরটিএর পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মো. সরওয়ার আলম রোববার সকালে বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে তাদের আটটি এবং জেলা প্রশাসনের দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত ঢাকার বিভিন্ন স্থানে কাজ করছে।

“সিটিং সার্ভিস, গেটলকের নামে কেউ যেন অতিরিক্ত ভাড়া না নেয়, তা নিশ্চিত করা হবে। আমাদের প্রায়োরিটি কেউ যেন অতিরিক্ত ভাড়া নিতে না পারে। এক টাকা বেশি ভাড়া নিলেও আমরা ধরছি। এছাড়া অন্য কোনো সমস্যা থাকলেও সেটাও দেখছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।”

ডিজেলের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ানোর পর মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে গত ৭ নভেম্বর বাসভাড়া ২৭ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দেয় সরকার।

পরদিন থেকে সেই ভাড়া কার্যকর হয়, কিন্তু ঢাকার রাস্তায় বাস ও মিনিবাসে তার চেয়েও বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ আসতে থাকে। এই অনিয়ম বন্ধে ১০ নভেম্বর থেকেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু হয়।

সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি গত বুধবার ঘোষণা দেয়, ঢাকায় ‘সিটিং সার্ভিস’ ও ‘গেইট লক’ বলেও কিছু থাকবে না।

সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ সেদিন বলেছিলেন, তিনদিন পর থেকে এ বিষয়ে বিআরটিএর সহায়তায় ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হবে।

কিছু বাস আসন সংখ্যার সমান যাত্রী পরিবহন করে নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করে। এসব বাসের গায়ে লেখা থাকে ‘সিটিং সার্ভিস। আবার এসব বাস নির্ধারিত স্টপেজ ছাড়া থামে না বলে কখনও কখনও বলা হয় ‘গেইটলক সার্ভিস’।

বাসের ৯৫ শতাংশ আসনে যাত্রী থাকবে, ৫ শতাংশ সিট খালি থাকবে হিসাব ধরেই বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। সেখানে সব বাসই সিটিং হওয়ার কথা, দাঁড়িয়ে কোনো যাত্রী যাওয়ার কথা নয়।

এর আগে ২০১৭ সালেও সিটিং সার্ভিস বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেই উদ্যোগ আর কার্যকর হয়নি।

খন্দকার এনায়েত উল্যাহ রোববার বলেন, আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে সহায়তা করতে মালিক-শ্রমিকরাও মাঠে রয়েছেন।

“আমাদের ঘোষণা ছিল ‘সিটিং সার্ভিস’ ও ‘গেইট লক’ নামে কিছু থাকবে না। এজন্য বিআরটিএকে সহায়তা করতে আমরা মাঠে আছি।”

back to top