alt

নগর-মহানগর

মুগদা ও আশপাশের এলাকায় গ্যাস সংকট চরমে

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

রাজধানীর মুগদা ও এর আশপাশের এলাকায় গ্যাস সংকট চরমে। মুগদা, মদিনাবাগ ও মান্ডা এলাকায় দিনের বেশিরভাগ সময়ই গ্যাস থাকে না। এ বিষয়ে বার বার তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিলেও পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না।

দক্ষিণ মুগদাপাড়ার বেসরকারি সংগঠন ‘শাহবুদ্দিন-আছিয়া ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান আহমেদুল কবির জাকির জানিয়েছেন, ‘রান্নাসহ আনুষঙ্গিক কাজে মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মধ্যবিত্তরা অনেকে সিলিন্ডার গ্যাস দিয়ে সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছেন। আবার নিম্নবৃত্তদের দোকান, হোটেল থেকে খাবার কিনে নিয়ে যেতে হচ্ছে। এ সংকট সমাধানে এলাকাবাসী দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।’

জানা গেছে, মুগদায় অনেক দিন ধরেই গ্যাস সংকট। বিশেষ করে দক্ষিণ মুগদার ব্যাংক কলোনিতে গত ছয় মাস ধরে গ্যাস সংকট চলছে। সকাল ৬টায় গ্যাস চলে যাওয়ার পর দিনে আর গ্যাস থাকে না। রাত ১১টার পর গ্যাস আসলেও পাইপ দিয়ে এক ঘণ্টার মতো পানি পড়ে তারপর গ্যাস পাওয়া যায়।

আহমেদুল কবির জাকির বলেন, ‘আমাদের এলাকার গ্যাস পাইপ লাইনটি ১৯৮০ সালে স্থাপন করা হয়। তখন ছিল এক ইঞ্চির পাইপ। এলাকায় তখন ১০-১২টি বাড়ি ছিল। এখন এলাকায় ৭৪টি বাড়ি এবং প্রায় ৬০০ পরিবার বসবাস করে।’

তিনি জানান, গ্যাস সংকট হলে ২০০৯ সালে এলাকাবাসীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিতাস কতর্তৃপক্ষ তিন বছর পর ২০১৩ সালে এলাকায় তিন ইঞ্চির পাইপ স্থাপন করে। কিন্তু তারা আগের এক ইঞ্চির পাইপের সঙ্গে (তিন জায়গায় টাই করে) এ লাইন সংযুক্ত করে দেয়। এতে পুরোনো এক ইঞ্চির পাইপ দিয়েই বাড়িগুলোতে গ্যাস যায়। নতুন পাইপ লাগানোর পর বেশ কয়েক বছর ভালোই চলছিল। কিন্তু বর্তমানে আগের সেই এক ইঞ্চির পাইপ লাইন প্রায়ই অকেজো হয়ে গেছে। এ কারণে গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

জানা গেছে, গ্যাস সংকটের কারণে স্থানীয় লোকজনকে হোটেল থেকে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে। অনেকে দোকান থেকে পাউরুটি কিনে খেয়েও দিন পার করছেন। মদিনাবাগে গত ছয় মাস ধরেই এলাকায় গ্যাস সংকট চলছে।

আহমেদুল কবির বলেন, ‘ছেলেমেয়েরা সকালে স্কুলে যায়; কিন্তু তাদের নাস্তাও ঠিকমতো বানানো যায় না। দুপুরে রান্না করা যায় না। রান্না করতে হয় রাতে। মহিলাদের রাত জেগে রান্না করতে হচ্ছে। আগে দেখতাম শীতকালে গ্যাস সংকট হয়, এখন দেখছি গরমকালেও গ্যাস সংকট। এভাবে কতদিন চলা যায়। এর একটা সুরাহা হওয়া প্রয়োজন।’

করোনা আক্রান্ত ডিএনসিসির মেয়র আতিক

কামরাঙ্গীরচরে ভেজাল প্রসাধনীসহ গ্রেপ্তার ৭

রাজধানীতে পলিথিন ব্যবসায়ীকে অজ্ঞান করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে

বাংলাদেশে সম্প্রীতির উজ্জ্বল নজির রয়েছে : আইজিপি

ছবি

তৃতীয়বার করোনায় আক্রান্ত মেয়র আতিক

ছবি

গুলিস্তানে দুই বাসের চাপায় নারীর মৃত্যু

ছবি

ভিকারুননিসার অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে নোটিশ

১৫ বছর ধরে বিমানবন্দরে সক্রিয় এক ‘অজ্ঞান পার্টি’

ছবি

বাসায় পড়েছিল অর্ধগলিত লাশ, পুলিশ বলছে হত্যাকাণ্ড

ছবি

অনলাইনে কর পরিশোধে ১০ শতাংশ ছাড় দেবে ডিএনসিসি

ছবি

পরিবাগে ছুরিকাঘাতে তৃতীয় লিঙ্গের একজন নিহত

ছবি

বর্জ্য রিসাইকেল করার লক্ষ্যে কর্ডএইডকে তহবিল সহায়তা দিচ্ছে কোকা-কোলা ফাউন্ডেশন

ছবি

উত্তরায় হোটেল থেকে ব্রিটিশ নাগরিকের লাশ উদ্ধার

ছবি

রাজধানীতে অচেতন অবস্থায় তরুণী উদ্ধার, ধর্ষণের অভিযোগ

ছবি

শেখ হাসিনা নারী জাগরণে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন: আইভী

ছবি

রাজধানীতে ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

‘স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরা সাম্প্রাদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত’

ছবি

সমাবেশের আগেই হাজারীবাগে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ

ছবি

মোহাম্মদপুরে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

ছবি

দেশে বর্তমানে ১৩ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

ছবি

বংশালে সাততলা থেকে পড়ে উদয়নের শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ছবি

বুয়েট এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ১

ছবি

ডিএমপির ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি

ছবি

‘হিডেন হেরিটেজ: হোমস ইন ঢাকা’ প্রকল্পের উন্মোচন

ছবি

রাজধানীতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে গৃহবধূর মৃত্যু!

ছবি

পুরান ঢাকায় আগুনে পুড়ল দুই দোকান

ছবি

চার্জশিটে একাধিক সন্ত্রাসী ও আ’লীগ নেতার নাম থাকতে পারে

ছবি

সড়ক ও ফুটপাতে রাখা নির্মাণসামগ্রী নিলামে তুলে বিক্রি

ছবি

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৩৯

বিএনপির ২ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

ছবি

সিআইডি পরিচয়ে তুলে নেয়া চিকিৎসক শাকির সিটিটিসি হেফাজতে

শাহজাহানপুরে কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু, আত্মহত্য বলে পুলিশের ধারণা

ছবি

শিক্ষার্থী নিহত, নিরাপদ সড়কের দাবিতে বিক্ষোভ

ছবি

দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে না পারলে আগামী দিনে পিছিয়ে পড়তে হবে: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক

ছবি

বিমানের সিটের নিচে দেড় কোটি টাকার স্বর্ণ

ছবি

ফার্মগেটে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

tab

নগর-মহানগর

মুগদা ও আশপাশের এলাকায় গ্যাস সংকট চরমে

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

রাজধানীর মুগদা ও এর আশপাশের এলাকায় গ্যাস সংকট চরমে। মুগদা, মদিনাবাগ ও মান্ডা এলাকায় দিনের বেশিরভাগ সময়ই গ্যাস থাকে না। এ বিষয়ে বার বার তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিলেও পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না।

দক্ষিণ মুগদাপাড়ার বেসরকারি সংগঠন ‘শাহবুদ্দিন-আছিয়া ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান আহমেদুল কবির জাকির জানিয়েছেন, ‘রান্নাসহ আনুষঙ্গিক কাজে মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মধ্যবিত্তরা অনেকে সিলিন্ডার গ্যাস দিয়ে সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছেন। আবার নিম্নবৃত্তদের দোকান, হোটেল থেকে খাবার কিনে নিয়ে যেতে হচ্ছে। এ সংকট সমাধানে এলাকাবাসী দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।’

জানা গেছে, মুগদায় অনেক দিন ধরেই গ্যাস সংকট। বিশেষ করে দক্ষিণ মুগদার ব্যাংক কলোনিতে গত ছয় মাস ধরে গ্যাস সংকট চলছে। সকাল ৬টায় গ্যাস চলে যাওয়ার পর দিনে আর গ্যাস থাকে না। রাত ১১টার পর গ্যাস আসলেও পাইপ দিয়ে এক ঘণ্টার মতো পানি পড়ে তারপর গ্যাস পাওয়া যায়।

আহমেদুল কবির জাকির বলেন, ‘আমাদের এলাকার গ্যাস পাইপ লাইনটি ১৯৮০ সালে স্থাপন করা হয়। তখন ছিল এক ইঞ্চির পাইপ। এলাকায় তখন ১০-১২টি বাড়ি ছিল। এখন এলাকায় ৭৪টি বাড়ি এবং প্রায় ৬০০ পরিবার বসবাস করে।’

তিনি জানান, গ্যাস সংকট হলে ২০০৯ সালে এলাকাবাসীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিতাস কতর্তৃপক্ষ তিন বছর পর ২০১৩ সালে এলাকায় তিন ইঞ্চির পাইপ স্থাপন করে। কিন্তু তারা আগের এক ইঞ্চির পাইপের সঙ্গে (তিন জায়গায় টাই করে) এ লাইন সংযুক্ত করে দেয়। এতে পুরোনো এক ইঞ্চির পাইপ দিয়েই বাড়িগুলোতে গ্যাস যায়। নতুন পাইপ লাগানোর পর বেশ কয়েক বছর ভালোই চলছিল। কিন্তু বর্তমানে আগের সেই এক ইঞ্চির পাইপ লাইন প্রায়ই অকেজো হয়ে গেছে। এ কারণে গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

জানা গেছে, গ্যাস সংকটের কারণে স্থানীয় লোকজনকে হোটেল থেকে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে। অনেকে দোকান থেকে পাউরুটি কিনে খেয়েও দিন পার করছেন। মদিনাবাগে গত ছয় মাস ধরেই এলাকায় গ্যাস সংকট চলছে।

আহমেদুল কবির বলেন, ‘ছেলেমেয়েরা সকালে স্কুলে যায়; কিন্তু তাদের নাস্তাও ঠিকমতো বানানো যায় না। দুপুরে রান্না করা যায় না। রান্না করতে হয় রাতে। মহিলাদের রাত জেগে রান্না করতে হচ্ছে। আগে দেখতাম শীতকালে গ্যাস সংকট হয়, এখন দেখছি গরমকালেও গ্যাস সংকট। এভাবে কতদিন চলা যায়। এর একটা সুরাহা হওয়া প্রয়োজন।’

back to top