নোয়াখালীর সদর উপজেলার চর মটুয়ায় যুগ লীগ নেতা শহীদক পিটিয়ে হত্যা ও আরো ৩ যুবলীগ নেতাকে গুরুত্বর আহত করেছে উশৃংখল জনতা। তবে পুলিশ বলছে, নিহত যুবক আগে থেকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সাথে জড়িত ছিল। এদিকে,শহীদকে রশি দিয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় বেধড়ক পেটানোর ১ মিনিট ৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহীদের মৃত্যু হয়। এরআগে, একই দিন দুপুর আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের সূর্যনারায়ন বহরস্থ এক বাড়ি থেকে ৪ যুবককে এলাকার শাজাহান, মিয়া ডাকাত,কুদ্দুছ ডাক্তার,আঃ জলিল, ওয়াহাব,দামড়া শাজাহান,নাছির, নাছিরা,আবু নাসের, মোল্লা,শহীদ, সহ ১৫/২০ জন স্হানীয় এক সেনা সদস্যের খালী বাড়ি থেকে আটক করে রশিদিয়ে বেঁধে গন পিটুনি দিয়ে মারাত্মক আহত করে।পরে যৌথ বাহিনী ঘটনা স্হলে গেলে হামলা কারীরা একটি দেশীয় তৈরি পাইপগান দিয়ে যৌথ বাহিনীর নিকট হস্তান্তর করে। সন্ধ্যাদিকে চর মটুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সহ সভাপতি আব্দুস শহীদ মারা যায়। মো. আব্দুস শহীদ (৪৩) উপজেলার পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের চরমটুয়া গ্রামের মমিন উল্যাহ মুন্সির ছেলে। এদিকে পুলিশ জানায়
দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ইসমাইল মুহুরী বাড়িতে স্থানীয় ছাত্র জনতা ঘেরাও করে ১টি পাইপগানসহ আব্দুস শহীদ (৪৩) মো.জামাল হোসেন (৪২) মো.জাবেদ (২৮) ও মো.রিয়াদ হোসেন (৩৬) নামে ৪ যুবককে আটক করে বেধড়ক মারধর করে। খবর পেয়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ১টি পাইপগানসহ ৪ যুবককে আটক করে সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করে। পরে আহত শহীদকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে এ বিষয়ে জানতে নিহতের স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, সরকার পরিবর্তনের পর শহীদ সহ তা সহযোগিরা এলাকা থেকে আত্মগোপনে চলে যায়।গত দুদিন আগে পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়সাল বারী চৌধুরী তাদেরকে অভয় দিয়ে এলাকায় ফিরিয়ে আনে। এর একদিন পরেই বিএনপি তাদের পিটিয়ে হত্যা করে।
অপরদিকে, নিহত যুবক মো. আব্দুস শহীদকে পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি দাবি করেছে আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি থেকে জানানো হয়েছে, আব্দুস শহীদকে পিটিয়ে মেরেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। শহীদের মৃত্যুর আগে তাকে হাসপাতালে না নিয়ে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ততক্ষণে তার জীবন প্রায় নাই বললেই চলে।
ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, পাকা মেঝেতে হাত ও হাতের বাহু বাঁধা অবস্থায় পেলে রেখে শহদীকে ভারী লাঠি দিয়ে পুরো পায়ের মাংসপেশিতে নির্মমভাবে পিটাচ্ছে এক যুবক। আরেক ব্যক্তির এক হাতে মুঠোফোন অন্য হাত দিয়ে শহীদের হাতে বাঁধা রশি খুলছে। এরপর লাঠি হাতে থাকা যুবক তাকে মাথায়,মুখে লাথি মারছে।
জানতে চাইলে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান বলেন, বিএনপির লোকজন এ ঘটনায় জড়িত কথাটা ঠিক নয়। সে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ছিল। স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে মারধর করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করে।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন,ছাত্র জনতা ঘেরাও করে ৪ জন সন্ত্রাসীকে আটক করে। শহীদ গণপিটুনিতে আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। আটককৃতরা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সাথে জড়িত ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান,এ ঘটনায় এলাকার দফাদার বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা ও পুলিশ বাদি হয়ে একটি অস্র আইনে মামলা হয়েছে।
রোববার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
নোয়াখালীর সদর উপজেলার চর মটুয়ায় যুগ লীগ নেতা শহীদক পিটিয়ে হত্যা ও আরো ৩ যুবলীগ নেতাকে গুরুত্বর আহত করেছে উশৃংখল জনতা। তবে পুলিশ বলছে, নিহত যুবক আগে থেকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সাথে জড়িত ছিল। এদিকে,শহীদকে রশি দিয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় বেধড়ক পেটানোর ১ মিনিট ৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহীদের মৃত্যু হয়। এরআগে, একই দিন দুপুর আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের সূর্যনারায়ন বহরস্থ এক বাড়ি থেকে ৪ যুবককে এলাকার শাজাহান, মিয়া ডাকাত,কুদ্দুছ ডাক্তার,আঃ জলিল, ওয়াহাব,দামড়া শাজাহান,নাছির, নাছিরা,আবু নাসের, মোল্লা,শহীদ, সহ ১৫/২০ জন স্হানীয় এক সেনা সদস্যের খালী বাড়ি থেকে আটক করে রশিদিয়ে বেঁধে গন পিটুনি দিয়ে মারাত্মক আহত করে।পরে যৌথ বাহিনী ঘটনা স্হলে গেলে হামলা কারীরা একটি দেশীয় তৈরি পাইপগান দিয়ে যৌথ বাহিনীর নিকট হস্তান্তর করে। সন্ধ্যাদিকে চর মটুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সহ সভাপতি আব্দুস শহীদ মারা যায়। মো. আব্দুস শহীদ (৪৩) উপজেলার পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের চরমটুয়া গ্রামের মমিন উল্যাহ মুন্সির ছেলে। এদিকে পুলিশ জানায়
দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ইসমাইল মুহুরী বাড়িতে স্থানীয় ছাত্র জনতা ঘেরাও করে ১টি পাইপগানসহ আব্দুস শহীদ (৪৩) মো.জামাল হোসেন (৪২) মো.জাবেদ (২৮) ও মো.রিয়াদ হোসেন (৩৬) নামে ৪ যুবককে আটক করে বেধড়ক মারধর করে। খবর পেয়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ১টি পাইপগানসহ ৪ যুবককে আটক করে সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করে। পরে আহত শহীদকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে এ বিষয়ে জানতে নিহতের স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, সরকার পরিবর্তনের পর শহীদ সহ তা সহযোগিরা এলাকা থেকে আত্মগোপনে চলে যায়।গত দুদিন আগে পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়সাল বারী চৌধুরী তাদেরকে অভয় দিয়ে এলাকায় ফিরিয়ে আনে। এর একদিন পরেই বিএনপি তাদের পিটিয়ে হত্যা করে।
অপরদিকে, নিহত যুবক মো. আব্দুস শহীদকে পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি দাবি করেছে আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি থেকে জানানো হয়েছে, আব্দুস শহীদকে পিটিয়ে মেরেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। শহীদের মৃত্যুর আগে তাকে হাসপাতালে না নিয়ে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ততক্ষণে তার জীবন প্রায় নাই বললেই চলে।
ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, পাকা মেঝেতে হাত ও হাতের বাহু বাঁধা অবস্থায় পেলে রেখে শহদীকে ভারী লাঠি দিয়ে পুরো পায়ের মাংসপেশিতে নির্মমভাবে পিটাচ্ছে এক যুবক। আরেক ব্যক্তির এক হাতে মুঠোফোন অন্য হাত দিয়ে শহীদের হাতে বাঁধা রশি খুলছে। এরপর লাঠি হাতে থাকা যুবক তাকে মাথায়,মুখে লাথি মারছে।
জানতে চাইলে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান বলেন, বিএনপির লোকজন এ ঘটনায় জড়িত কথাটা ঠিক নয়। সে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ছিল। স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে মারধর করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করে।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন,ছাত্র জনতা ঘেরাও করে ৪ জন সন্ত্রাসীকে আটক করে। শহীদ গণপিটুনিতে আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। আটককৃতরা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সাথে জড়িত ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান,এ ঘটনায় এলাকার দফাদার বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা ও পুলিশ বাদি হয়ে একটি অস্র আইনে মামলা হয়েছে।