alt

অপরাধ ও দুর্নীতি

ভবন হস্তান্তর : তুরিন আফরোজকে শোকজ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : মঙ্গলবার, ১৪ জুন ২০২২

রাজধানীর উত্তরায় পাঁচতলা বাড়ির দখল কেন শামসুন্নাহার বেগম ও তাঁর ছেলে শাহনেওয়াজ আহমেদকে দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) সাবেক প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজকে কারণ দর্শাতে বলেছেন আদালত। ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম জেলা জজ জি এম নজমুছ শাহাদাৎ গত সোমবার এই আদেশ দেন। শামসুন্নাহারের আইনজীবী মনজুর রাব্বি রাব্বি গতকাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শামসুন্নাহার বেগম তুরিন আফরোজের মা আর শাহনেওয়াজ তাঁর একমাত্র ভাই। মামলার কাগজপত্রের তথ্য বলছে, পাঁচ বছর আগে (২০১৭ সালের ১১ মে) তুরিন আফরোজ তাঁর মা ও ভাইকে বিবাদী করে ঢাকার দেওয়ানি আদালতে মামলা করেন।

মামলার আরজিতে তিনি দাবি করেন, উত্তরার সম্পত্তির মালিক তিনি নিজে, তিনি দখলে রয়েছেন। তাঁর ভাই শাহনেওয়াজ ও শামসুন্নাহার ওই সম্পত্তির মালিক নন। বরং বাড়ির দখল নেওয়ার জন্য তাঁরা বেআইনি পদক্ষেপ নেন। পরের বছর (২০১৮ সাল) বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উত্তরার সম্পত্তিতে স্থিতাবস্থা দেন আদালত। অবশ্য তুরিনের দাবিতে আপত্তি তুলে ২০১৮ সালের ৫ এপ্রিল লিখিত জবাব দেন শামসুন্নাহার ও শাহনেওয়াজ।

শামসুন্নাহারের আইনজীবী মনজুর রাব্বি সাংবাদিকদের বলেন, উত্তরার বাড়িতে স্থিতাবস্থার আদেশ বাতিল এবং বাড়ির দখলের নির্দেশনা চেয়ে শামসুন্নাহারের মায়ের পক্ষে আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি নিয়ে আদেশে দিয়েছেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, উত্তরায় বাড়ির স্থিতাবস্থার আদেশ কেন বাতিল হবে না এবং কেন বাড়ির দখল শামসুন্নাহার ও তাঁর ছেলে শাহনেওয়াজকে দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ১০ দিনের মধ্যে তুরিন আফরোজকে কারণ দর্শাতে বলেছেন আদালত।

মামলার আরজিতে তুরিন আফরোজ দাবি করেছেন, তুরিনের মা শামসুন্নাহার ১৯৯১ সালে ক্রয়সূত্রে উত্তরার সম্পত্তির মালিক হন। পরের বছর ১৯৯২ সালে শামসুন্নাহার তাঁর স্বামী তসলিম উদ্দিনকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিযুক্ত করেন। পরে ১৯৯৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তসলিম উদ্দিন মেয়ে তুরিন আফরোজকে হেবা (দানপত্র) করেন। তবে শামসুন্নাহার ও তাঁর ছেলে শাহনেওয়াজ আদালতে লিখিত জবাব দিয়ে বলেছেন, তসলিম উদ্দিন কখনো তাঁর মেয়ে তুরিন আফরোজকে উত্তরার সম্পত্তি দান করেননি। বরং শামসুন্নাহার তাঁর ছেলে শাহনেওয়াজকে উত্তরার সম্পত্তি ১৯৯৭ সালে হেবা করেন। পরে তিনি ঋণ নিয়ে বাড়ি তৈরি করেন এবং ভোগ দখলে ছিলেন।

সোনাইমুড়ীতে আ’লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-৯

অর্থ আত্মসাৎ : গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু

ছবি

ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি পিন্টু

ছবি

পদ্মা সেতু নিয়ে গুজবের শিকার রেনুর পরিবার কেমন আছে

ছবি

মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে বেশি দামে বিক্রি করত তারা

হাতিয়ার মেঘনাপাড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

১৮ বছর পর গৃহবধূ গণধর্ষণ মামলার রায় : ২ জনের যাবজ্জীবন

ছবি

মুক্তিযোদ্ধা হোসেন হত্যা: ৬ জেএমবির ফাঁসির রায়

ছবি

অর্থ আত্মসাৎ: ওয়াসার এমডিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

র‌্যাবকে ঘুষ দিতে গিয়ে মামলার আসামি

মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে সোয়াবিন ভর্তি ট্রাক ছিনতাই

ছবি

১৫ পর কৃষক হত্যার রায়, ৮ জনের যাবজ্জীবন

ময়মনসিংহের ছোট ভাইয়ের দায়ের কোপে বড় ভাই নিহত

ছবি

‘এমন আচরণ রাষ্ট্রের জন্য কলঙ্ক’

সিরাজগঞ্জে হেরোইন বহনের দায়ে দু’জনের যাবজ্জীবন

ছবি

সাতক্ষীরায় আ. লীগ নেতা মোশাররফ হোসেন গুলিবিদ্ঘধ, হাসপাতালে ভর্তি

পাবনা জেনারেল হাসপাতালে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সামগ্রী ক্রয়ে দুর্নীতি!

ছবি

নন্দীগ্রামের জীবন কুমারের আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

ছবি

হানিফের হেলপার নিহতের ঘটনায় শতাব্দীর বাসচালক গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে অটোরিকশা চোর চক্রের ৯সদস্য গ্রেপ্তার

পুলিশ পরিচয়ে বিদেশ ফেরত যাত্রীর গাড়িতে ডাকাতি সর্বস্ব লুট

ছবি

ড. কামালের কর ফাঁকি নিয়ে রিটের আদেশ ২১ জুন

ছবি

উত্তরা থেকে ‘ধর্ষক’ গ্রেপ্তার

সাইবার অপরাধ বাড়ছে, ৬ মাসে ৪ হাজার অভিযোগ

যুক্তরাস্ট্টে দোকানের সামনেই গুলি করে নোয়াখালীর মাহফুজ হত্যা

ছবি

ঋন নিয়ে আত্মসাত: পিকে সহ ২৩ জনের নামে চার্জশিট দিচ্ছে দুদক

ছবি

চিকিৎসক বুলবুল হত্যা: প্রধান আসামি রিপন গ্রেপ্তার

ছবি

দুই মামলায় স্থায়ী জামিন পেলেন খালেদা জিয়া

মহেশখালীতে হিন্দু পাড়ায় পরাজিত মেম্বার প্রার্থীর হামলায় আহত - ৭

ছবি

জাজিরায় ভোটে পরাজিত প্রার্থীর হামলা; পুলিশের গুলিতে শিশু সহ আহত ৩

ছবি

দুদকের মামলায় ময়মনসিংহের সাবেক ওসি কারাগারে

বগুড়ার নন্দীগ্রামে স্ত্রী ও সম্বন্ধীর প্রতারণার শিকার হয়ে যুবকের আত্মহত্যা

ছবি

হাইকোর্ট বলছে, অর্থ পাচারের মাস্টারমাইন্ড খন্দকার মোহতেশাম

লালমনিরহাটে বিকাশ এজেন্ট হত্যাকান্ড : প্রধান আসামী গাজীপুর থেকে গ্রেফতার

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হেডমাঝি হত্যার মূলহোতাসহ ২ জন গ্রেপ্তার

tab

অপরাধ ও দুর্নীতি

ভবন হস্তান্তর : তুরিন আফরোজকে শোকজ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

মঙ্গলবার, ১৪ জুন ২০২২

রাজধানীর উত্তরায় পাঁচতলা বাড়ির দখল কেন শামসুন্নাহার বেগম ও তাঁর ছেলে শাহনেওয়াজ আহমেদকে দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) সাবেক প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজকে কারণ দর্শাতে বলেছেন আদালত। ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম জেলা জজ জি এম নজমুছ শাহাদাৎ গত সোমবার এই আদেশ দেন। শামসুন্নাহারের আইনজীবী মনজুর রাব্বি রাব্বি গতকাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শামসুন্নাহার বেগম তুরিন আফরোজের মা আর শাহনেওয়াজ তাঁর একমাত্র ভাই। মামলার কাগজপত্রের তথ্য বলছে, পাঁচ বছর আগে (২০১৭ সালের ১১ মে) তুরিন আফরোজ তাঁর মা ও ভাইকে বিবাদী করে ঢাকার দেওয়ানি আদালতে মামলা করেন।

মামলার আরজিতে তিনি দাবি করেন, উত্তরার সম্পত্তির মালিক তিনি নিজে, তিনি দখলে রয়েছেন। তাঁর ভাই শাহনেওয়াজ ও শামসুন্নাহার ওই সম্পত্তির মালিক নন। বরং বাড়ির দখল নেওয়ার জন্য তাঁরা বেআইনি পদক্ষেপ নেন। পরের বছর (২০১৮ সাল) বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উত্তরার সম্পত্তিতে স্থিতাবস্থা দেন আদালত। অবশ্য তুরিনের দাবিতে আপত্তি তুলে ২০১৮ সালের ৫ এপ্রিল লিখিত জবাব দেন শামসুন্নাহার ও শাহনেওয়াজ।

শামসুন্নাহারের আইনজীবী মনজুর রাব্বি সাংবাদিকদের বলেন, উত্তরার বাড়িতে স্থিতাবস্থার আদেশ বাতিল এবং বাড়ির দখলের নির্দেশনা চেয়ে শামসুন্নাহারের মায়ের পক্ষে আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি নিয়ে আদেশে দিয়েছেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, উত্তরায় বাড়ির স্থিতাবস্থার আদেশ কেন বাতিল হবে না এবং কেন বাড়ির দখল শামসুন্নাহার ও তাঁর ছেলে শাহনেওয়াজকে দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ১০ দিনের মধ্যে তুরিন আফরোজকে কারণ দর্শাতে বলেছেন আদালত।

মামলার আরজিতে তুরিন আফরোজ দাবি করেছেন, তুরিনের মা শামসুন্নাহার ১৯৯১ সালে ক্রয়সূত্রে উত্তরার সম্পত্তির মালিক হন। পরের বছর ১৯৯২ সালে শামসুন্নাহার তাঁর স্বামী তসলিম উদ্দিনকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিযুক্ত করেন। পরে ১৯৯৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তসলিম উদ্দিন মেয়ে তুরিন আফরোজকে হেবা (দানপত্র) করেন। তবে শামসুন্নাহার ও তাঁর ছেলে শাহনেওয়াজ আদালতে লিখিত জবাব দিয়ে বলেছেন, তসলিম উদ্দিন কখনো তাঁর মেয়ে তুরিন আফরোজকে উত্তরার সম্পত্তি দান করেননি। বরং শামসুন্নাহার তাঁর ছেলে শাহনেওয়াজকে উত্তরার সম্পত্তি ১৯৯৭ সালে হেবা করেন। পরে তিনি ঋণ নিয়ে বাড়ি তৈরি করেন এবং ভোগ দখলে ছিলেন।

back to top