alt

বিনোদন

বাংলা সাধারণ রঙ্গালয়ের দেড়শ বছর, কলকাতা ও ঢাকায় নীলদর্পন দিয়ে শুরু বছরভর উদযাপন

দীপক মুখার্জী, কলকাতা : বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২

https://sangbad.net.bd/images/2022/December/07Dec22/news/11.jpg

‘মুই তো কখনুই পারবো না’ - জানকবুল বাংলা রঙ্গামঞ্চের সেই সংলাপ এখনও বাঙালি মননে সাহসী তোরাপকে জাগিয়ে রেখেছে। দেড়শ বছর পর ফের সেই তোরাপের সংলাপ শুনবে শহরবাসী।

১৮৭২ সালে সাধারণ রঙ্গালয়ে ‘নীল দর্পণ’ নাটকের প্রদর্শনীর মধ্য দিয়েই বাংলা থিয়েটার চর্চায় নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছিল। আর ৭ ডিসেম্বর কলকাতার তপন থিয়েটারে মঞ্চস্থ হতে চলেছে দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পন। ঢাকার বাংলা থিয়েটার নামে নাট্যদল যেদিন তপন থিয়েটারে নীলদর্পন মঞ্চস্থ করবেন, ওই দিনই পূর্ণ হচ্ছে বাংলা সাধারণ রঙ্গালয়ের সার্ধশতবর্ষ। অর্থাৎ দেড়শ বছরে পা দেবে বাংলার সাধারণ রঙ্গালয়।

‘নীল দর্পণ’ নামটি শুনলেই মনে ভেসে ওঠে উপমহাদেশের নীলচাষ আর অসাধু ইংরেজ নীলকরদের অসহনীয় অত্যাচার আর নির্দয় নির্যাতনের কথা। ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের (সিপাহী বিদ্রোহ) পর পরই ১৮৬০ সালে লেখা হয়েছিল নীলদর্পন।

বাঙালিরা প্রথম টিকিট কেটে বাংলা নাটক দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর। সেই সময়ের কতিপয় বাঙালি নাট্যোৎসাহী মিলে শুরু করেছিলেন টিকিট বিক্রি করে নিয়মিত নাট্যাভিনয়ের আয়োজন।

জোড়াসাঁকোর চিৎপুর রোডে মধুসূদন সান্যালের ‘ঘড়িওয়ালা বাড়ির উঠোন ভাড়া নিয়েছিলেন তারা, মাসিক ৪০ টাকায়। সেখানে মঞ্চ নির্মিত হয়েছিল। নির্মাণে প্রধান শিল্পী ধর্মদাস সুর, সহায়তায় ক্ষেত্রমোহন গঙ্গোপাধ্যায়, ব্যবস্থাদির দায়িত্বে নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।

দর্শকাসনের জন্য ছিল তিনটি শ্রেণি— দু’টাকা, এক টাকা, আট আনা। প্রথম শ্রেণির জন্য ভাড়া করা চেয়ার, দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য বাঁশের কাঠামোর উপর পাটাতন বসিয়ে বেঞ্চি, তৃতীয় শ্রেণির জন্য দালানের সিঁড়ি ও রোয়াক।

প্রথম রজনী ছিল ‘হাউসফুল, টিকিট বিক্রি বাবদ আয় হয়েছিল মোট দুশো টাকা। বাংলা সাধারণ রঙ্গালয়ের সেই শুরুর দিনেই মঞ্চস্থ হয়েছিল নীলদর্পন। দীনবন্ধু মিত্রের এই নাটকের প্রকাশ ও তা রঙ্গালয়ে মঞ্চায়ন ছিল তখন উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের জন্য একটা বিরাট ধাক্কা।

সেই সাধের সাধারণ রঙ্গালয় আজ সম্পূর্ণ লুপ্ত। শো চলার পরে এক অগ্নিকান্ডে রঙ্গালয় ভস্মিভূত হয়। দেড়’শ বছর পর সেই রঙ্গালয়ের স্মৃতিকে জাগিয়ে তুলতে সেই নীলদর্পণ নাটক মঞ্চায়ন করবে ঢকা ও কলকাতার নাট্য শিল্পিরা।

সার্ধশত বার্ষিকী উৎসব উপলক্ষে নানা আয়োজন হচ্ছে কলকাতা ও ঢাকায়। ১৫০ বছর পরে বঙ্গ নাট্যসংহতির আয়োজনে বুধবার কলকাতায় এ নাট্যোৎসবের সূচনা হবে বাংলাদেশের নাট্যকার মামুনুর রশীদের নির্দেশনায় ‘নীল দর্পণ’ মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে। নাটকটি প্রযোজনা করেছে রেপের্টরি নাট্যদল ‘বাঙলা থিয়েটার’।

সাধারণ রঙ্গালয়ের স্বার্ধশত বার্ষিকী উদযাপনে দুটি উৎসব হবে জানিয়ে মামুনুর রশীদ বলেন, কলকাতায় উৎসব হবে ৭ ডিসেম্বর, আর ঢাকায় ১৭ ডিসেম্বর। দুই দেশের নাট্যশিল্পীরা এ উৎসবে অংশ নিচ্ছেন। নাট্যোৎসবে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের নাট্যশিল্পীরা ইতোমধ্যে কলকাতায় পৌঁছে গেছে।

https://sangbad.net.bd/images/2022/December/07Dec22/news/13.jpg

মামুনুর রশীদ বলেছেন, “আমাদের নাট্যশিল্পীদের জন্য এটি আনন্দের দিন। কারণ ১৫০ বছর আগে ‘নীল দর্পণ’ মঞ্চায়নের মধ্য দিয়েই সাধারণ রঙ্গালয়ে জনসাধারণের প্রবেশ উন্মুক্ত হয়েছিল। তাই দিনটিকে উদযাপন করতে ভারত ও বাংলাদেশে নানা আয়োজন করা হয়েছে। কলকাতায় নাট্যোৎসবের সূচনা হবে আমার নির্দেশনায় ‘নীল দর্পণ’ মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে। এটি ভালো লাগার মতো ঘটনা।”

দীনবন্ধু মিত্র রচিত ‘নীল দর্পণ নাটকটিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন নাট্যদলের যে সব শিল্পীরা অভিনয় করবেন তাদের মধ্যে রয়েছেন- মামুনুর রশীদ, ফয়েজ জহির, শুভাশিস ভৌমিক, আহাম্মেদ গিয়াস, শামীমা শওকত লাভলী, শাহনাজ খুশি, সুষমা সরকার, লায়লা বিলকিস ছবি, সঙ্গীতা চৌধুরী, হাশিম মাসুদ, সাঈদ সুমন, খালিদ হাসান রুমি, সুজাত শিমুল, রিয়া চৌধুরী, তাসমী চৌধুরী, শাহরান, তাজউদ্দীন তাজু, রুহুল আমিন ও উচ্ছ্বাস ঘোষ।

আলোক পরিকল্পনা করেছেন ঠাণ্ডু রায়হান, মঞ্চ পরিকল্পনা করেছে ফয়েজ জহির, সঙ্গীত পরিকল্পনা করেছেন পরিমল মজুমদার, মঞ্চ ব্যবস্থাপক সুজাত শিমুল, সহকারী নির্দেশক শামীমা শওকত লাভলী এবং পোশাক পরিকল্পনা করেছেন সামিউন জাহান দোলা।

ছবি

প্রকাশিত হলো সুমি শবনমের নতুন গান

ছবি

সিনেমায় সানজিদা মিলা

ছবি

কামাল আহমেদ এর “তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা” এ্যালবাম প্রকাশিত

ছবি

কানাডায় মুক্তি পাবে ‘পরাণ’

ছবি

স্টুডিও থিয়েটারে আজ শৌখিন থিয়েটারের দুটি নাটক

ছবি

২১ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘ভাগ্য’

ছবি

‘মহামানবের দেশে’ থেকে তিনটি নাটক

ছবি

নতুন নতুন রেকর্ড, ‘পাঠান’ চার দিনে চার বছর ভুলিয়ে দিয়েছে শাহরুখের

ছবি

ঢাকাইয়া নাটকে জুটিবদ্ধ হলেন আদর ও বর্ষা

ছবি

এস, আই, সোহেল নির্মাণ করলেন ‘ব্লাড কানেকশন’

ছবি

ইকবাল খন্দকারের উপস্থাপনায় ‘বই বাতায়ন’

ছবি

হালুম, টুকটুকি, ইকরি ও শিকুর নতুন বন্ধু জুলিয়া

ছবি

‘বিস্ময় বালিকা’ নাটকে জুটি হলেন সজল ও অলঙ্কার

ছবি

মাতৃভাষা দিবস’র গানে রাজীব-নিশীতা

ছবি

অপ্রতিরোধ্য ‘পাঠান’, ছাড়ালো ৫৫০ কোটি

ছবি

অভিনয়েও প্রশংসা কুঁড়িয়েছেন শিক্ষক বসন্ত কুমার বিশ্বাস

ছবি

প্লে-ব্যাকে প্রথম প্রমি, ব্যস্ত স্টেজ শোতও

ছবি

২০২১ এর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে নোনাজলের কাব্য ও লাল মোরগের ঝুঁটির জয়জয়কার

ছবি

বাংলাদেশকে আর বিব্রতকর অবস্থায় না ফেলি : ফারুকী

ছবি

মন্নতের বাইরে ভিড়, দর্শকের উদ্দেশে শাহরুখের উড়ো চুমু

ছবি

যেখানে সবার শীর্ষে অলকা ইয়াগনিক

ছবি

এস, আই, সোহেল নির্মাণ করলেন ‘ব্লাড কানেকশন’

ছবি

নতুন ধারাবাহিকে সাড়া পাচ্ছেন মাহা

ছবি

অস্কারে রাইজবোরার মনোনয়ন পুনঃপর্যালোচনায়

ছবি

পরীক্ষণ হলে আজ বহু বচনের ‘অনিকেত সন্ধ্যা’

ছবি

সালমান শাহ এর লিপে গান আরো জনপ্রিয় করেছিলো হাসান চৌধুরী কে

ছবি

ঋতুপর্ণা-নিরব ভিডিওবার্তায় শোনালেন ‘স্পর্শ’র গল্প

ছবি

হিরো আলমঃ দুই দলের মনোনয়ন চেয়ে পাননি তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী

ছবি

প্রত্যাবর্তন নয়, বরং সামনে এগিয়ে চলা: শাহরুখ

ছবি

বিমানবন্দরে আরবাজকে জড়িয়ে ধরলেন মালাইকা

ছবি

দেশে ‘পাঠান’ মুক্তি নিয়ে কথা বললেন ওবায়দুল কাদের

ছবি

প্রধান চরিত্রেও সাফল্য পাচ্ছেন মৌ

ছবি

প্রকাশিত হল মিঠুর ‘তোর আগুনে’ ভিডিওগান

ছবি

যাত্রাপালা ‘মাইকেল মধুসূদন’ মঞ্চায়নের ৫০ বছর

ছবি

ভালোবাসা দিবসে কেয়া-জামশেদের ‘কথা দিলাম’

ছবি

আরণ্যকের উৎসবে অংশ নিতে দেশে আসলেন তমালিকা

tab

বিনোদন

বাংলা সাধারণ রঙ্গালয়ের দেড়শ বছর, কলকাতা ও ঢাকায় নীলদর্পন দিয়ে শুরু বছরভর উদযাপন

দীপক মুখার্জী, কলকাতা

বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২

https://sangbad.net.bd/images/2022/December/07Dec22/news/11.jpg

‘মুই তো কখনুই পারবো না’ - জানকবুল বাংলা রঙ্গামঞ্চের সেই সংলাপ এখনও বাঙালি মননে সাহসী তোরাপকে জাগিয়ে রেখেছে। দেড়শ বছর পর ফের সেই তোরাপের সংলাপ শুনবে শহরবাসী।

১৮৭২ সালে সাধারণ রঙ্গালয়ে ‘নীল দর্পণ’ নাটকের প্রদর্শনীর মধ্য দিয়েই বাংলা থিয়েটার চর্চায় নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছিল। আর ৭ ডিসেম্বর কলকাতার তপন থিয়েটারে মঞ্চস্থ হতে চলেছে দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পন। ঢাকার বাংলা থিয়েটার নামে নাট্যদল যেদিন তপন থিয়েটারে নীলদর্পন মঞ্চস্থ করবেন, ওই দিনই পূর্ণ হচ্ছে বাংলা সাধারণ রঙ্গালয়ের সার্ধশতবর্ষ। অর্থাৎ দেড়শ বছরে পা দেবে বাংলার সাধারণ রঙ্গালয়।

‘নীল দর্পণ’ নামটি শুনলেই মনে ভেসে ওঠে উপমহাদেশের নীলচাষ আর অসাধু ইংরেজ নীলকরদের অসহনীয় অত্যাচার আর নির্দয় নির্যাতনের কথা। ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের (সিপাহী বিদ্রোহ) পর পরই ১৮৬০ সালে লেখা হয়েছিল নীলদর্পন।

বাঙালিরা প্রথম টিকিট কেটে বাংলা নাটক দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর। সেই সময়ের কতিপয় বাঙালি নাট্যোৎসাহী মিলে শুরু করেছিলেন টিকিট বিক্রি করে নিয়মিত নাট্যাভিনয়ের আয়োজন।

জোড়াসাঁকোর চিৎপুর রোডে মধুসূদন সান্যালের ‘ঘড়িওয়ালা বাড়ির উঠোন ভাড়া নিয়েছিলেন তারা, মাসিক ৪০ টাকায়। সেখানে মঞ্চ নির্মিত হয়েছিল। নির্মাণে প্রধান শিল্পী ধর্মদাস সুর, সহায়তায় ক্ষেত্রমোহন গঙ্গোপাধ্যায়, ব্যবস্থাদির দায়িত্বে নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।

দর্শকাসনের জন্য ছিল তিনটি শ্রেণি— দু’টাকা, এক টাকা, আট আনা। প্রথম শ্রেণির জন্য ভাড়া করা চেয়ার, দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য বাঁশের কাঠামোর উপর পাটাতন বসিয়ে বেঞ্চি, তৃতীয় শ্রেণির জন্য দালানের সিঁড়ি ও রোয়াক।

প্রথম রজনী ছিল ‘হাউসফুল, টিকিট বিক্রি বাবদ আয় হয়েছিল মোট দুশো টাকা। বাংলা সাধারণ রঙ্গালয়ের সেই শুরুর দিনেই মঞ্চস্থ হয়েছিল নীলদর্পন। দীনবন্ধু মিত্রের এই নাটকের প্রকাশ ও তা রঙ্গালয়ে মঞ্চায়ন ছিল তখন উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের জন্য একটা বিরাট ধাক্কা।

সেই সাধের সাধারণ রঙ্গালয় আজ সম্পূর্ণ লুপ্ত। শো চলার পরে এক অগ্নিকান্ডে রঙ্গালয় ভস্মিভূত হয়। দেড়’শ বছর পর সেই রঙ্গালয়ের স্মৃতিকে জাগিয়ে তুলতে সেই নীলদর্পণ নাটক মঞ্চায়ন করবে ঢকা ও কলকাতার নাট্য শিল্পিরা।

সার্ধশত বার্ষিকী উৎসব উপলক্ষে নানা আয়োজন হচ্ছে কলকাতা ও ঢাকায়। ১৫০ বছর পরে বঙ্গ নাট্যসংহতির আয়োজনে বুধবার কলকাতায় এ নাট্যোৎসবের সূচনা হবে বাংলাদেশের নাট্যকার মামুনুর রশীদের নির্দেশনায় ‘নীল দর্পণ’ মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে। নাটকটি প্রযোজনা করেছে রেপের্টরি নাট্যদল ‘বাঙলা থিয়েটার’।

সাধারণ রঙ্গালয়ের স্বার্ধশত বার্ষিকী উদযাপনে দুটি উৎসব হবে জানিয়ে মামুনুর রশীদ বলেন, কলকাতায় উৎসব হবে ৭ ডিসেম্বর, আর ঢাকায় ১৭ ডিসেম্বর। দুই দেশের নাট্যশিল্পীরা এ উৎসবে অংশ নিচ্ছেন। নাট্যোৎসবে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের নাট্যশিল্পীরা ইতোমধ্যে কলকাতায় পৌঁছে গেছে।

https://sangbad.net.bd/images/2022/December/07Dec22/news/13.jpg

মামুনুর রশীদ বলেছেন, “আমাদের নাট্যশিল্পীদের জন্য এটি আনন্দের দিন। কারণ ১৫০ বছর আগে ‘নীল দর্পণ’ মঞ্চায়নের মধ্য দিয়েই সাধারণ রঙ্গালয়ে জনসাধারণের প্রবেশ উন্মুক্ত হয়েছিল। তাই দিনটিকে উদযাপন করতে ভারত ও বাংলাদেশে নানা আয়োজন করা হয়েছে। কলকাতায় নাট্যোৎসবের সূচনা হবে আমার নির্দেশনায় ‘নীল দর্পণ’ মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে। এটি ভালো লাগার মতো ঘটনা।”

দীনবন্ধু মিত্র রচিত ‘নীল দর্পণ নাটকটিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন নাট্যদলের যে সব শিল্পীরা অভিনয় করবেন তাদের মধ্যে রয়েছেন- মামুনুর রশীদ, ফয়েজ জহির, শুভাশিস ভৌমিক, আহাম্মেদ গিয়াস, শামীমা শওকত লাভলী, শাহনাজ খুশি, সুষমা সরকার, লায়লা বিলকিস ছবি, সঙ্গীতা চৌধুরী, হাশিম মাসুদ, সাঈদ সুমন, খালিদ হাসান রুমি, সুজাত শিমুল, রিয়া চৌধুরী, তাসমী চৌধুরী, শাহরান, তাজউদ্দীন তাজু, রুহুল আমিন ও উচ্ছ্বাস ঘোষ।

আলোক পরিকল্পনা করেছেন ঠাণ্ডু রায়হান, মঞ্চ পরিকল্পনা করেছে ফয়েজ জহির, সঙ্গীত পরিকল্পনা করেছেন পরিমল মজুমদার, মঞ্চ ব্যবস্থাপক সুজাত শিমুল, সহকারী নির্দেশক শামীমা শওকত লাভলী এবং পোশাক পরিকল্পনা করেছেন সামিউন জাহান দোলা।

back to top