যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব রাশিয়া মেনে নিতে পারে না বলে জানিয়েছেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ। তিনি বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের পেছনের ‘মূল কারণ’ সমাধান না হলে মস্কো কোনো চুক্তিতে সম্মত হবে না।
মঙ্গলবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিসংক্রান্ত সাময়িকীতে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রিয়াবকভ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত মডেল ও সমাধানগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি; তবে বর্তমান অবস্থায় এগুলো গ্রহণযোগ্য নয়।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করছেন। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের মধ্যে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব উত্থাপিত হলেও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তা নাকচ করেন। শান্তি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পদত্যাগ করা উচিত বলেও মত দেন পুতিন।
রোববার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, পুতিন সমঝোতা আলোচনায় জেলেনস্কির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং ইউক্রেনে নতুন নেতৃত্বের আহ্বান জানিয়েছেন, যা নিয়ে তিনি ‘রেগে আছেন’। পরে তিনি আরও বলেন, পুতিন শান্তিচুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে তিনি আশা করেন।
সোমবার ক্রেমলিন জানায়, পুতিন এখনো ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী। তবে রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াবকভ সতর্ক করে বলেন, ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির পর সংঘাতের সমাপ্তির কোনো ইঙ্গিত মস্কো দেখছে না। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে আমাদের প্রধান চাওয়া অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এই সংঘাতের মূল কারণগুলোর সমাধান জরুরি।’
রাশিয়া বরাবরই ইউক্রেন যুদ্ধের ‘মূল কারণ’ হিসেবে ন্যাটোর সম্প্রসারণ ও ইউক্রেনের কিছু অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করে, যা এখনো চলছে।
এদিকে, ইউক্রেনকে ৩৫০ কোটি ইউরো সহায়তা দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। এর মধ্যে ৩১০ কোটি ইউরো সহজ শর্তের ঋণ এবং ৪০০ কোটি ইউরো অনুদান। ২০২৭ সাল পর্যন্ত ইউক্রেনের জন্য ইইউর সহায়তা পরিকল্পনা পাঁচ হাজার কোটি ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। এখন পর্যন্ত কিয়েভ ১ হাজার ৬০০ কোটি ইউরো সহায়তা পেয়েছে।
অন্যদিকে, সুইজারল্যান্ডে রাশিয়ার ৮৪০ কোটি ডলারের সম্পদ অবরুদ্ধ রয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মস্কোর সম্পদ জব্দ করা শুরু হয়। মঙ্গলবার সুইস সরকার জানিয়েছে, এক বছরে আরও ১৮০ কোটি ডলারের সম্পদ চিহ্নিত করে অবরুদ্ধ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে রিয়েল এস্টেট, বিলাসবহুল গাড়ি ও শিল্পদ্রব্য। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য না হলেও সুইজারল্যান্ড রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইইউর নিষেধাজ্ঞা সমর্থন করছে।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব রাশিয়া মেনে নিতে পারে না বলে জানিয়েছেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ। তিনি বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের পেছনের ‘মূল কারণ’ সমাধান না হলে মস্কো কোনো চুক্তিতে সম্মত হবে না।
মঙ্গলবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিসংক্রান্ত সাময়িকীতে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রিয়াবকভ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত মডেল ও সমাধানগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি; তবে বর্তমান অবস্থায় এগুলো গ্রহণযোগ্য নয়।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করছেন। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের মধ্যে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব উত্থাপিত হলেও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তা নাকচ করেন। শান্তি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পদত্যাগ করা উচিত বলেও মত দেন পুতিন।
রোববার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, পুতিন সমঝোতা আলোচনায় জেলেনস্কির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং ইউক্রেনে নতুন নেতৃত্বের আহ্বান জানিয়েছেন, যা নিয়ে তিনি ‘রেগে আছেন’। পরে তিনি আরও বলেন, পুতিন শান্তিচুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে তিনি আশা করেন।
সোমবার ক্রেমলিন জানায়, পুতিন এখনো ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী। তবে রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াবকভ সতর্ক করে বলেন, ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির পর সংঘাতের সমাপ্তির কোনো ইঙ্গিত মস্কো দেখছে না। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে আমাদের প্রধান চাওয়া অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এই সংঘাতের মূল কারণগুলোর সমাধান জরুরি।’
রাশিয়া বরাবরই ইউক্রেন যুদ্ধের ‘মূল কারণ’ হিসেবে ন্যাটোর সম্প্রসারণ ও ইউক্রেনের কিছু অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করে, যা এখনো চলছে।
এদিকে, ইউক্রেনকে ৩৫০ কোটি ইউরো সহায়তা দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। এর মধ্যে ৩১০ কোটি ইউরো সহজ শর্তের ঋণ এবং ৪০০ কোটি ইউরো অনুদান। ২০২৭ সাল পর্যন্ত ইউক্রেনের জন্য ইইউর সহায়তা পরিকল্পনা পাঁচ হাজার কোটি ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। এখন পর্যন্ত কিয়েভ ১ হাজার ৬০০ কোটি ইউরো সহায়তা পেয়েছে।
অন্যদিকে, সুইজারল্যান্ডে রাশিয়ার ৮৪০ কোটি ডলারের সম্পদ অবরুদ্ধ রয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মস্কোর সম্পদ জব্দ করা শুরু হয়। মঙ্গলবার সুইস সরকার জানিয়েছে, এক বছরে আরও ১৮০ কোটি ডলারের সম্পদ চিহ্নিত করে অবরুদ্ধ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে রিয়েল এস্টেট, বিলাসবহুল গাড়ি ও শিল্পদ্রব্য। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য না হলেও সুইজারল্যান্ড রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইইউর নিষেধাজ্ঞা সমর্থন করছে।