জার্মানিতে দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, যারা সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করে, ইহুদিবিদ্বেষী বা চরমপন্থী কার্যক্রমে জড়িত, তাদের জার্মান নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হতে পারে। তবে সমালোচকরা বলছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ বৈষম্যমূলক ও অন্যায্য হবে।
সম্প্রতি জার্মানির সম্ভাব্য জোট সরকার গঠনে আলোচনাকারী দলগুলো—সিডিইউ, সিএসইউ ও এসপিডি—একটি চুক্তিপত্র তৈরি করেছে, যেখানে নাগরিকত্ব আইন সংস্কারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের মধ্যে যারা সন্ত্রাস বা ইহুদিবিদ্বেষী কার্যক্রমে জড়িত, তাদের নাগরিকত্ব বাতিলের সম্ভাবনা পরীক্ষা করা হবে।
এসপিডির রাজনীতিক ডার্ক ভিজে এটিকে তাঁর দলের সাফল্য বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, "সিডিইউ/সিএসইউ চেয়েছিল দ্বৈত নাগরিকত্ব পুরোপুরি বাতিল করতে, কিন্তু আমরা তা ঠেকিয়েছি।" তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তাব থেকে যায়, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সমালোচকরা।
ব্রেমেনের মেয়র আন্দ্রেয়াস বোভেনশুলটে বলেন, "এটি জার্মানির ৫০ লাখ দ্বৈত নাগরিকের জন্য বড় সমস্যা তৈরি করবে। তাদের মনে হবে, তাদের নাগরিকত্বের মূল্য কম।" ডি লিংকের সংসদ সদস্য ক্লারা ব্যুনগার এটিকে "দুই শ্রেণির নাগরিকত্ব" বলে অভিহিত করেন।
জার্মান সংবিধান অনুযায়ী, সাধারণত নাগরিকত্ব বাতিল করা যায় না, তবে সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তা সম্ভব। নতুন প্রস্তাবে ইহুদিবিদ্বেষকে যুক্ত করা হয়েছে, যদিও জার্মান আইনে এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়।
লিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এলাদ লাপিডো বলেন, "এটি মুসলিম বা আরব বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে।" তিনি ইহুদিবিদ্বেষের সংজ্ঞা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন, বিশেষ করে যখন তা ইসরায়েল-বিরোধী সমালোচনার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
জার্মান সরকারের ইহুদিবিদ্বেষবিষয়ক কমিশনার ফেলিক্স ক্লাইন এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান, কারণ প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আইনি বিশ্লেষকরা বলছেন, সংবিধানের সঙ্গে এর সামঞ্জস্যতা আদালতে পরীক্ষা করা হতে পারে।
এসপিডির ডার্ক ভিজে আশা প্রকাশ করেন যে আদালত এ প্রস্তাব নাকচ করে দেবে। তবে দ্বৈত নাগরিকত্বধারী অনেকেই এ নিয়ে শঙ্কিত, কারণ এটি তাদের স্থায়ীভাবে জার্মান সমাজে থাকার অধিকারকে অনিশ্চিত করে তুলতে পারে।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
জার্মানিতে দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, যারা সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করে, ইহুদিবিদ্বেষী বা চরমপন্থী কার্যক্রমে জড়িত, তাদের জার্মান নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হতে পারে। তবে সমালোচকরা বলছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ বৈষম্যমূলক ও অন্যায্য হবে।
সম্প্রতি জার্মানির সম্ভাব্য জোট সরকার গঠনে আলোচনাকারী দলগুলো—সিডিইউ, সিএসইউ ও এসপিডি—একটি চুক্তিপত্র তৈরি করেছে, যেখানে নাগরিকত্ব আইন সংস্কারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের মধ্যে যারা সন্ত্রাস বা ইহুদিবিদ্বেষী কার্যক্রমে জড়িত, তাদের নাগরিকত্ব বাতিলের সম্ভাবনা পরীক্ষা করা হবে।
এসপিডির রাজনীতিক ডার্ক ভিজে এটিকে তাঁর দলের সাফল্য বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, "সিডিইউ/সিএসইউ চেয়েছিল দ্বৈত নাগরিকত্ব পুরোপুরি বাতিল করতে, কিন্তু আমরা তা ঠেকিয়েছি।" তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তাব থেকে যায়, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সমালোচকরা।
ব্রেমেনের মেয়র আন্দ্রেয়াস বোভেনশুলটে বলেন, "এটি জার্মানির ৫০ লাখ দ্বৈত নাগরিকের জন্য বড় সমস্যা তৈরি করবে। তাদের মনে হবে, তাদের নাগরিকত্বের মূল্য কম।" ডি লিংকের সংসদ সদস্য ক্লারা ব্যুনগার এটিকে "দুই শ্রেণির নাগরিকত্ব" বলে অভিহিত করেন।
জার্মান সংবিধান অনুযায়ী, সাধারণত নাগরিকত্ব বাতিল করা যায় না, তবে সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তা সম্ভব। নতুন প্রস্তাবে ইহুদিবিদ্বেষকে যুক্ত করা হয়েছে, যদিও জার্মান আইনে এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়।
লিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এলাদ লাপিডো বলেন, "এটি মুসলিম বা আরব বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে।" তিনি ইহুদিবিদ্বেষের সংজ্ঞা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন, বিশেষ করে যখন তা ইসরায়েল-বিরোধী সমালোচনার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
জার্মান সরকারের ইহুদিবিদ্বেষবিষয়ক কমিশনার ফেলিক্স ক্লাইন এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান, কারণ প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আইনি বিশ্লেষকরা বলছেন, সংবিধানের সঙ্গে এর সামঞ্জস্যতা আদালতে পরীক্ষা করা হতে পারে।
এসপিডির ডার্ক ভিজে আশা প্রকাশ করেন যে আদালত এ প্রস্তাব নাকচ করে দেবে। তবে দ্বৈত নাগরিকত্বধারী অনেকেই এ নিয়ে শঙ্কিত, কারণ এটি তাদের স্থায়ীভাবে জার্মান সমাজে থাকার অধিকারকে অনিশ্চিত করে তুলতে পারে।