ভারতে মুসলিমদের দান করা শত শত কোটি টাকার ওয়াকফ সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন করতে আনা একটি সংশোধনী বিল লোকসভায় পাস হয়েছে। বুধবার রাতে টানা ১২ ঘণ্টার তর্ক-বিতর্কের পর বিলটি ২৮৮-২৩২ ভোটে পাস হয়। এখন এটি রাজ্যসভায় যাবে, সেখানেও পাস হলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি আইনে পরিণত হবে।
বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার বলছে, এই বিলটি আইনে পরিণত হলে ওয়াকফ সম্পত্তির ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আসবে। তবে বিরোধী দল এবং বেশিরভাগ মুসলিম সংগঠন বলছে, এটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে।
বিলটি প্রথম লোকসভায় তোলা হয়েছিল গত বছরের অগাস্টে। তবে পরে এটি যৌথ পার্লামেন্টারি কমিটির (জেপিসি) কাছে পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়। বুধবারের পাস হওয়া সংস্করণে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে, তবে বিরোধীরা বলছেন, এসব পরিবর্তন বিজেপি এবং এর মিত্রদের প্রস্তাব অনুযায়ী হয়েছে।
বিরোধীরা মনে করছে, নতুন বিলটি ওয়াকফ আইনকে দুর্বল করবে এবং ওয়াকফ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পথ তৈরি করবে। কংগ্রেসের নেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে বলেছেন, বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিলটির বিরুদ্ধে লড়াই করবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, বিলের মাধ্যমে মুসলিমদের ধর্মীয় কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা হবে না। বরং বিরোধীরা বিভ্রান্তি তৈরি করে সংখ্যালঘুদের আতঙ্কিত করছে।
নতুন সংশোধনীতে ওয়াকফ বোর্ডের গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন, অমুসলিমদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তি এবং ওয়াকফ সম্পত্তি নির্ধারণে সরকারের এখতিয়ার দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে অমিত শাহ স্পষ্ট করেছেন যে, ওয়াকফ বোর্ডে কোনো অমুসলিম সদস্য অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব নেই।
ওয়াকফ সম্পত্তি হলো মুসলিম সম্প্রদায়ের কল্যাণে মুসলমানদের দান করা জমি বা স্থাপনা। ইসলামিক রীতি অনুযায়ী, ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রি বা অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যায় না।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের হিসাবে, বর্তমানে দেশজুড়ে ৮ লাখ ৭২ হাজার ৩৫১টি ওয়াকফ সম্পত্তি রয়েছে, যার আওতায় ৯ লাখ ৪০ হাজার একর জমি রয়েছে। এসব সম্পত্তির মোট আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কোটি রুপি।
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
ভারতে মুসলিমদের দান করা শত শত কোটি টাকার ওয়াকফ সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন করতে আনা একটি সংশোধনী বিল লোকসভায় পাস হয়েছে। বুধবার রাতে টানা ১২ ঘণ্টার তর্ক-বিতর্কের পর বিলটি ২৮৮-২৩২ ভোটে পাস হয়। এখন এটি রাজ্যসভায় যাবে, সেখানেও পাস হলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি আইনে পরিণত হবে।
বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার বলছে, এই বিলটি আইনে পরিণত হলে ওয়াকফ সম্পত্তির ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আসবে। তবে বিরোধী দল এবং বেশিরভাগ মুসলিম সংগঠন বলছে, এটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে।
বিলটি প্রথম লোকসভায় তোলা হয়েছিল গত বছরের অগাস্টে। তবে পরে এটি যৌথ পার্লামেন্টারি কমিটির (জেপিসি) কাছে পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়। বুধবারের পাস হওয়া সংস্করণে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে, তবে বিরোধীরা বলছেন, এসব পরিবর্তন বিজেপি এবং এর মিত্রদের প্রস্তাব অনুযায়ী হয়েছে।
বিরোধীরা মনে করছে, নতুন বিলটি ওয়াকফ আইনকে দুর্বল করবে এবং ওয়াকফ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পথ তৈরি করবে। কংগ্রেসের নেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে বলেছেন, বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিলটির বিরুদ্ধে লড়াই করবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, বিলের মাধ্যমে মুসলিমদের ধর্মীয় কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা হবে না। বরং বিরোধীরা বিভ্রান্তি তৈরি করে সংখ্যালঘুদের আতঙ্কিত করছে।
নতুন সংশোধনীতে ওয়াকফ বোর্ডের গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন, অমুসলিমদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তি এবং ওয়াকফ সম্পত্তি নির্ধারণে সরকারের এখতিয়ার দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে অমিত শাহ স্পষ্ট করেছেন যে, ওয়াকফ বোর্ডে কোনো অমুসলিম সদস্য অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব নেই।
ওয়াকফ সম্পত্তি হলো মুসলিম সম্প্রদায়ের কল্যাণে মুসলমানদের দান করা জমি বা স্থাপনা। ইসলামিক রীতি অনুযায়ী, ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রি বা অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যায় না।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের হিসাবে, বর্তমানে দেশজুড়ে ৮ লাখ ৭২ হাজার ৩৫১টি ওয়াকফ সম্পত্তি রয়েছে, যার আওতায় ৯ লাখ ৪০ হাজার একর জমি রয়েছে। এসব সম্পত্তির মোট আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কোটি রুপি।