সামরিক আইন জারির ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে অভিশংসনের যে সিদ্ধান্ত দেশটির পার্লামেন্ট নিয়েছিল, তাতে সায় দিয়েছে সাংবিধানিক আদালত।
শুক্রবার আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মুন হিউং-বে রায় ঘোষণার শুরুতেই জানান, প্রেসিডেন্ট ইউনকে অপসারণের ‘যথেষ্ট কারণ’ রয়েছে।
বিচারক জানান, ইউন সুক-ইওল সামরিক ও পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্ব দুর্বল করেছেন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি সংবিধান রক্ষার সাংবিধানিক দায়িত্ব অবহেলা করেছেন এবং কোরিয়ার জনগণের সঙ্গে গুরুতর বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আদালতের এই রায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে।
এই রায়ের ফলে দক্ষিণ কোরিয়াকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে হবে।
গত বছর ৩ ডিসেম্বর হঠাৎ সামরিক আইন জারি করে সবাইকে হতভম্ব করেন প্রেসিডেন্ট ইউন। তিনি দাবি করেন, সরকারে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ও উত্তর কোরিয়াপন্থি’ শক্তির অনুপ্রবেশ ঘটেছে। পরে জনগণ ও পার্লামেন্টের চাপে ছয় ঘণ্টা পর সামরিক আইন প্রত্যাহার করেন তিনি। তবে এর মধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়ায় গভীর রাজনৈতিক সংকট দেখা দেয়।
পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিরোধী রাজনীতিবিদদের আটক করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ইউন, যাতে পার্লামেন্ট সামরিক শাসন প্রত্যাহার করতে না পারে।
এই ঘটনার পর ১৪ ডিসেম্বর পার্লামেন্টে ইউন সুক-ইওলকে অভিশংসিত করা হয়। এরপর তাকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
রায়ে বিচারক আরও বলেন, এ ধরনের বেআইনি ও অসাংবিধানিক কার্যকলাপ সংবিধানের আওতায় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সংবিধান রক্ষার স্বার্থে একজন প্রেসিডেন্টের অপসারণ যতটা ক্ষতিকর হোক না কেন, সংবিধানিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
সামরিক আইন জারির ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে অভিশংসনের যে সিদ্ধান্ত দেশটির পার্লামেন্ট নিয়েছিল, তাতে সায় দিয়েছে সাংবিধানিক আদালত।
শুক্রবার আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মুন হিউং-বে রায় ঘোষণার শুরুতেই জানান, প্রেসিডেন্ট ইউনকে অপসারণের ‘যথেষ্ট কারণ’ রয়েছে।
বিচারক জানান, ইউন সুক-ইওল সামরিক ও পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্ব দুর্বল করেছেন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি সংবিধান রক্ষার সাংবিধানিক দায়িত্ব অবহেলা করেছেন এবং কোরিয়ার জনগণের সঙ্গে গুরুতর বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আদালতের এই রায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে।
এই রায়ের ফলে দক্ষিণ কোরিয়াকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে হবে।
গত বছর ৩ ডিসেম্বর হঠাৎ সামরিক আইন জারি করে সবাইকে হতভম্ব করেন প্রেসিডেন্ট ইউন। তিনি দাবি করেন, সরকারে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ও উত্তর কোরিয়াপন্থি’ শক্তির অনুপ্রবেশ ঘটেছে। পরে জনগণ ও পার্লামেন্টের চাপে ছয় ঘণ্টা পর সামরিক আইন প্রত্যাহার করেন তিনি। তবে এর মধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়ায় গভীর রাজনৈতিক সংকট দেখা দেয়।
পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিরোধী রাজনীতিবিদদের আটক করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ইউন, যাতে পার্লামেন্ট সামরিক শাসন প্রত্যাহার করতে না পারে।
এই ঘটনার পর ১৪ ডিসেম্বর পার্লামেন্টে ইউন সুক-ইওলকে অভিশংসিত করা হয়। এরপর তাকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
রায়ে বিচারক আরও বলেন, এ ধরনের বেআইনি ও অসাংবিধানিক কার্যকলাপ সংবিধানের আওতায় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সংবিধান রক্ষার স্বার্থে একজন প্রেসিডেন্টের অপসারণ যতটা ক্ষতিকর হোক না কেন, সংবিধানিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।