দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়। এই রায়ের অর্থ এখন দেশটিকে ৬০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে।
ডিসেম্বরে পার্লামেন্ট ইওলকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর শুক্রবার আদালতের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এখন তার অপসারণ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং তাকে প্রেসিডেন্টের বাসভবন ত্যাগ করতে হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত গত বছরের শেষের দিকে সামরিক আইন ঘোষণার জন্য অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণের রায় দিয়েছে। ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইউন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সামরিক আইন ঘোষণা করেন।
সে সময় তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রবিরোধী এবং উত্তর কোরিয়ার শক্তি সরকারে অনুপ্রবেশ করেছে। কিন্তু দেশের জাতীয় পরিষদ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পাঠানো ঊর্ধ্বতন সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তখনকার প্রেসিডেন্ট ইউন তার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিবিদদের আটক করতে এবং তার সামরিক শাসনের আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংসদকে ভোটদান থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।এদিকে, ৬৪ বছর বয়সী ইউন রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে এখনো ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখি। তিনি জানুয়ারির ১৫ তারিখে দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রেপ্তার হন, যদিও মার্চ মাসে আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল করলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
গত ৩ ডিসেম্বর ইউনের সামরিক আইন জারির ঘোষণার মাধ্যমে এই সংকটের সূত্রপাত হয়। তিনি বলেছিলেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ উপাদান এবং বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার কথিত অপব্যবহারের মূলোৎপাটনের জন্য এটি জরুরি ছিল, যা তার মতে দেশকে ধ্বংস করছিল। তবে আইনপ্রণেতারা নিরাপত্তা বাহিনীর সংসদ ভবন সিল করার প্রচেষ্টা উপেক্ষা করে সামরিক আইন প্রত্যাখ্যানের পক্ষে ভোট দিলে ছয় ঘণ্টা পর ইউন ওই আদেশ প্রত্যাহার করে নেন। ইউন দাবি করেন, তাঁর কখনোই জরুরি সামরিক শাসন সম্পূর্ণরূপে জারির কোনো উদ্দেশ্য ছিল না এবং তিনি এর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এতে কেউ আহত হয়নি। এরপর থেকে মাসব্যাপী বিক্ষোভ চলে আসছে। আদালতের এই রায়ের ফলে ইউনের সামরিক আইন ঘোষণার কারণে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রশমিত হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়। এই রায়ের অর্থ এখন দেশটিকে ৬০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে।
ডিসেম্বরে পার্লামেন্ট ইওলকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর শুক্রবার আদালতের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এখন তার অপসারণ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং তাকে প্রেসিডেন্টের বাসভবন ত্যাগ করতে হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত গত বছরের শেষের দিকে সামরিক আইন ঘোষণার জন্য অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণের রায় দিয়েছে। ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইউন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সামরিক আইন ঘোষণা করেন।
সে সময় তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রবিরোধী এবং উত্তর কোরিয়ার শক্তি সরকারে অনুপ্রবেশ করেছে। কিন্তু দেশের জাতীয় পরিষদ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পাঠানো ঊর্ধ্বতন সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তখনকার প্রেসিডেন্ট ইউন তার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিবিদদের আটক করতে এবং তার সামরিক শাসনের আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংসদকে ভোটদান থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।এদিকে, ৬৪ বছর বয়সী ইউন রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে এখনো ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখি। তিনি জানুয়ারির ১৫ তারিখে দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রেপ্তার হন, যদিও মার্চ মাসে আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল করলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
গত ৩ ডিসেম্বর ইউনের সামরিক আইন জারির ঘোষণার মাধ্যমে এই সংকটের সূত্রপাত হয়। তিনি বলেছিলেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ উপাদান এবং বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার কথিত অপব্যবহারের মূলোৎপাটনের জন্য এটি জরুরি ছিল, যা তার মতে দেশকে ধ্বংস করছিল। তবে আইনপ্রণেতারা নিরাপত্তা বাহিনীর সংসদ ভবন সিল করার প্রচেষ্টা উপেক্ষা করে সামরিক আইন প্রত্যাখ্যানের পক্ষে ভোট দিলে ছয় ঘণ্টা পর ইউন ওই আদেশ প্রত্যাহার করে নেন। ইউন দাবি করেন, তাঁর কখনোই জরুরি সামরিক শাসন সম্পূর্ণরূপে জারির কোনো উদ্দেশ্য ছিল না এবং তিনি এর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এতে কেউ আহত হয়নি। এরপর থেকে মাসব্যাপী বিক্ষোভ চলে আসছে। আদালতের এই রায়ের ফলে ইউনের সামরিক আইন ঘোষণার কারণে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রশমিত হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।