alt

আন্তর্জাতিক

দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

বিদেশী সংবাদ মাধ্যম : শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়। এই রায়ের অর্থ এখন দেশটিকে ৬০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে।

ডিসেম্বরে পার্লামেন্ট ইওলকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর শুক্রবার আদালতের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এখন তার অপসারণ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং তাকে প্রেসিডেন্টের বাসভবন ত্যাগ করতে হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত গত বছরের শেষের দিকে সামরিক আইন ঘোষণার জন্য অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণের রায় দিয়েছে। ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইউন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সামরিক আইন ঘোষণা করেন।

সে সময় তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রবিরোধী এবং উত্তর কোরিয়ার শক্তি সরকারে অনুপ্রবেশ করেছে। কিন্তু দেশের জাতীয় পরিষদ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পাঠানো ঊর্ধ্বতন সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তখনকার প্রেসিডেন্ট ইউন তার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিবিদদের আটক করতে এবং তার সামরিক শাসনের আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংসদকে ভোটদান থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।এদিকে, ৬৪ বছর বয়সী ইউন রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে এখনো ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখি। তিনি জানুয়ারির ১৫ তারিখে দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রেপ্তার হন, যদিও মার্চ মাসে আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল করলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

গত ৩ ডিসেম্বর ইউনের সামরিক আইন জারির ঘোষণার মাধ্যমে এই সংকটের সূত্রপাত হয়। তিনি বলেছিলেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ উপাদান এবং বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার কথিত অপব্যবহারের মূলোৎপাটনের জন্য এটি জরুরি ছিল, যা তার মতে দেশকে ধ্বংস করছিল। তবে আইনপ্রণেতারা নিরাপত্তা বাহিনীর সংসদ ভবন সিল করার প্রচেষ্টা উপেক্ষা করে সামরিক আইন প্রত্যাখ্যানের পক্ষে ভোট দিলে ছয় ঘণ্টা পর ইউন ওই আদেশ প্রত্যাহার করে নেন। ইউন দাবি করেন, তাঁর কখনোই জরুরি সামরিক শাসন সম্পূর্ণরূপে জারির কোনো উদ্দেশ্য ছিল না এবং তিনি এর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এতে কেউ আহত হয়নি। এরপর থেকে মাসব্যাপী বিক্ষোভ চলে আসছে। আদালতের এই রায়ের ফলে ইউনের সামরিক আইন ঘোষণার কারণে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রশমিত হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ১১২ জন নিহত

যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ স্থগিত করতে ইউরোপের প্রতি আহ্বান মাখোঁর

ছবি

মায়ানমারে ভূমিকম্পে গৃহহীন ৩০ লাখ মানুষ

বাণিজ্য যুদ্ধে কেউ-ই বিজয়ী হয় না : ইউরোপীয় ইউনিয়ন

ছবি

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাস, কী আছে এতে

ছবি

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউনকে অভিশংসনে আদালতের অনুমোদন

ছবি

ভারতের লোকসভায় বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস

ছবি

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় তিন স্কুলে নিহত ৩৩, শিশুসহ আহত শতাধিক

ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য তৈরি করলে শুল্ক থেকে মুক্তি: ট্রাম্প

ছবি

বিশ্ব নেতারা বলছেন, ট্রাম্পের শুল্ক সিদ্ধান্ত ‘ভুল’ ও ‘অযৌক্তিক’

ছবি

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি করোনায় আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি

জার্মানিতে দ্বৈত নাগরিকদের নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক

ছবি

মালয়েশিয়ায় গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ, আহত বেড়ে ১১২

ছবি

ইউক্রেন নিয়ে মার্কিন প্রস্তাবের ‘বর্তমান রূপ’ গ্রহণযোগ্য নয় : রাশিয়া

পশ্চিমবঙ্গ-গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ২১

গাজায় বালির মধ্যে কবরে মিলল ১৫ উদ্ধারকর্মীর লাশ

ইলিনয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে কিশোর ছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

ছবি

মায়ানমারে ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ২৮৮৬

ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার

ছবি

মারিন লু পেনের নির্বাচনী নিষেধাজ্ঞায় ইউরোপের ডানপন্থিদের উদ্বেগ

ছবি

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ১৭ জনের মৃত্যু

ছবি

গাজায় গণকবরে ১৫ উদ্ধারকর্মীর মরদেহ, তদন্তের দাবি

ছবি

মালয়েশিয়ায় গ্যাস পাইপলাইনে অগ্নিকাণ্ড, আহত ৬৩

ছবি

মায়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭১৯

ছবি

লিথুয়ানিয়ায় নিখোঁজ ৪ মার্কিন সেনার তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

ছবি

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে উপযুক্ত জবাব দেবে তেহরান: খামেনি

ছবি

ভূমিকম্পে মায়ানমারে মৃত্যু ২ হাজার ছাড়িয়েছে, উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত

ছবি

ভূমিকম্পে প্রাণহানি ২০০০ ছাড়াল, মায়ানমারে ৭ দিনের জাতীয় শোক

ছবি

পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে অনড় ইরান, বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের

ছবি

ধ্বংসস্তূপেই নামাজ, ঈদের দিনেও গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬৪

ছবি

মায়ানমারে ভূমিকম্প: ৬০ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার ৪ জন

ছবি

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৪

ছবি

রোববার সৌদি আরবে ঈদুল ফিতর উদযাপন

ছবি

নেপালে রাজতন্ত্রপন্থি আন্দোলনে সহিংসতার তদন্ত করছে সরকার

ছবি

ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে ৪ পুলিশসহ নিহত ৬

ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১৬ সন্দেহভাজন মাওবাদী নিহত

tab

আন্তর্জাতিক

দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

বিদেশী সংবাদ মাধ্যম

শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়। এই রায়ের অর্থ এখন দেশটিকে ৬০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে।

ডিসেম্বরে পার্লামেন্ট ইওলকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর শুক্রবার আদালতের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এখন তার অপসারণ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং তাকে প্রেসিডেন্টের বাসভবন ত্যাগ করতে হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত গত বছরের শেষের দিকে সামরিক আইন ঘোষণার জন্য অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণের রায় দিয়েছে। ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইউন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সামরিক আইন ঘোষণা করেন।

সে সময় তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রবিরোধী এবং উত্তর কোরিয়ার শক্তি সরকারে অনুপ্রবেশ করেছে। কিন্তু দেশের জাতীয় পরিষদ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পাঠানো ঊর্ধ্বতন সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তখনকার প্রেসিডেন্ট ইউন তার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিবিদদের আটক করতে এবং তার সামরিক শাসনের আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংসদকে ভোটদান থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।এদিকে, ৬৪ বছর বয়সী ইউন রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে এখনো ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখি। তিনি জানুয়ারির ১৫ তারিখে দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রেপ্তার হন, যদিও মার্চ মাসে আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল করলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

গত ৩ ডিসেম্বর ইউনের সামরিক আইন জারির ঘোষণার মাধ্যমে এই সংকটের সূত্রপাত হয়। তিনি বলেছিলেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ উপাদান এবং বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার কথিত অপব্যবহারের মূলোৎপাটনের জন্য এটি জরুরি ছিল, যা তার মতে দেশকে ধ্বংস করছিল। তবে আইনপ্রণেতারা নিরাপত্তা বাহিনীর সংসদ ভবন সিল করার প্রচেষ্টা উপেক্ষা করে সামরিক আইন প্রত্যাখ্যানের পক্ষে ভোট দিলে ছয় ঘণ্টা পর ইউন ওই আদেশ প্রত্যাহার করে নেন। ইউন দাবি করেন, তাঁর কখনোই জরুরি সামরিক শাসন সম্পূর্ণরূপে জারির কোনো উদ্দেশ্য ছিল না এবং তিনি এর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এতে কেউ আহত হয়নি। এরপর থেকে মাসব্যাপী বিক্ষোভ চলে আসছে। আদালতের এই রায়ের ফলে ইউনের সামরিক আইন ঘোষণার কারণে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রশমিত হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

back to top