চীনের পাল্টা শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, “চীন ভুল করেছে, তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।”
শুক্রবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একাধিক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “এটা ধনী হওয়ার ভালো সময়। কেবল দুর্বলরাই পড়ে যাবে।” একইসঙ্গে তিনি শেয়ার বাজারে ধস নিয়ে দুশ্চিন্তা না করতে মার্কিন নাগরিকদের আহ্বান জানান।
বুধবার ঘোষিত নতুন ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ নীতির আওতায় শতাধিক দেশের পণ্যে শুল্ক আরোপের ফলে বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে টানা দ্বিতীয় দিনও ধস নেমেছে। ওয়াল স্ট্রিটে ডাও জোন্স সূচক পড়েছে ৫.৫ শতাংশ, এসঅ্যান্ডপি ৫.৯৭ শতাংশ। মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ কোটি ডলার।
যুক্তরাষ্ট্র চীনের পণ্যে ৩৪ শতাংশ শুল্ক বসানোর পর পাল্টা শুল্কের ঘোষণা দেয় বেইজিং। পাশাপাশি বিরল খনিজ রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় অভিযোগ জানানোর কথাও বলেছে চীন।
চীন বলেছে, “জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আমরা আইন অনুযায়ী কাজ করব।”
মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল সতর্ক করে বলেছেন, শুল্কের ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে, প্রবৃদ্ধি কমতে পারে।
তবু ট্রাম্প আত্মবিশ্বাসী। তিনি লিখেছেন, “আমার নীতি বদলাবে না। বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো শুল্ক নিয়ে চিন্তিত নয়। তারা এখানে এসেছে, এখানে থাকবে।”
চীনের মতো তীব্র প্রতিক্রিয়া না দেখালেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জানিয়েছে, তারা ধীরস্থির, ঐক্যবদ্ধ ও সংলাপভিত্তিক কৌশল গ্রহণ করবে। ইইউ বাণিজ্য কমিশনার মারোস সেফকোভিচ বলেছেন, “আমরা অলস বসে থাকব না, প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নেব।”
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
চীনের পাল্টা শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, “চীন ভুল করেছে, তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।”
শুক্রবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একাধিক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “এটা ধনী হওয়ার ভালো সময়। কেবল দুর্বলরাই পড়ে যাবে।” একইসঙ্গে তিনি শেয়ার বাজারে ধস নিয়ে দুশ্চিন্তা না করতে মার্কিন নাগরিকদের আহ্বান জানান।
বুধবার ঘোষিত নতুন ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ নীতির আওতায় শতাধিক দেশের পণ্যে শুল্ক আরোপের ফলে বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে টানা দ্বিতীয় দিনও ধস নেমেছে। ওয়াল স্ট্রিটে ডাও জোন্স সূচক পড়েছে ৫.৫ শতাংশ, এসঅ্যান্ডপি ৫.৯৭ শতাংশ। মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ কোটি ডলার।
যুক্তরাষ্ট্র চীনের পণ্যে ৩৪ শতাংশ শুল্ক বসানোর পর পাল্টা শুল্কের ঘোষণা দেয় বেইজিং। পাশাপাশি বিরল খনিজ রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় অভিযোগ জানানোর কথাও বলেছে চীন।
চীন বলেছে, “জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আমরা আইন অনুযায়ী কাজ করব।”
মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল সতর্ক করে বলেছেন, শুল্কের ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে, প্রবৃদ্ধি কমতে পারে।
তবু ট্রাম্প আত্মবিশ্বাসী। তিনি লিখেছেন, “আমার নীতি বদলাবে না। বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো শুল্ক নিয়ে চিন্তিত নয়। তারা এখানে এসেছে, এখানে থাকবে।”
চীনের মতো তীব্র প্রতিক্রিয়া না দেখালেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জানিয়েছে, তারা ধীরস্থির, ঐক্যবদ্ধ ও সংলাপভিত্তিক কৌশল গ্রহণ করবে। ইইউ বাণিজ্য কমিশনার মারোস সেফকোভিচ বলেছেন, “আমরা অলস বসে থাকব না, প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নেব।”