যুক্তরাষ্ট্রে ‘অর্থনৈতিক স্বাধীনতা’ আনার লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বজুড়ে একযোগে শুল্কের খড়্গ চাপানোর পর, এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশটির ভোক্তাদের পকেটেও। গত ৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই শুল্কের ফলে অনেক দৈনন্দিন পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যেসব পণ্যে শুল্কের চাপ পড়বে:
পোশাক: চীন, বাংলাদেশ, ও ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা পোশাকে ৩৪ থেকে ৪৬ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানো হয়েছে। এতে মার্কিনদের প্রিয় ব্র্যান্ড টার্গেট, ওয়ালমার্ট, গ্যাপ, এইচঅ্যান্ডএম-এর পণ্যদাম বাড়তে পারে।
কফি: মার্কিনদের প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ কফি—এর মূল উৎস ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও ভিয়েতনাম। এসব দেশের ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্কে প্রতিদিনের কফি পানেও গুনতে হতে পারে বাড়তি টাকা।
অলিভ অয়েল ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য: ইতালি, স্পেন, গ্রিসসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর পণ্যে ২০ শতাংশ শুল্কে বাড়তে পারে অলিভ অয়েলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যের দাম।
জুতা: নাইকে ও অ্যাডিডাসের বেশিরভাগ জুতা উৎপাদিত হয় ভিয়েতনামে। এসব জুতায় বাড়তি শুল্কে আগামী দিনে মার্কিনদের পায়ের চাহিদাও চাপ ফেলবে পকেটে।
ওয়াইন ও অ্যালকোহল: ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় দেশগুলোর ওয়াইন ও বিয়ারে শুল্কের ধাক্কায় এই পণ্যের দামও বাড়তে পারে। ইউবিএস-এর বিশ্লেষকরা বলছেন, দাম ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।
ইলেকট্রনিক্স পণ্য: চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান থেকে আমদানি করা আইফোন, মোবাইল, টেলিভিশন, ভিডিও গেমিং কনসোলের দাম বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদেরা।
ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল জানিয়েছেন, এই শুল্কমূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি বাড়াবে, প্রবৃদ্ধি কমাবে। একইসঙ্গে স্বল্প আয়ের মার্কিন পরিবারগুলো বেশি চাপে পড়বে বলে সতর্ক করেছে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন।
শুল্ক আরোপের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো ও অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাধ্য করার পরিকল্পনা থাকলেও, তার প্রথম ধাক্কা সামলাতে হচ্ছে সাধারণ মার্কিন ভোক্তাদেরই।
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রে ‘অর্থনৈতিক স্বাধীনতা’ আনার লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বজুড়ে একযোগে শুল্কের খড়্গ চাপানোর পর, এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশটির ভোক্তাদের পকেটেও। গত ৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই শুল্কের ফলে অনেক দৈনন্দিন পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যেসব পণ্যে শুল্কের চাপ পড়বে:
পোশাক: চীন, বাংলাদেশ, ও ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা পোশাকে ৩৪ থেকে ৪৬ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানো হয়েছে। এতে মার্কিনদের প্রিয় ব্র্যান্ড টার্গেট, ওয়ালমার্ট, গ্যাপ, এইচঅ্যান্ডএম-এর পণ্যদাম বাড়তে পারে।
কফি: মার্কিনদের প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ কফি—এর মূল উৎস ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও ভিয়েতনাম। এসব দেশের ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্কে প্রতিদিনের কফি পানেও গুনতে হতে পারে বাড়তি টাকা।
অলিভ অয়েল ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য: ইতালি, স্পেন, গ্রিসসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর পণ্যে ২০ শতাংশ শুল্কে বাড়তে পারে অলিভ অয়েলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যের দাম।
জুতা: নাইকে ও অ্যাডিডাসের বেশিরভাগ জুতা উৎপাদিত হয় ভিয়েতনামে। এসব জুতায় বাড়তি শুল্কে আগামী দিনে মার্কিনদের পায়ের চাহিদাও চাপ ফেলবে পকেটে।
ওয়াইন ও অ্যালকোহল: ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় দেশগুলোর ওয়াইন ও বিয়ারে শুল্কের ধাক্কায় এই পণ্যের দামও বাড়তে পারে। ইউবিএস-এর বিশ্লেষকরা বলছেন, দাম ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।
ইলেকট্রনিক্স পণ্য: চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান থেকে আমদানি করা আইফোন, মোবাইল, টেলিভিশন, ভিডিও গেমিং কনসোলের দাম বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদেরা।
ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল জানিয়েছেন, এই শুল্কমূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি বাড়াবে, প্রবৃদ্ধি কমাবে। একইসঙ্গে স্বল্প আয়ের মার্কিন পরিবারগুলো বেশি চাপে পড়বে বলে সতর্ক করেছে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন।
শুল্ক আরোপের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো ও অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাধ্য করার পরিকল্পনা থাকলেও, তার প্রথম ধাক্কা সামলাতে হচ্ছে সাধারণ মার্কিন ভোক্তাদেরই।