জাতিসংঘের প্যালেস্টাইনি শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডাব্লিউএ) অনুসারে, গাজায় প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ জন শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে। ইসরায়েলি বিমান হামলা তীব্রতর হওয়ার কারণে এমনটা হচ্ছে। এদিকে মানবিক সাহায্য এখনও বন্ধ রয়েছে। ইউএনআরডাব্লিউএ-এর প্রধান লাজ্জারিনি এক্স-এ লিখেছেন, ‘এটা ভয়াবহ।
হামলা পুনরায় শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ জন শিশু নিহত বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।’ তিনি ইউনিসেফের পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করে বলেন, ‘শিশুদের হত্যাকে কিছুতেই সমর্থন করা যায়না।’ দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘শিশুদের তৈরি নয় এমন একটি যুদ্ধে তরুণদের জীবন চলে যাচ্ছে।’ গাজার সবচেয়ে ছোট বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করার জন্য নতুন প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ইউনিসেফের পরিসংখ্যান অনুসারে, ১৮ মার্চ ইসরায়েল তাদের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার পর থেকে ৩২২ জন প্যালেস্টাইনি শিশু নিহত এবং ৬০৯ জন আহত হয়েছে। ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর এই আক্রমণ পুনরায় শুরু হয়েছে। জাতিসংঘের সংস্থাটি সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছে, গাজার দশ লাখ শিশু ক্রমাগত বোমাবর্ষণ এবং ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকটের শিকার হচ্ছে। ইসরায়েলের ছিটমহলে সাহায্যের অব্যাহত অবরোধের ফলে এ সংকট আরো তীব্রতর হচ্ছে। লাজ্জারিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন, গাজা প্যালেস্টাইনি শিশুদের জন্য একটি নিষিদ্ধ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ পুনরায় শুরু হওয়ার ফলে গাজা আবার তাদের শৈশব কেড়ে নিচ্ছে।
যুদ্ধ গাজাকে শিশুদের জন্য ‘নো-ল্যান্ড’-এ পরিণত করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি আমাদের সাধারণ মানবতার ওপর একটি কলঙ্ক। কোনো কিছুতেই শিশু হত্যাকে ন্যায্যতা দেয়া যায় না। ’ তিনি অবিলম্বে যুদ্ধবিরতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
এর আগে পাকিস্তান গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে (ইউএনএসসি) কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়। জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আসিম ইফতেখার আহমদ বলেন, ‘ইসরাইলের এই পদক্ষেপ জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক আইন এবং হামাসের সঙ্গে করা যুদ্ধবিরতির চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’ আলজেরিয়ার আহ্বানে এবং পাকিস্তান, চীন, সোমালিয়া ও রাশিয়ার সমর্থনে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের পরিস্থিতি নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রদূত আসিম ইফতেখার বলেন, ‘ফিলিস্তিনের এই পরিস্থিতি মানবতার চরম অবক্ষয়ের প্রতিচ্ছবি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আর নীরব থাকার সুযোগ নেই।’
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
জাতিসংঘের প্যালেস্টাইনি শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডাব্লিউএ) অনুসারে, গাজায় প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ জন শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে। ইসরায়েলি বিমান হামলা তীব্রতর হওয়ার কারণে এমনটা হচ্ছে। এদিকে মানবিক সাহায্য এখনও বন্ধ রয়েছে। ইউএনআরডাব্লিউএ-এর প্রধান লাজ্জারিনি এক্স-এ লিখেছেন, ‘এটা ভয়াবহ।
হামলা পুনরায় শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ জন শিশু নিহত বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।’ তিনি ইউনিসেফের পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করে বলেন, ‘শিশুদের হত্যাকে কিছুতেই সমর্থন করা যায়না।’ দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘শিশুদের তৈরি নয় এমন একটি যুদ্ধে তরুণদের জীবন চলে যাচ্ছে।’ গাজার সবচেয়ে ছোট বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করার জন্য নতুন প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ইউনিসেফের পরিসংখ্যান অনুসারে, ১৮ মার্চ ইসরায়েল তাদের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার পর থেকে ৩২২ জন প্যালেস্টাইনি শিশু নিহত এবং ৬০৯ জন আহত হয়েছে। ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর এই আক্রমণ পুনরায় শুরু হয়েছে। জাতিসংঘের সংস্থাটি সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছে, গাজার দশ লাখ শিশু ক্রমাগত বোমাবর্ষণ এবং ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকটের শিকার হচ্ছে। ইসরায়েলের ছিটমহলে সাহায্যের অব্যাহত অবরোধের ফলে এ সংকট আরো তীব্রতর হচ্ছে। লাজ্জারিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন, গাজা প্যালেস্টাইনি শিশুদের জন্য একটি নিষিদ্ধ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ পুনরায় শুরু হওয়ার ফলে গাজা আবার তাদের শৈশব কেড়ে নিচ্ছে।
যুদ্ধ গাজাকে শিশুদের জন্য ‘নো-ল্যান্ড’-এ পরিণত করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি আমাদের সাধারণ মানবতার ওপর একটি কলঙ্ক। কোনো কিছুতেই শিশু হত্যাকে ন্যায্যতা দেয়া যায় না। ’ তিনি অবিলম্বে যুদ্ধবিরতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
এর আগে পাকিস্তান গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে (ইউএনএসসি) কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়। জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আসিম ইফতেখার আহমদ বলেন, ‘ইসরাইলের এই পদক্ষেপ জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক আইন এবং হামাসের সঙ্গে করা যুদ্ধবিরতির চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’ আলজেরিয়ার আহ্বানে এবং পাকিস্তান, চীন, সোমালিয়া ও রাশিয়ার সমর্থনে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের পরিস্থিতি নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রদূত আসিম ইফতেখার বলেন, ‘ফিলিস্তিনের এই পরিস্থিতি মানবতার চরম অবক্ষয়ের প্রতিচ্ছবি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আর নীরব থাকার সুযোগ নেই।’