alt

আন্তর্জাতিক

অসহনীয় হয়ে উঠেছে দমনপীড়ন : ইমরান খান

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩

পাকিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তুমুল চাপের কয়েকটি সপ্তাহ পার করলেন; এই সময়ের মধ্যেই তার কয়েক হাজার কর্মী জেলে গেছেন, দলও ছেড়েছেন কয়েক ডজন নেতা।

দেশের মধ্যে বিপুল জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও সামরিক স্থাপনায় হামলাকে ঘিরে তার দল নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে, নিজেও সামরিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন- এমন সব আশঙ্কা মনে থাকলেও তেহরিক ই ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান কিন্তু এখনও অবিচল।

“আপনারা মনে করতে পারেন এটা আমার জন্য বড় সংকট। আমি মনে করছি না,” বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এমনটাই বলেছেন।

লাহোরের জামান পার্কের বাড়ির উঠানে সহজে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এমন একটি কক্ষকে ইমরান এখন মিডিয়া রুম হিসেবে ব্যবহার করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি সরাসরি যত ভাষণ দেন, তার প্রায় সবই এখান থেকে হয়। বিবিসিকে সাক্ষাৎকারও তিনি একই স্থানেই দিয়েছেন।

তার চোখেমুখে দৃঢ়তার ছাপ ছিল; নির্বাচন হলে তাতে যে তিনি বিজয়ী হবেন, সেই আত্মবিশ্বাস দেখানোর চেষ্টায় কার্পণ্য করেননি পিটিআই চেয়ারম্যান।

কিন্তু দলের নেতাকর্মীরা তাতে আস্থা রাখছেন বলে মনে হচ্ছে না। অল্প কয়েকদিনের মধ্যে ইমরান পিটিআইয়ের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাওয়াদ চৌধুরী এবং একসময় তার মানবাধিকার বিষয়ক মন্ত্রী শিরিন মাজারিসহ দুই ডজনের বেশি সহকর্মী হারিয়েছেন।

“প্রথমত, যারা চলে গেছে, তাদের জায়গাগুলো ভরাট করতে হবে। তরুণরা আসবে। হয়তো তারাও গ্রেপ্তার হবে,” বলেন চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া ইমরান।

এভাবে কোনো দল চলতে পারে- বিবিসির এমন প্রশ্নের জবাবে পিটিআই চেয়ারম্যান বলেন,“আপনি এই ধরনের সন্ত্রাসী কৌশল অল্প সময়ে জন্যই ব্যবহার করতে পারেন। তবে পুরো পরিস্থিতিই অসহনীয় হয়ে উঠেছে।”

সরকারের এই দমনপীড়ন কমে আসবে, এমন কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না।

পরিস্থিতি যে জটিল, তা ইমরানের সমর্থকরাও স্বীকার করছেন। তবে কেউ কেউ বলছেন, এমন সংকটময় মুহূর্তেই ইমরানের সেরাটা বেরিয়ে আসে, লড়াই তিনি উপভোগ করেন।

তবে এখন তাকে আগের তুলনায় খানিকটা জনবিচ্ছিন্নই মনে হচ্ছে। আগে তার বাড়ির সামনে ভক্ত-সমর্থকদের বিপুল ভিড় থাকত। এখন ফটকের ভেতর থাকাদের বেশিরভাগই দলীয় আইনজীবী।

ইমরানের কণ্ঠেও আগের তেজ নেই। অনেকেরই ধারণা, সেনাবাহিনীর সঙ্গে ঝামেলা পাকানোর কারণেই তাকে ক্ষমতা হারাতে হয়েছে, আর এখন ইমরান সেই সেনাবাহিনীর সঙ্গেই কথা বলতে আগ্রহী।

পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর কোনো ভূমিকাই থাকবে না, এমনটা বোকার স্বর্গেই ভাবা সম্ভব, বলেছেন তিনি।

“তারা কী ভাবছে, তা জানতে আগ্রহী আমি। তারা মানে, ক্ষমতা কাঠামোতে যারা আছে, তারা। এই ক্ষমতার দৌড় থেকে আমাকে হটিয়ে দিলে পাকিস্তানের কী লাভ হবে?”

সেনাবাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করা কিছুদিন আগেও খুব একটা সহজ ছিল না ইমরানের জন্য, কিন্তু এখন তার রাজনৈতিক অবস্থান তো আরও দুর্বল; এই অবস্থায় সেনাবাহিনী কেনইবা তার সঙ্গে কথা বলতে রাজি হবে? পিটিআই চেয়ারম্যানের ঝোলায় কী এমন আছে, যা সেনাবাহিনীকে আকৃষ্ট করবে?

ইমরান এসব নিয়ে কিছু বলতে আগ্রহী হননি। বলেছেন, তিনি কেবল আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন, অন্য কিছু নয়।

গত বছর ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে ‍দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রদ্রোহীতা পর্যন্ত ডজনের বেশি অভিযোগ আনা হয়েছে। যে কারণে মে-র দ্বিতীয় সপ্তাহে তাকে গ্রেপ্তার করাটা খুব একটা অপ্রত্যাশিতও ছিল না।

তার আগে প্রাদেশিক ও জাতীয় নির্বাচন কখন হবে, তা নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। সেই আলোচনা ভেঙে গেল, এরপর ইমরানকে গ্রেপ্তার পরিস্থিতি নাজুক করে তুলল।

এখন তার দলের নেতাদের যেভাবে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, তার সঙ্গে তার শাসনামলে বিরোধীদের কারাগারে পাঠানোর মিল নেই বলেও দাবি করেন গত বছর আস্থা ভোটে ক্ষমতা হারানো ইমরান।

“বিরোধীদের বিরুদ্ধে যেসব মামলা ছিল, তার ৯৫ শতাংশই করা হয়েছিল, আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই। আমরা কেবল মামলাগুলো চালিয়ে নিয়েছি,” বলেন তিনি।

দৃশ্যত, ইমরান বেশ চাপেই আছেন। এখান থেকে বের হতে কোনো বিরাট পরিকল্পনা আছে কী, নাকি তা জানাতে চান না- পিটিআই চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চায় বিবিসি।

“আমি কেবল পুরো পরিস্থিতি দেখছি, অপেক্ষা করছি। হতে পারে, তারা আমাকে জেলে পাঠাবে। তাদের ধারণা হচ্ছে, আমি হয়তো হাল ছেড়ে দেবো, বা আমি পুরো ব্যাপারটা মেনে নেবো এবং চুপ থাকবো। তেমন কিছু হবে না,” এর বেশি কিছু আর বলতে চাননি ইমরান।

ছবি

রসায়নে নোবেল পেলেন তিন গবেষক

ছবি

মার্কিন কংগ্রেসে ভোট: স্পিকারের পদ হারালেন ম্যাকার্থি

ছবি

প্রবল বৃষ্টিতে সিকিমে আকস্মিক বন্যা, ২৩ ভারতীয় সেনা নিখোঁজ

ছবি

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার নিউজক্লিকের সাংবাদিক

ছবি

ফ্লাইওভার থেকে বাস ছিটকে নিচে পড়ে নিহত ২১

ছবি

ডেঙ্গুর নতুন টিকার অনুমোদন দিল ডব্লিউএইচও

ছবি

দুর্নীতির মামলায় ট্রাম্পের বিচার শুরু

ছবি

মার্কিন স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব

ছবি

অর্থপাচারকারীদের ২০০ কোটি ডলারের সম্পদ জব্দ সিঙ্গাপুরে

ছবি

কানাডাকে ৪১ কূটনীতিক সরিয়ে নিতে বলেছে ভারত

ছবি

কিয়েভে ঐতিহাসিক বৈঠক ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের

ছবি

ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপের বাণিজ্য করিডর কি চীনকে টেক্কা দিতে পারবে

ছবি

পিটার হাসের বক্তব্য স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর চাপ, সমাবেশে সাংবাদিকনেতারা

ছবি

পদার্থে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

ছবি

খালেদা জিয়া ইস্যুতে সরকার আইনের কোনো ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে না : তথ্যমন্ত্রী

ছবি

রাশিয়ার বিমান হামলা থেকে রক্ষায় ভূগর্ভস্থ স্কুল তৈরি করছে ইউক্রেন

ছবি

১৮৯৮ সালের পর সবচেয়ে উষ্ণ সেপ্টেম্বর জাপানে

ছবি

ইউক্রেনে মার্কিন সামরিক সহায়তার কঠোর সমালোচনা মেক্সিকোর

ছবি

ভারতে এক হাসপাতালে ১২ নবজাতকসহ ২৪ জনের মৃত্যু

ছবি

বাংলাদেশসহ ৪০ দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ

ছবি

সাইবার আক্রমণের শিকার ব্রিটিশ রাজপরিবারের ওয়েবসাইট

ছবি

মেক্সিকোতে কার্গো ট্রাক দুর্ঘটনায় ১০ অভিবাসী নিহত

ছবি

তুরস্কে সংসদ ভবনের কাছে আত্মঘাতী বোমা হামলা

ছবি

সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১১ হাজারেরও বেশি প্রবাসী গ্রেপ্তার

ছবি

দিল্লিতে আফগান দূতাবাসের কার্যক্রম বন্ধ

ছবি

যেভাবে শাটডাউন এড়ালো যুক্তরাষ্ট্র

ছবি

ভারতে ট্যুরিস্ট বাস খাদে পড়ে নিহত ৮

ছবি

জার্মানিতে অভিবাসন নীতি নিয়ে বাড়ছে অসন্তোষ

ছবি

বাংলাদেশ-জাপান ১৫০০ মিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি সই

ছবি

শাটডাউনের মুখ থেকে বেঁচে গেলো যুক্তরাষ্ট্র

ছবি

মালদ্বীপের নতুন প্রেসিডেন্ট ‘ভারতবিরোধী’ নেতা মোহামেদ মুইজ্জু

ছবি

বাস্তবায়নের পথে সৌদি-ইসরায়েল চুক্তি: যুক্তরাষ্ট্র

ছবি

দখলকৃত যে ৪ অঞ্চল পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি পুতিনের

ছবি

ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্কটল্যান্ডের গুরুদুয়ারায় ঢুকতে বাধা

ছবি

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে এক বছরে কর্মসংস্থান বেড়েছে

ছবি

জেলে ফিলিস্তিনির সঙ্গে যৌন সম্পর্ক, নারী গার্ডদের সরাবে ইসরায়েল

tab

আন্তর্জাতিক

অসহনীয় হয়ে উঠেছে দমনপীড়ন : ইমরান খান

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩

পাকিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তুমুল চাপের কয়েকটি সপ্তাহ পার করলেন; এই সময়ের মধ্যেই তার কয়েক হাজার কর্মী জেলে গেছেন, দলও ছেড়েছেন কয়েক ডজন নেতা।

দেশের মধ্যে বিপুল জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও সামরিক স্থাপনায় হামলাকে ঘিরে তার দল নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে, নিজেও সামরিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন- এমন সব আশঙ্কা মনে থাকলেও তেহরিক ই ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান কিন্তু এখনও অবিচল।

“আপনারা মনে করতে পারেন এটা আমার জন্য বড় সংকট। আমি মনে করছি না,” বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এমনটাই বলেছেন।

লাহোরের জামান পার্কের বাড়ির উঠানে সহজে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এমন একটি কক্ষকে ইমরান এখন মিডিয়া রুম হিসেবে ব্যবহার করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি সরাসরি যত ভাষণ দেন, তার প্রায় সবই এখান থেকে হয়। বিবিসিকে সাক্ষাৎকারও তিনি একই স্থানেই দিয়েছেন।

তার চোখেমুখে দৃঢ়তার ছাপ ছিল; নির্বাচন হলে তাতে যে তিনি বিজয়ী হবেন, সেই আত্মবিশ্বাস দেখানোর চেষ্টায় কার্পণ্য করেননি পিটিআই চেয়ারম্যান।

কিন্তু দলের নেতাকর্মীরা তাতে আস্থা রাখছেন বলে মনে হচ্ছে না। অল্প কয়েকদিনের মধ্যে ইমরান পিটিআইয়ের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাওয়াদ চৌধুরী এবং একসময় তার মানবাধিকার বিষয়ক মন্ত্রী শিরিন মাজারিসহ দুই ডজনের বেশি সহকর্মী হারিয়েছেন।

“প্রথমত, যারা চলে গেছে, তাদের জায়গাগুলো ভরাট করতে হবে। তরুণরা আসবে। হয়তো তারাও গ্রেপ্তার হবে,” বলেন চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া ইমরান।

এভাবে কোনো দল চলতে পারে- বিবিসির এমন প্রশ্নের জবাবে পিটিআই চেয়ারম্যান বলেন,“আপনি এই ধরনের সন্ত্রাসী কৌশল অল্প সময়ে জন্যই ব্যবহার করতে পারেন। তবে পুরো পরিস্থিতিই অসহনীয় হয়ে উঠেছে।”

সরকারের এই দমনপীড়ন কমে আসবে, এমন কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না।

পরিস্থিতি যে জটিল, তা ইমরানের সমর্থকরাও স্বীকার করছেন। তবে কেউ কেউ বলছেন, এমন সংকটময় মুহূর্তেই ইমরানের সেরাটা বেরিয়ে আসে, লড়াই তিনি উপভোগ করেন।

তবে এখন তাকে আগের তুলনায় খানিকটা জনবিচ্ছিন্নই মনে হচ্ছে। আগে তার বাড়ির সামনে ভক্ত-সমর্থকদের বিপুল ভিড় থাকত। এখন ফটকের ভেতর থাকাদের বেশিরভাগই দলীয় আইনজীবী।

ইমরানের কণ্ঠেও আগের তেজ নেই। অনেকেরই ধারণা, সেনাবাহিনীর সঙ্গে ঝামেলা পাকানোর কারণেই তাকে ক্ষমতা হারাতে হয়েছে, আর এখন ইমরান সেই সেনাবাহিনীর সঙ্গেই কথা বলতে আগ্রহী।

পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর কোনো ভূমিকাই থাকবে না, এমনটা বোকার স্বর্গেই ভাবা সম্ভব, বলেছেন তিনি।

“তারা কী ভাবছে, তা জানতে আগ্রহী আমি। তারা মানে, ক্ষমতা কাঠামোতে যারা আছে, তারা। এই ক্ষমতার দৌড় থেকে আমাকে হটিয়ে দিলে পাকিস্তানের কী লাভ হবে?”

সেনাবাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করা কিছুদিন আগেও খুব একটা সহজ ছিল না ইমরানের জন্য, কিন্তু এখন তার রাজনৈতিক অবস্থান তো আরও দুর্বল; এই অবস্থায় সেনাবাহিনী কেনইবা তার সঙ্গে কথা বলতে রাজি হবে? পিটিআই চেয়ারম্যানের ঝোলায় কী এমন আছে, যা সেনাবাহিনীকে আকৃষ্ট করবে?

ইমরান এসব নিয়ে কিছু বলতে আগ্রহী হননি। বলেছেন, তিনি কেবল আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন, অন্য কিছু নয়।

গত বছর ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে ‍দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রদ্রোহীতা পর্যন্ত ডজনের বেশি অভিযোগ আনা হয়েছে। যে কারণে মে-র দ্বিতীয় সপ্তাহে তাকে গ্রেপ্তার করাটা খুব একটা অপ্রত্যাশিতও ছিল না।

তার আগে প্রাদেশিক ও জাতীয় নির্বাচন কখন হবে, তা নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। সেই আলোচনা ভেঙে গেল, এরপর ইমরানকে গ্রেপ্তার পরিস্থিতি নাজুক করে তুলল।

এখন তার দলের নেতাদের যেভাবে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, তার সঙ্গে তার শাসনামলে বিরোধীদের কারাগারে পাঠানোর মিল নেই বলেও দাবি করেন গত বছর আস্থা ভোটে ক্ষমতা হারানো ইমরান।

“বিরোধীদের বিরুদ্ধে যেসব মামলা ছিল, তার ৯৫ শতাংশই করা হয়েছিল, আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই। আমরা কেবল মামলাগুলো চালিয়ে নিয়েছি,” বলেন তিনি।

দৃশ্যত, ইমরান বেশ চাপেই আছেন। এখান থেকে বের হতে কোনো বিরাট পরিকল্পনা আছে কী, নাকি তা জানাতে চান না- পিটিআই চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চায় বিবিসি।

“আমি কেবল পুরো পরিস্থিতি দেখছি, অপেক্ষা করছি। হতে পারে, তারা আমাকে জেলে পাঠাবে। তাদের ধারণা হচ্ছে, আমি হয়তো হাল ছেড়ে দেবো, বা আমি পুরো ব্যাপারটা মেনে নেবো এবং চুপ থাকবো। তেমন কিছু হবে না,” এর বেশি কিছু আর বলতে চাননি ইমরান।

back to top