alt

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন আয়ের উৎস তৈরি এবং দক্ষতা বাড়াতে ভূমিকা রাখছে মোবাইল সংযোগ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : শুক্রবার, ০৩ মে ২০২৪

কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে, ডিজিটাল ভবিষ্যতের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধি করতে এবং ফ্রিল্যান্স থেকে বাড়তি উপার্জনের ক্ষেত্রে মোবাইল প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাচ্ছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ “টেলিনর এশিয়া ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড” শীর্ষক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এশিয়া জুড়ে আট হাজার মানুষ এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৬ জনই বলছেন, তারা দিনের অর্ধেকেরও বেশি সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। একইসাথে ৬২ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করেন, আগামী ১ থেকে ২ বছরের মধ্যে তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের হার আরও বাড়বে। মূলত কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনেই মোবাইল ফোন ব্যবহারের মাত্রা বাড়ছে। এর পরেই কারণ হিসেবে রয়েছে দৈনন্দিন কেনাকাটা, রিটেইল ও ব্যাংকিংয়ের মত অনলাইন সেবা গ্রহণ। সমীক্ষায় আরও উঠে আসে যে ৯৬ শতাংশ মানুষের মতে, মোবাইল ফোন তাদের কর্মক্ষেত্র ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্যকে উন্নত করেছে।

টেলিনর এশিয়ার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অফ এক্সটার্নাল রিলেশনস মনীষা ডোগরা বলেন, মোবাইল প্রযুক্তি বাংলাদেশের মানুষের ক্ষমতায়নে ভ‚মিকা রাখছে এবং এই দেশে মোবাইল ফোন যেভাবে মানসম্মত ডিজিটাল জীবনধারার জন্য অপরিহার্য হয়েছে উঠছে তা আমাদের অনুপ্রাণিত করছে। আমাদের ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের মানুষ মোবাইল সংযোগের প্রভাব সম্পর্কে যথেষ্ট ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন এবং নতুন সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। এই ইতিবাচক মানসিকতাকে কাজে লাগিয়ে একটি সমৃদ্ধ ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে এবং ব্যক্তি, ব্যবসা ও সমাজের জন্য এআই-এর মতো নতুন নতুন প্রযুক্তির সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগাতে আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে।

এই সমীক্ষায় মোবাইল ফোন এবং মোবাইল প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৯৩ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, গত পাঁচ বছরে কর্মক্ষেত্রে কর্মক্ষমতা এবং কাজের মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। আর ৮২ শতাংশ মানুষ কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাবের কথা উল্লেখ করেছেন।

বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার এবং অনলাইন পরামর্শদাতারা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন। কারণ প্রতি ১০ জন উত্তরদাতাদের মধ্যে ৬ জনই বলেছেন, তারা অনলাইনে এই ধরনের সেবা প্রদানের জন্য মোবাইলফোন ব্যবহার করছেন। সমীক্ষায় আরও প্রকাশ করা হয় যে, বাংলাদেশের ব্যবসাগুলো জেনারেটিভ এআই-এর মতো নতুন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, তারা যে কোম্পানিতে কাজ করেন সে কোম্পানিগুলো নতুন প্রযুক্তি এবং জেনারেটিভ এআই ব্যবহারকে সমর্থন করে; এবং প্রায় অর্ধেক (৪৭ শতাংশ) বিশ্বাস করে, আগামী ছয় মাসে জেনারেটিভ এআই’য়ের ব্যবহার বাড়বে। একটি ডিজিটাল ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে প্রায় সকল উত্তরদাতারা চান, তাদের নিয়োগকর্তারা ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য তাদের নতুন প্রযুক্তিতে আরও প্রশিক্ষণ প্রদান করুক।

উত্তরদাতাদের ৮৬ শতাংশের মতে, মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার তাদের কর্মজীবন এবং দক্ষতা বিকাশে সহায়ক হয়েছে এবং ৯১ শতাংশ উত্তরদাতা গত ১২ মাসে নতুন দক্ষতা অর্জনের জন্য তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছেন।

ডিজিটাল দক্ষতায় আত্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও, পুরুষ ও নারী উত্তরদাতাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের মাত্রা ভিন্ন। সাধারণত পুরুষ উত্তরদাতারা তাদের ডিজিটাল দক্ষতার ওপর বেশি আত্মবিশ্বাসী (৭৩ শতাংশ পুরুষ বনাম ৫৮ শতাংশ নারী তাদের ডিজিটাল দক্ষতায় খুব আত্মবিশ্বাসী) এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলার বিষয়ে কম উদ্বিগ্ন (২৮ শতাংশ পুরুষ বনাম ১৫ শতাংশ নারীর কথায় বোঝা যায় যে, তারা এ ব্যাপারে উদ্বিগ্ন নয়)।

ছবি

আইডিয়া প্রকল্প এবং এসটুএস ভেঞ্চার এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

ছবি

আইআইজিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম, মহাসচিব আহমেদ জুনায়েদ

ছবি

ইউআইটিএসে গুগল ক্রাউডসোর্স এবং মেশিন লার্নিং কর্মশালা

ছবি

বুয়েটে একটি অত্যাধুনিক ন্যানো ল্যাব স্থাপনের ঘোষণা দিলেন প্রতিমন্ত্রী পলক

ছবি

দুইশতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় অনুষ্ঠিত হলো বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক স্টেম ফেস্ট

ছবি

লজিটেক বাংলাদেশে নিয়ে এলো এমকে২২০ ওয়্যারলেস বাংলা কি-বোর্ড ও মাউস কম্বো

ছবি

হেলথ কেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে এসএপি সেবা প্রদান করবে স্মার্ট

ছবি

বাংলাদেশে এআই বিশেষজ্ঞ ও ডেভলপার তৈরিতে‌ মাইক্রোসফটের আগ্রহ প্রকাশ

ছবি

প্রায় ৩০ লক্ষ ম্যালওয়ার ব্লক করেছে ক্যাস্পারস্কি

ছবি

কুষ্টিয়ার ইউটিউব ভিলেজে গ্রামীণফোনের টাওয়ার

ছবি

রিভ চ্যাট এর লাইভ চ্যাট ব্যবহার করছে টালিখাতা

ছবি

ইনফিনিক্স ভিআর ক্রিকেট ক্যাম্পেইনে তাসকিনের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ

ছবি

ভিসা অ্যাকসেলেরেটর প্রোগ্রাম ২০২৪ এ অংশগ্রহণ করছে আইফার্মার

ছবি

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে এখন প্রয়োজন নীতিগত সহায়তা

ছবি

কম্পিউটেক্স ২০২৪ এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন আসুসের নতুন ল্যাপটপ

ছবি

গিগাবাইট মার্কেটিং এক্সিলেন্স এওয়ার্ড পেল স্মার্ট টেকনোলজিস

ছবি

ইএটিএল ইনোভেশন হাবের উদ্যোগে কৃষিতে এআই এবং আইওটি এর ব্যবহার নিয়ে কর্মশালা

ছবি

বিশ্বজয়ী বাংলাদেশী দলের নাসার প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ

ছবি

স্টার্টআপদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আইডিয়া প্রকল্প

ছবি

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৃজনশীল, উদ্ভাবনী এবং সমস্যা সমাধানকারী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রতিমন্ত্রী পলক

ছবি

নাসা হেড কোয়ার্টার পরিদর্শনে ‘টিম ডায়মন্ডস’ দল

গ্লোবাল ইকোনোমিক্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ অর্জন করলো এনার্জিপ্যাক

ছবি

আইসিটি বিভাগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের আরএডিপি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ছবি

দেশে ডেটা-ড্রিভেন ডিসিশন মেকিং ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হবে: প্রতিমন্ত্রী পলক

ছবি

রাজশাহীতে জিপি এক্সিলারেটর বুটক্যাম্প

ছবি

আইএইউপি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ২য় হয়েছে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের দল

ছবি

ভিভাটেক সম্মেলনে বাক্কো

ছবি

এটুআই’র শিক্ষক বাতায়ন অর্জন করেছে ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার-২০২৪

ছবি

আন্তর্জাতিক এআই গভর্নেন্স এজেন্সি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী পলক

ছবি

ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে মাল্টিমিডিয়া এআই হ্যাকাথন

ছবি

ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ: চার্জিং প্রযুক্তির কারণে আলাদা

ছবি

বাজারে নতুন স্মার্টফোন আইটেল এস২৪

ছবি

সাইবেলের সাইবার নিরাপত্তা সম্মননা পেল ইজেনারেশন

ছবি

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও স্টার্টআপ উন্নয়নে একসাথে কাজ করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ভিসিপিয়াব

ছবি

জাতিসংঘের ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার-২০২৪ পেল বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল

ছবি

যেভাবে একই অ্যাপে ব্যবহার করবেন দুটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট

tab

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন আয়ের উৎস তৈরি এবং দক্ষতা বাড়াতে ভূমিকা রাখছে মোবাইল সংযোগ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

শুক্রবার, ০৩ মে ২০২৪

কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে, ডিজিটাল ভবিষ্যতের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধি করতে এবং ফ্রিল্যান্স থেকে বাড়তি উপার্জনের ক্ষেত্রে মোবাইল প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাচ্ছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ “টেলিনর এশিয়া ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড” শীর্ষক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এশিয়া জুড়ে আট হাজার মানুষ এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৬ জনই বলছেন, তারা দিনের অর্ধেকেরও বেশি সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। একইসাথে ৬২ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করেন, আগামী ১ থেকে ২ বছরের মধ্যে তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের হার আরও বাড়বে। মূলত কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনেই মোবাইল ফোন ব্যবহারের মাত্রা বাড়ছে। এর পরেই কারণ হিসেবে রয়েছে দৈনন্দিন কেনাকাটা, রিটেইল ও ব্যাংকিংয়ের মত অনলাইন সেবা গ্রহণ। সমীক্ষায় আরও উঠে আসে যে ৯৬ শতাংশ মানুষের মতে, মোবাইল ফোন তাদের কর্মক্ষেত্র ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্যকে উন্নত করেছে।

টেলিনর এশিয়ার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অফ এক্সটার্নাল রিলেশনস মনীষা ডোগরা বলেন, মোবাইল প্রযুক্তি বাংলাদেশের মানুষের ক্ষমতায়নে ভ‚মিকা রাখছে এবং এই দেশে মোবাইল ফোন যেভাবে মানসম্মত ডিজিটাল জীবনধারার জন্য অপরিহার্য হয়েছে উঠছে তা আমাদের অনুপ্রাণিত করছে। আমাদের ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের মানুষ মোবাইল সংযোগের প্রভাব সম্পর্কে যথেষ্ট ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন এবং নতুন সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। এই ইতিবাচক মানসিকতাকে কাজে লাগিয়ে একটি সমৃদ্ধ ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে এবং ব্যক্তি, ব্যবসা ও সমাজের জন্য এআই-এর মতো নতুন নতুন প্রযুক্তির সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগাতে আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে।

এই সমীক্ষায় মোবাইল ফোন এবং মোবাইল প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৯৩ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, গত পাঁচ বছরে কর্মক্ষেত্রে কর্মক্ষমতা এবং কাজের মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। আর ৮২ শতাংশ মানুষ কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাবের কথা উল্লেখ করেছেন।

বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার এবং অনলাইন পরামর্শদাতারা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন। কারণ প্রতি ১০ জন উত্তরদাতাদের মধ্যে ৬ জনই বলেছেন, তারা অনলাইনে এই ধরনের সেবা প্রদানের জন্য মোবাইলফোন ব্যবহার করছেন। সমীক্ষায় আরও প্রকাশ করা হয় যে, বাংলাদেশের ব্যবসাগুলো জেনারেটিভ এআই-এর মতো নতুন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, তারা যে কোম্পানিতে কাজ করেন সে কোম্পানিগুলো নতুন প্রযুক্তি এবং জেনারেটিভ এআই ব্যবহারকে সমর্থন করে; এবং প্রায় অর্ধেক (৪৭ শতাংশ) বিশ্বাস করে, আগামী ছয় মাসে জেনারেটিভ এআই’য়ের ব্যবহার বাড়বে। একটি ডিজিটাল ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে প্রায় সকল উত্তরদাতারা চান, তাদের নিয়োগকর্তারা ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য তাদের নতুন প্রযুক্তিতে আরও প্রশিক্ষণ প্রদান করুক।

উত্তরদাতাদের ৮৬ শতাংশের মতে, মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার তাদের কর্মজীবন এবং দক্ষতা বিকাশে সহায়ক হয়েছে এবং ৯১ শতাংশ উত্তরদাতা গত ১২ মাসে নতুন দক্ষতা অর্জনের জন্য তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছেন।

ডিজিটাল দক্ষতায় আত্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও, পুরুষ ও নারী উত্তরদাতাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের মাত্রা ভিন্ন। সাধারণত পুরুষ উত্তরদাতারা তাদের ডিজিটাল দক্ষতার ওপর বেশি আত্মবিশ্বাসী (৭৩ শতাংশ পুরুষ বনাম ৫৮ শতাংশ নারী তাদের ডিজিটাল দক্ষতায় খুব আত্মবিশ্বাসী) এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলার বিষয়ে কম উদ্বিগ্ন (২৮ শতাংশ পুরুষ বনাম ১৫ শতাংশ নারীর কথায় বোঝা যায় যে, তারা এ ব্যাপারে উদ্বিগ্ন নয়)।

back to top