alt

জাতীয়

নির্বাচনি ইশতেহারে নিরাপদ সড়ক ও স্মার্ট গণপরিবহনের অঙ্গীকার চায় : যাত্রী কল্যাণ সমিতি

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : বৃহস্পতিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের নির্বাচনী ইশতেহারে নিরাপদ সড়ক ও স্মার্ট গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন মিলয়াতনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বল্প উন্নত দেশের কাতারে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকার বিগত ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে নিরাপদ সড়কের অঙ্গীকার করলেও নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে অগ্রগতি তেমন দৃশ্যমান নয়।

সড়কে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ করে তিনি বলেন, “যানজটে মানুষের সময় নষ্ট হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য, সিটিং সার্ভিসের নৈরাজ্য, গণপরিবহন গুলোকে ‘মুড়ির

সড়কে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ করে তিনি বলেন, “যানজটে মানুষের সময় নষ্ট হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য, সিটিং সার্ভিসের নৈরাজ্য, গণপরিবহন গুলোকে ‘মুড়ির টিন’ বানিয়ে ইচ্ছে মতো যাত্রী হয়রানি চলছে।

“ভয়াবহ বায়ুদূষণ ও ধুলো-দূষণের শিকার হচ্ছে নগরবাসী। যাত্রী ও নাগরিক সমাজের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে চালু হওয়া বাস রুট রেশনালাইজেশন প্রকল্পের আওতায় ঢাকা নগর পরিবহন নামে কয়েকটি রুটে বাস সার্ভিস চালু করা হলেও তা মুখথুবড়ে পড়েছে। সদরঘাট থেকে গাবতলীর আমিন বাজার পর্যন্ত ওয়াটার বাস সার্ভিস চালু করা হলেও তা কার্যকর হয়নি।”

সরকার বাস মালিক, শ্রমিকের স্বার্থগুলো অগ্রাধিকার দিচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষ এখন লক্কড়-ঝক্কর বাস মালিকদের ইচ্ছের কাছে জিম্মি হয়ে আছে। তারা ইজ্জত ও মর্যাদা নিয়ে এসব পরিবহনে যাতায়াত করতে পারছে না।

“গণপরিবহনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সকল ফোরামে মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠনগুলোকে রাখা হলেও যাত্রী প্রতিনিধি রাখা হয় না। ফলে পরিবহন মালিক শ্রমিকেরা আজ বেপরোয়া।”

যাত্রী হয়রানি থেকে মুক্তি ও ক্ষমতায় গেলে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি রাজনৈতিক দলের ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান মোজাম্মেল।

সড়ক নিরাপত্তায় ঝুঁকি, ব্যয়বহুল ও যানজট তৈরির প্রধান উৎস ছোট ছোট যানবাহন স্মার্ট বাংলাদেশের সঙ্গে বেমানান বলে জানান তিনি।

মহাসচিব বলেন, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে প্রতিবছর দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪ হাজার ৯৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ আহত হচ্ছে। ৮০ হাজার মানুষ পঙ্গু হচ্ছে।”

রাজধানী ঢাকার প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের কথা তুল ধরে তিনি বলেন, “ব্যাপক যানজটের কবল থেকে ঢাকাকে মুক্ত করতে বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেমন, আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন হলেও প্রধান শহর নিউ ইয়র্ক। ভারতে রাজধানী দিল্লি হলেও প্রধান শহর বোম্বে। ঠিক তেমনি চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু টানেল চালুর কারণে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম শহর সম্প্রসারণের অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

“ওয়ান সিটি টু টাউন আদলে এখানে প্রশাসনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদালত সম্প্রসারণ এবং দেশের প্রধান শহর হিসেবে গড়ে তোলা গেলে ঢাকার উপর চাপ কমানো সম্ভব।”

ছবি

ছেলে না মেয়ে? জম্মের আগে প্রকাশ করা যাবে না লিঙ্গ পরিচয়

ছবি

নারী উদ্যোক্তা তৈরি ও জলবায়ু জন্য বিশ্ব ব্যাংকের কাছে বিশেষ তহবিল চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি

চিকিৎসাব্যবস্থায় দুর্নীতির কারণে আস্থা হারাচ্ছে মানুষ: হানিফ

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল এসেছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি

সংরক্ষিত আসনে ৫০ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত

ছবি

শিল্পনগরীতে ১,৩০৪ শিল্প প্লট খালি: শিল্পমন্ত্রী

ছবি

প্রধানমন্ত্রীর ‘কড়া নির্দেশ’ জিরো টলারেন্স দেখাতে বলেছেন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ছবি

ভুয়া খবর বন্ধে ‘আরও আইন’ আসছে: সংসদে আইনমন্ত্রী

ছবি

জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে উন্নয়ন কাজের ব্যবস্থাটা আমরা নিয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী

ছবি

চাহিদার বিপরীতে গ্যাসের ঘাটতি প্রায় ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট: প্রতিমন্ত্রী

ছবি

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

ছবি

পিলখানার চূড়ান্ত বিচার দ্রুত শেষ হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি

পিলখানার দুঃসহ স্মৃতির ১৫ বছর

ছবি

পবিত্র শবে বরাত আজ

ছবি

বাজার কারসাজির বিরুদ্ধে ইশতেহার অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি

স্বাধীন বিচার বিভাগ ও শক্তিশালী সংসদ দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

ছবি

‘বঙ্গবন্ধু অ্যাপ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে সরকার: রিজভী

ছবি

বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি ৬ ভাষায়

ছবি

ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার

ছবি

বাংলাদেশে আসছেন বিশ্বব্যাংকের এমডি

ছবি

এবার ৪০০ পুলিশ সদস্য পাচ্ছেন

ছবি

টাঙ্গাইল শাড়ি আমাদের : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ছবি

প্রশ্নফাঁস হয়নি, প্রতারক চক্র গুজব ছড়াচ্ছে : ঢাবি উপাচার্য

ছবি

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ট্রাফিক লাইট সচলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ছবি

মাটি ও মানুষের সঙ্গে সংযোগ আছে, দেশে এমন রাজনৈতিক দলের অভাব : শেখ হাসিনা

ছবি

মজুতকারীদের গণধোলাই দেওয়া উচিত: প্রধানমন্ত্রী

ছবি

রাজধানীতে কিশোর গ্যাংয়ের ৩৮ সদস্য গ্রেফতার

ছবি

লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৪৪ বাংলাদেশি

ছবি

জার্মানি সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন শুরু

ছবি

নতুন সরকার গঠনের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি

চেম্বার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেসথেসিয়া দেয়া যাবে না

দ্রব্যমূলের উর্ধ্বগতি অনেকেই কষ্টে দিন কাটছে বলে অভিযোগ

ছবি

সেনাবাহিনীর ভেটেরিনারি কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন ঃ প্রথম কোর পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত

ছবি

চেম্বার-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া যাবে না: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ছবি

দেশে ৪০ শতাংশ শিশু নির্যাতনের শিকার হচ্ছে

tab

জাতীয়

নির্বাচনি ইশতেহারে নিরাপদ সড়ক ও স্মার্ট গণপরিবহনের অঙ্গীকার চায় : যাত্রী কল্যাণ সমিতি

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের নির্বাচনী ইশতেহারে নিরাপদ সড়ক ও স্মার্ট গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন মিলয়াতনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বল্প উন্নত দেশের কাতারে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকার বিগত ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে নিরাপদ সড়কের অঙ্গীকার করলেও নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে অগ্রগতি তেমন দৃশ্যমান নয়।

সড়কে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ করে তিনি বলেন, “যানজটে মানুষের সময় নষ্ট হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য, সিটিং সার্ভিসের নৈরাজ্য, গণপরিবহন গুলোকে ‘মুড়ির

সড়কে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ করে তিনি বলেন, “যানজটে মানুষের সময় নষ্ট হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য, সিটিং সার্ভিসের নৈরাজ্য, গণপরিবহন গুলোকে ‘মুড়ির টিন’ বানিয়ে ইচ্ছে মতো যাত্রী হয়রানি চলছে।

“ভয়াবহ বায়ুদূষণ ও ধুলো-দূষণের শিকার হচ্ছে নগরবাসী। যাত্রী ও নাগরিক সমাজের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে চালু হওয়া বাস রুট রেশনালাইজেশন প্রকল্পের আওতায় ঢাকা নগর পরিবহন নামে কয়েকটি রুটে বাস সার্ভিস চালু করা হলেও তা মুখথুবড়ে পড়েছে। সদরঘাট থেকে গাবতলীর আমিন বাজার পর্যন্ত ওয়াটার বাস সার্ভিস চালু করা হলেও তা কার্যকর হয়নি।”

সরকার বাস মালিক, শ্রমিকের স্বার্থগুলো অগ্রাধিকার দিচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষ এখন লক্কড়-ঝক্কর বাস মালিকদের ইচ্ছের কাছে জিম্মি হয়ে আছে। তারা ইজ্জত ও মর্যাদা নিয়ে এসব পরিবহনে যাতায়াত করতে পারছে না।

“গণপরিবহনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সকল ফোরামে মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠনগুলোকে রাখা হলেও যাত্রী প্রতিনিধি রাখা হয় না। ফলে পরিবহন মালিক শ্রমিকেরা আজ বেপরোয়া।”

যাত্রী হয়রানি থেকে মুক্তি ও ক্ষমতায় গেলে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি রাজনৈতিক দলের ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান মোজাম্মেল।

সড়ক নিরাপত্তায় ঝুঁকি, ব্যয়বহুল ও যানজট তৈরির প্রধান উৎস ছোট ছোট যানবাহন স্মার্ট বাংলাদেশের সঙ্গে বেমানান বলে জানান তিনি।

মহাসচিব বলেন, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে প্রতিবছর দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪ হাজার ৯৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ আহত হচ্ছে। ৮০ হাজার মানুষ পঙ্গু হচ্ছে।”

রাজধানী ঢাকার প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের কথা তুল ধরে তিনি বলেন, “ব্যাপক যানজটের কবল থেকে ঢাকাকে মুক্ত করতে বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেমন, আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন হলেও প্রধান শহর নিউ ইয়র্ক। ভারতে রাজধানী দিল্লি হলেও প্রধান শহর বোম্বে। ঠিক তেমনি চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু টানেল চালুর কারণে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম শহর সম্প্রসারণের অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

“ওয়ান সিটি টু টাউন আদলে এখানে প্রশাসনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদালত সম্প্রসারণ এবং দেশের প্রধান শহর হিসেবে গড়ে তোলা গেলে ঢাকার উপর চাপ কমানো সম্ভব।”

back to top