alt

জাতীয়

তীব্র দাবদাহের মধ্যেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড , আছে লোড শেডিংও

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক : মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

তীব্র দাবদাহের মধ্যে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের চেষ্টায় রেকর্ড হয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে।

সোমবার রাত ৯টার দিকে ১৬ হাজার ২৩৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ার তথ্য দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এটাই বিদ্যুতের সর্বোচ্চ উৎপাদন।

এর আগে রোববার রাতে পিক আওয়ারে ১৫ হাজার ৬৬৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল। আগের বছর ২০২৩ সালে গরমের সময় ১৫ হাজার ৬৪৮ মেগাওয়াট পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছিল।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড করতে গিয়ে এদিন গ্যাস থেকে ৭ হাজার ৫৬০ মেগাওয়াট, তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৩ হাজার ৪৩৯ মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৪ হাজার ৪১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল।

দেশজুড়ে টানা তাপপ্রবাহের মধ্যে গত কয়েক দিন বিভিন্ন স্থানে দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করছে। তাপমাত্রা বাড়লেও মাঝে ঈদের ছুটির সময় কলকারখানায় কাজ কম থাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যেই ছিল। ছুটির পর একদিকে গরম, অন্যদিকে শিল্প কারখানার চাহিদা বাড়ার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে। এতে লোড শেডিংও বেড়েছে।

পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ উৎপাদন যখন ১৬ হাজার ২৩৩ মেগাওয়াটের মাইলফলক স্পর্শ করেছে তখনও দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪৪৬ মেগাওয়াট লোড শেডিং চলছিল। কারণ ওই সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ মনে করছেন, এবার গ্রীষ্মের সময় বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছুঁয়ে যেতে পারে।

পর্যাপ্ত গ্যাস, কয়লাসহ অন্যান্য তরল জ্বালানির যোগান দেওয়া গেলে বিশাল এই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে এবং ভারত থেকে আমদানির সুবিধা কাজে লাগিয়ে পাওয়ার সেল বলছে, বর্তমানে দৈনিক ৩০ হাজার ২৭৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার সক্ষমতা রয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় জ্বালানির অভাবে কেন্দ্রগুলোর অর্ধেক সক্ষমতা অলস রাখতে হচ্ছে।

এছাড়া সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা না থাকাতেও কিছু কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো যাচেছ না। এরমধ্যে চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে স্থাপিত দুটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে।

এ ‍দুটি কেন্দ্রে দৈনিক ১৭৯৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও সঞ্চালন লাইন প্রস্তুত না থাকায় গত দুই দিন ধরে সেখান থেকে পাওয়া যাচ্ছিল মাত্র ৬৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ.কে.এম গাউছ মহীউদ্দিন আহমেদ বলেন, আগামী জুলাইয়ে আগে বাঁশখালী ও মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর সব বিদ্যুৎ সঞ্চালন করার সক্ষমতা আসবে না।

ছবি

গাজীপুরে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে শিক্ষককে ৩ দিনের জেল

ছবি

কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ

ছবি

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

ছবি

চট্টগ্রামে স্ত্রীসহ কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

ছবি

দুই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ৭-৮ শতাংশ : ইসি অতিরিক্ত সচিব

ছবি

দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

ছবি

এবার লোৎসে জয় করলেন বাবর

ছবি

তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট সংখ্যা আমাদের হাতে নেই : মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

ছবি

মন্ত্রিসভায় এপোস্টল কনভেনশন স্বাক্ষরের অনুমোদনের কারনে বছরে সাশ্রয় হবে ৫০০ কোটি টাকা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি

ইরানের প্রেসিডেন্ট রাইসির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ছবি

বাজার মনিটরিং কঠোরভাবে শুরু করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ছবি

বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে পারে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র

ছবি

কত ভোটার উপস্থিত হলে সন্তোষজনক হবে তা নিয়ে ইসির দায়বদ্ধতা নেই

ছবি

ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলবে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ : কাদের

ছবি

ডেঙ্গু নিয়ে বড় শঙ্কা : সাড়ে ৫ মাসে আক্রান্ত ২৬শ’ মৃত্যু ৩৩

ছবি

রক্তেভেজা চা শ্রমিক দিবস আজ

উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে পারে: আশায় ইসি

ই-ফাইলিং নিশ্চিত হলে কর আহরণ বাড়বে জিডিপি পাঁচ শতাংশ : সিপিডি

ডেঙ্গু নিয়ে বড় শঙ্কা

কারিগরি সমস্যা : বিটিসিএলের কল সেণ্টারের সেবা সাময়িক বিঘ্নিত হচ্ছে

চিকিৎসা খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন ৪৬ শতাংশ মানুষ

উপজেলা : ক্ষমতাসীনদের আয়, সম্পদ বৃদ্ধি পাচ্ছে

ছবি

কিরগিজস্তান সরকারকে উদ্বেগ জানানো হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি

মেট্রোরেলে ভ্যাট বসানো এনবিআরের ভুল সিদ্ধান্ত : ওবায়দুল কাদের

ছবি

ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধে বিআরটিএ’র নির্দেশনা

ছবি

কিরগিজস্তানে সহিংস জনতার হামলায় বাংলাদেশের উদ্বেগ

ছবি

দ্বিতীয় ধাপে ঋণগ্রস্ত প্রার্থী বেশি, কোটিপতি ১১৬

ছবি

শুরুতেই বড় পতন, ক্রেতা সংকটে শতাধিক প্রতিষ্ঠান

ছবি

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি

সৌদি গেলেন ২৮৭৬০ হজযাত্রী, আরও একজনের মৃত্যু

ছবি

১১ বছর পর আরেক বাংলাদেশির এভারেস্ট জয়

ছবি

ভ্রাম্যমাণ জাদুঘর উদ্বোধন, র‍্যালি, আলোচনা সভা

ছবি

নারী স্পিকারদের সম্মেলন বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর অনবদ্য প্লাটফর্ম: ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী

ছবি

আম নিয়ে সিন্ডিকেট হতে দেয়া হবে না : কৃষিমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই আজ একাত্তরের চেয়েও কঠিন

ছবি

কেরাণীগঞ্জে ক্যালিগ্রাফি কর্মশালা

tab

জাতীয়

তীব্র দাবদাহের মধ্যেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড , আছে লোড শেডিংও

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

তীব্র দাবদাহের মধ্যে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের চেষ্টায় রেকর্ড হয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে।

সোমবার রাত ৯টার দিকে ১৬ হাজার ২৩৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ার তথ্য দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এটাই বিদ্যুতের সর্বোচ্চ উৎপাদন।

এর আগে রোববার রাতে পিক আওয়ারে ১৫ হাজার ৬৬৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল। আগের বছর ২০২৩ সালে গরমের সময় ১৫ হাজার ৬৪৮ মেগাওয়াট পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছিল।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড করতে গিয়ে এদিন গ্যাস থেকে ৭ হাজার ৫৬০ মেগাওয়াট, তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৩ হাজার ৪৩৯ মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৪ হাজার ৪১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল।

দেশজুড়ে টানা তাপপ্রবাহের মধ্যে গত কয়েক দিন বিভিন্ন স্থানে দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করছে। তাপমাত্রা বাড়লেও মাঝে ঈদের ছুটির সময় কলকারখানায় কাজ কম থাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যেই ছিল। ছুটির পর একদিকে গরম, অন্যদিকে শিল্প কারখানার চাহিদা বাড়ার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে। এতে লোড শেডিংও বেড়েছে।

পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ উৎপাদন যখন ১৬ হাজার ২৩৩ মেগাওয়াটের মাইলফলক স্পর্শ করেছে তখনও দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪৪৬ মেগাওয়াট লোড শেডিং চলছিল। কারণ ওই সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ মনে করছেন, এবার গ্রীষ্মের সময় বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছুঁয়ে যেতে পারে।

পর্যাপ্ত গ্যাস, কয়লাসহ অন্যান্য তরল জ্বালানির যোগান দেওয়া গেলে বিশাল এই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে এবং ভারত থেকে আমদানির সুবিধা কাজে লাগিয়ে পাওয়ার সেল বলছে, বর্তমানে দৈনিক ৩০ হাজার ২৭৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার সক্ষমতা রয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় জ্বালানির অভাবে কেন্দ্রগুলোর অর্ধেক সক্ষমতা অলস রাখতে হচ্ছে।

এছাড়া সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা না থাকাতেও কিছু কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো যাচেছ না। এরমধ্যে চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে স্থাপিত দুটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে।

এ ‍দুটি কেন্দ্রে দৈনিক ১৭৯৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও সঞ্চালন লাইন প্রস্তুত না থাকায় গত দুই দিন ধরে সেখান থেকে পাওয়া যাচ্ছিল মাত্র ৬৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ.কে.এম গাউছ মহীউদ্দিন আহমেদ বলেন, আগামী জুলাইয়ে আগে বাঁশখালী ও মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর সব বিদ্যুৎ সঞ্চালন করার সক্ষমতা আসবে না।

back to top