alt

জাতীয়

আগামী বছর থেকে বঙ্গবন্ধু শান্তি পুরস্কার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক : মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

আগামী বছর থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একটি আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার প্রবর্তন করছে বাংলাদেশ সরকার। এজন্য ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পদক নীতিমালা-২০২৪’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

এর আওতায় প্রতি দুই বছরে দেশি বা বিদেশি একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে একটি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দেয়া হবে। পুরস্কারের মূল্যমান হবে এক লাখ মার্কিন ডলার ও ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক। একই সঙ্গে একটি সনদপত্রও দেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

১৯৭৩ সালের ২৩ মে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করা হয়েছিল উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটির ৫০ বছর পূর্তি আমরা গত বছর উদযাপন করেছি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে বঙ্গবন্ধুর নামে একটি শান্তি পুরস্কার তিনি প্রবর্তন করতে চান। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আজকে একটি নীতিমালা আমরা উপস্থাপন করেছি। মন্ত্রিসভা সেটি আজকে অনুমোদন করেছে।’

এই নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ ও বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত বা বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে কয়েকটি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পুরস্কার দেয়া যাবে বলে জানান মাহবুব হোসেন।

এছাড়া বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা, যুদ্ধ নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ ও অবদান রাখা, দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখা, টেকসই সামাজিক পরিবেশগত অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন- এই পুরস্কার দেয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেয়া হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

পুরস্কার দেয়ার ক্ষেত্রে পৃথিবীর যেকোনো দেশ থেকে প্রস্তাব নেয়া যাবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কারা কারা প্রস্তাব করতে পারবে নীতিমালায় সেটারও একটা বর্ণনা দেয়া আছে। একটি দেশের সরকার, রাষ্ট্রপ্রধান বা সেই দেশের সংসদ সদস্যরা প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন। নোবেল বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিও কারো নাম প্রস্তাব করতে পারবেন।’

এছাড়া বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি যত দূতাবাস রয়েছে সেই দূতাবাসের প্রধানরা বা আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরা পুরস্কারের জন্য নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। বিদেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশন বা দূতাবাসের প্রধানরাও প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন। জাতিসংঘের কোনো সংস্থা প্রধানও নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। কোনো ব্যক্তি নিজে পুরস্কারের জন্য দাবি জানাতে পারবেন না।

একটি জুরি বোর্ড গঠন করা হবে জানিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। নিরপেক্ষ ও খ্যাতিসম্পন্ন লোকদের দ্বারাই জুরি বোর্ড গঠিত হবে। ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হবে। ২৩ মে বা কাছাকাছি সময়ে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে।

সচিব বলেন, ‘নীতিমালা নিয়ে কাজটি যাতে শুরু করা হয়; এটিকে যাতে পরবর্তীতে আইনে রূপান্তর করা হয়। আইনের মধ্যে একটি তহবিল তৈরি করতে বলা হয়েছে যে তহবিলে, সরকার বা বাইরের লোক যে কেউ সেখানে অনুদান দিতে পারবেন। পরে আমরা তহবিল থেকেই সেই ব্যয়ভারটা নির্বাহ করতে পারব। সেই পর্যন্ত সরকারই এই ব্যয়ভারটা বহন করবে।’

অর্থ বিভাগে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ দেবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগামী বছর (২০২৫) প্রথমবারের মতোই এই পুরস্কার দেয়া হবে।

ছবি

নেতাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন শেখ হাসিনা

ছবি

আজ পবিত্র ঈদুল আজহা

ছবি

বঙ্গভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি

ছবি

ঈদুল আজহার ত্যাগের চেতনায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ছবি

সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ছবি

২০ বছরে হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

ছবি

খালেদা জিয়া কৃষকের ভাগ্য নিয়েও ছিনিমিনি খেলেছিল

ছবি

ঈদ নিরাপত্তায় যেসব পরামর্শ দিলো পুলিশ

ছবি

সাভার-আশুলিয়া সড়কে কমেছে যানবাহনের চাপ

ছবি

আজ পবিত্র হজ

ছবি

চোরাইপথে আসা চিনি ছিনতাইচেষ্টায় ‘ছাত্রলীগের’ ৫ জন আটক

রঞ্জন সেনের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ২ বছর বাড়ানো হলো

ছবি

মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে চীনকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

ছবি

ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডের সিগনেটরি স্বীকৃতি পেলো আইইবি

ছবি

এ বছরের পর আর টিকিট কালোবাজারি থাকবে না: র‌্যাব

ছবি

সৌদিতে আরও দুই বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

ওমানের ভিসা নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ

ছবি

মাসুমা খান মজলিস ইন্তেকাল করেছেন

মজলিসের স্ত্রী মাসুমা খান মজলিস আজ সকালে ইন্তেকাল করে

ছবি

আরও ৭০ উপজেলা ‘ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত’

ছবি

১৫২ কোটি টাকার সুদ মওকুফ করায় সাবেক ভ্যাট কমিশনারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ছবি

এয়ার অ্যারাবিয়ার ফ্লাইট ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করে ঢাকায় ফিরল

ছবি

কক্সবাজারকে গৃহহীন ও ভূমিহীন মুক্ত ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি

নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ কিনবে সরকার

ছবি

প্রতিরক্ষা খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চায় ইইউ : রাষ্ট্রদূত

ছবি

ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত হলো আরও ৭০ উপজেলা

ছবি

এমপি আজিম চোরাচালানে যুক্ত ছিল, কখনোই বলিনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি তৈরি করে দেব : প্রধানমন্ত্রী

ছবি

নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান

ছবি

আজিজ আহমেদের স্বজনদের পাসপোর্ট অনুসন্ধানে দুদকের চিঠি, ইসির তদন্ত কমিটি গঠন

ছবি

স্কাইডাইভে আশিক চৌধুরীর বিশ্বরেকর্ড উদযাপন করল স্পন্সর ইউসিবি

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ছবি

জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন- সিলেটে আইজিপি

ছবি

শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আগামী কাল

ছবি

পাকিস্তানে হামলায় সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেনসহ ৭ সৈন্য নিহত

ছবি

চেনা দুর্যোগগুলো অচেনা হয়ে উঠছে : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ডিজি

tab

জাতীয়

আগামী বছর থেকে বঙ্গবন্ধু শান্তি পুরস্কার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

আগামী বছর থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একটি আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার প্রবর্তন করছে বাংলাদেশ সরকার। এজন্য ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পদক নীতিমালা-২০২৪’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

এর আওতায় প্রতি দুই বছরে দেশি বা বিদেশি একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে একটি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দেয়া হবে। পুরস্কারের মূল্যমান হবে এক লাখ মার্কিন ডলার ও ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক। একই সঙ্গে একটি সনদপত্রও দেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

১৯৭৩ সালের ২৩ মে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করা হয়েছিল উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটির ৫০ বছর পূর্তি আমরা গত বছর উদযাপন করেছি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে বঙ্গবন্ধুর নামে একটি শান্তি পুরস্কার তিনি প্রবর্তন করতে চান। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আজকে একটি নীতিমালা আমরা উপস্থাপন করেছি। মন্ত্রিসভা সেটি আজকে অনুমোদন করেছে।’

এই নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ ও বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত বা বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে কয়েকটি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পুরস্কার দেয়া যাবে বলে জানান মাহবুব হোসেন।

এছাড়া বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা, যুদ্ধ নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ ও অবদান রাখা, দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখা, টেকসই সামাজিক পরিবেশগত অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন- এই পুরস্কার দেয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেয়া হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

পুরস্কার দেয়ার ক্ষেত্রে পৃথিবীর যেকোনো দেশ থেকে প্রস্তাব নেয়া যাবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কারা কারা প্রস্তাব করতে পারবে নীতিমালায় সেটারও একটা বর্ণনা দেয়া আছে। একটি দেশের সরকার, রাষ্ট্রপ্রধান বা সেই দেশের সংসদ সদস্যরা প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন। নোবেল বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিও কারো নাম প্রস্তাব করতে পারবেন।’

এছাড়া বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি যত দূতাবাস রয়েছে সেই দূতাবাসের প্রধানরা বা আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরা পুরস্কারের জন্য নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। বিদেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশন বা দূতাবাসের প্রধানরাও প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন। জাতিসংঘের কোনো সংস্থা প্রধানও নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। কোনো ব্যক্তি নিজে পুরস্কারের জন্য দাবি জানাতে পারবেন না।

একটি জুরি বোর্ড গঠন করা হবে জানিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। নিরপেক্ষ ও খ্যাতিসম্পন্ন লোকদের দ্বারাই জুরি বোর্ড গঠিত হবে। ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হবে। ২৩ মে বা কাছাকাছি সময়ে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে।

সচিব বলেন, ‘নীতিমালা নিয়ে কাজটি যাতে শুরু করা হয়; এটিকে যাতে পরবর্তীতে আইনে রূপান্তর করা হয়। আইনের মধ্যে একটি তহবিল তৈরি করতে বলা হয়েছে যে তহবিলে, সরকার বা বাইরের লোক যে কেউ সেখানে অনুদান দিতে পারবেন। পরে আমরা তহবিল থেকেই সেই ব্যয়ভারটা নির্বাহ করতে পারব। সেই পর্যন্ত সরকারই এই ব্যয়ভারটা বহন করবে।’

অর্থ বিভাগে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ দেবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগামী বছর (২০২৫) প্রথমবারের মতোই এই পুরস্কার দেয়া হবে।

back to top