বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের উত্থানের আশঙ্কা করে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে কোনোভাবেই উগ্রপন্থার অবস্থান হবে না।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা নগরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর রামপুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত মাছুম মিয়ার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। পরে তিনি নিহত মাছুম মিয়ার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তরের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাই। কোনোভাবেই উগ্রপন্থার সুযোগ দেওয়া হবে না। আলোচনা ও সতর্কতার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব না হলে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন পরিস্থিতি এবং শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার কারণে উগ্রপন্থার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই, এমন কোনো সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া হবে না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক আবু রায়হান, সদস্যসচিব মুহাম্মদ রাশেদুল হাসান, নিহত মাছুম মিয়ার বাবা শাহিন মিয়াসহ আরও অনেকে।
গণ–অভ্যুত্থানে হতাহতের প্রতিটি ঘটনার বিচার হবে উল্লেখ করে মাহফুজ আলম বলেন, ‘শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গঠনে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করব, প্রতিটি শহীদ পরিবার যেন ন্যায়বিচার পায়।’
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়ে তিনি বলেন, মফস্বলের গণমাধ্যমকর্মীরা যেন বৈষম্যের শিকার না হন, সে বিষয়েও সরকার কাজ করছে।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের উত্থানের আশঙ্কা করে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে কোনোভাবেই উগ্রপন্থার অবস্থান হবে না।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা নগরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর রামপুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত মাছুম মিয়ার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। পরে তিনি নিহত মাছুম মিয়ার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তরের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাই। কোনোভাবেই উগ্রপন্থার সুযোগ দেওয়া হবে না। আলোচনা ও সতর্কতার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব না হলে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন পরিস্থিতি এবং শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার কারণে উগ্রপন্থার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই, এমন কোনো সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া হবে না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক আবু রায়হান, সদস্যসচিব মুহাম্মদ রাশেদুল হাসান, নিহত মাছুম মিয়ার বাবা শাহিন মিয়াসহ আরও অনেকে।
গণ–অভ্যুত্থানে হতাহতের প্রতিটি ঘটনার বিচার হবে উল্লেখ করে মাহফুজ আলম বলেন, ‘শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গঠনে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করব, প্রতিটি শহীদ পরিবার যেন ন্যায়বিচার পায়।’
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়ে তিনি বলেন, মফস্বলের গণমাধ্যমকর্মীরা যেন বৈষম্যের শিকার না হন, সে বিষয়েও সরকার কাজ করছে।