চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার জাঙ্গালিয়ায় দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সড়কের অসঙ্গতি চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বীর প্রতীক।
বুধবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম এ সময় তার সাথে ছিলেন।
পরিদর্শনে গিয়ে উপদেষ্টা সাংবাদিকদের জানান, "আজই সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সাথে এ বিষয়ে আলাপ করব। সড়কে কী অসঙ্গতি আছে তা সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের দেখতে বলেছি। তারা এখানে আছেন এবং দ্রুততম সময়ে করণীয় নির্ধারণ করে জানাবেন।"
দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রত্যেককে বিআরটিএ-এর পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং সরকারিভাবে আরও ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আহতদের সুচিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে চিকিৎসা বাবদ ১৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বিআরটিএ-এর পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসার জন্য আরও প্রয়োজন হলে সরকার সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, "মর্মান্তিক, দুঃখজনক, বেদনাদায়ক এ ঘটনা আমাদের জাতিকে বিমর্ষ করেছে। আমরা স্বজনদের সাথে সমব্যথী।"
দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনা ঘটছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যেতে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় লাগছে, অথচ ঢাকার মানুষ ফ্লাইটে আধা ঘণ্টায় পৌঁছে যাচ্ছে। এটি বৈষম্যের উদাহরণ। এই পরিস্থিতির অবসান হওয়া উচিত।"
এছাড়া তিনি জানান, "বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব স্থান চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সড়ক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
বুধবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় চট্টগ্রামমুখী বাসের সাথে কক্সবাজারগামী একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসে থাকা ৭ জন নিহত হন। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুজন এবং লোহাগাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজনের মৃত্যু হয়।
এর আগে ঈদের দিন সকালে কাছাকাছি স্থানে বাস ও মিনিবাসের সংঘর্ষে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা, গাড়িচালক ও সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের মতে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ওই অংশে পাহাড়ি উঁচু-নিচু সড়কের কারণে বেশ কিছু বাঁক রয়েছে। লবণ ও মাটি বহনকারী ট্রাক চলাচলের ফলে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে থাকে। ঈদের ছুটিতে আসা পর্যটকবাহী যানবাহনের চালকরা এই সড়কে অভ্যস্ত না থাকায় বাঁক ও ঢালু পথে নিয়ন্ত্রণ হারান। অতিরিক্ত গতিও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে পুলিশ মনে করছে।
নিউজটি কাঠামো ঠিক রেখে পুনর্লিখন করা হলো, যাতে ভাষা আরও সাবলীল হয়। যদি কোনো পরিবর্তন বা সংযোজন চান, জানাতে পারেন।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার জাঙ্গালিয়ায় দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সড়কের অসঙ্গতি চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বীর প্রতীক।
বুধবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম এ সময় তার সাথে ছিলেন।
পরিদর্শনে গিয়ে উপদেষ্টা সাংবাদিকদের জানান, "আজই সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সাথে এ বিষয়ে আলাপ করব। সড়কে কী অসঙ্গতি আছে তা সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের দেখতে বলেছি। তারা এখানে আছেন এবং দ্রুততম সময়ে করণীয় নির্ধারণ করে জানাবেন।"
দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রত্যেককে বিআরটিএ-এর পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং সরকারিভাবে আরও ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আহতদের সুচিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে চিকিৎসা বাবদ ১৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বিআরটিএ-এর পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসার জন্য আরও প্রয়োজন হলে সরকার সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, "মর্মান্তিক, দুঃখজনক, বেদনাদায়ক এ ঘটনা আমাদের জাতিকে বিমর্ষ করেছে। আমরা স্বজনদের সাথে সমব্যথী।"
দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনা ঘটছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যেতে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় লাগছে, অথচ ঢাকার মানুষ ফ্লাইটে আধা ঘণ্টায় পৌঁছে যাচ্ছে। এটি বৈষম্যের উদাহরণ। এই পরিস্থিতির অবসান হওয়া উচিত।"
এছাড়া তিনি জানান, "বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব স্থান চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সড়ক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
বুধবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় চট্টগ্রামমুখী বাসের সাথে কক্সবাজারগামী একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসে থাকা ৭ জন নিহত হন। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুজন এবং লোহাগাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজনের মৃত্যু হয়।
এর আগে ঈদের দিন সকালে কাছাকাছি স্থানে বাস ও মিনিবাসের সংঘর্ষে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা, গাড়িচালক ও সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের মতে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ওই অংশে পাহাড়ি উঁচু-নিচু সড়কের কারণে বেশ কিছু বাঁক রয়েছে। লবণ ও মাটি বহনকারী ট্রাক চলাচলের ফলে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে থাকে। ঈদের ছুটিতে আসা পর্যটকবাহী যানবাহনের চালকরা এই সড়কে অভ্যস্ত না থাকায় বাঁক ও ঢালু পথে নিয়ন্ত্রণ হারান। অতিরিক্ত গতিও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে পুলিশ মনে করছে।
নিউজটি কাঠামো ঠিক রেখে পুনর্লিখন করা হলো, যাতে ভাষা আরও সাবলীল হয়। যদি কোনো পরিবর্তন বা সংযোজন চান, জানাতে পারেন।